দক্ষিণ আফ্রিকায় ১ অক্টোবর থেকে আর্ন্তজাতিক বিমান চলাচল শুরু
jugantor
দক্ষিণ আফ্রিকায় ১ অক্টোবর থেকে আর্ন্তজাতিক বিমান চলাচল শুরু

  শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে  

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:৫৭:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা মহামারীর কারণে ৬ মাস পর ১ অক্টোবর থেকে খুলে দেয়া হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকায় সব সীমানাসহ দেশের ৩টি আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর। সেই সঙ্গে সর্বসাধারণের জন্য উম্মুক্ত হচ্ছে অভিবাসন, পর্যটন, স্বাস্থ্য ও পরিবহন ব্যবস্থা।

বুধবার দুপুরে জোহানসবার্গের মিড়রেন্ডে যোগাযোগ, স্বরাষ্ট্র ও আর্ন্তজাতিক সম্পর্ক মন্ত্রণালয়ের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা।

এ সময় মন্ত্রীরা বলেন, করোনা মহামারী ঠেকাতে ১৫ মার্চ রাষ্ট্রপতি সিরিল রামাপোসা জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা করে এবং ২৬ মার্চ দেশটিতে পঞ্চম স্তরের লকডাউন নীতিমালা ঘোষণা দিয়েছিলেন। বর্তমানে করোনা মহামারী হ্রাস পাওয়ায় অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সরকার ১ অক্টোবর থেকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত খুলে দিচ্ছে।

এই সময় আর্ন্তজাতিক সম্পর্ক বিষয়ক মন্ত্রী নেলাড়ি পানডোর বলেছেন, আর্ন্তজাতিক ভ্রমণকারীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে দক্ষিণ আফ্রিকায় ভ্রমণে আসতে পারবেন। সব ধরনের মিড়িয়াম ও লো রিস্কের দেশ থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা ভ্রমণ করার সময় পিসিআর পরীক্ষার রিপোর্ট ও কোভিড-১৯ পরীক্ষার রিপোর্ট সঙ্গে থাকতে হবে। কোনো ভ্রমণকারী এয়ারপোর্টে আসার পর পরীক্ষা করে করোনার উপসর্গ পাওয়া গেলে থাকে নিজ খরচে ১০ দিনের কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে।

ভারত, ইউরোপের বেশকিছু দেশ, ইংল্যান্ড, আমেরিকা, রাশিয়া, ব্রাজিল নেপাল, ওমান, নেদারল্যান্ডস কুয়েতসহ সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ হওয়া দেশগুলো থেকে সাধারণ কোনো যাত্রী দক্ষিণ আফ্রিকায আসতে পারবে না।

যে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ভ্রমণের জন্য উম্মুক্ত করা হবে সেগুলো হলো ওআর ট্যাম্বো ইন্টারন্যাশনাল (জোহানেসবার্গে) কেপটাউন ইন্টারন্যাশনাল (কেপটাউনে) কিং শাকা ইন্টারন্যাশনালের (ডারবান)।

অপরদিকে যোগাযোগমন্ত্রী ফিকিলে মাবাবুলা জানিয়েছেন, দেশের ৩৫টি স্থল সীমানার মধ্যে শুধুমাত্র আফ্রিকা মহাদেশের নির্দিষ্ট কয়টি দেশের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ১৮টি সীমানা খোলা হবে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় ১ অক্টোবর থেকে আর্ন্তজাতিক বিমান চলাচল শুরু

 শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে 
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা মহামারীর কারণে ৬ মাস পর ১ অক্টোবর থেকে খুলে দেয়া হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকায় সব সীমানাসহ দেশের ৩টি আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর। সেই সঙ্গে সর্বসাধারণের জন্য উম্মুক্ত হচ্ছে অভিবাসন, পর্যটন, স্বাস্থ্য ও পরিবহন ব্যবস্থা।

বুধবার দুপুরে জোহানসবার্গের মিড়রেন্ডে যোগাযোগ, স্বরাষ্ট্র ও আর্ন্তজাতিক সম্পর্ক মন্ত্রণালয়ের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা।

এ সময় মন্ত্রীরা বলেন, করোনা মহামারী ঠেকাতে ১৫ মার্চ রাষ্ট্রপতি সিরিল রামাপোসা জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা করে এবং ২৬ মার্চ দেশটিতে পঞ্চম স্তরের লকডাউন নীতিমালা ঘোষণা দিয়েছিলেন। বর্তমানে করোনা মহামারী হ্রাস পাওয়ায় অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সরকার ১ অক্টোবর থেকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত খুলে দিচ্ছে।

এই সময় আর্ন্তজাতিক সম্পর্ক বিষয়ক মন্ত্রী নেলাড়ি পানডোর বলেছেন, আর্ন্তজাতিক ভ্রমণকারীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে দক্ষিণ আফ্রিকায় ভ্রমণে আসতে পারবেন। সব ধরনের মিড়িয়াম ও লো রিস্কের দেশ থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা ভ্রমণ করার সময় পিসিআর পরীক্ষার রিপোর্ট ও কোভিড-১৯ পরীক্ষার রিপোর্ট সঙ্গে থাকতে হবে। কোনো ভ্রমণকারী এয়ারপোর্টে আসার পর পরীক্ষা করে করোনার উপসর্গ পাওয়া গেলে থাকে নিজ খরচে ১০ দিনের কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে।

ভারত, ইউরোপের বেশকিছু দেশ, ইংল্যান্ড, আমেরিকা, রাশিয়া, ব্রাজিল নেপাল, ওমান, নেদারল্যান্ডস কুয়েতসহ সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ হওয়া দেশগুলো থেকে সাধারণ কোনো যাত্রী দক্ষিণ আফ্রিকায আসতে পারবে না।

যে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ভ্রমণের জন্য উম্মুক্ত করা হবে সেগুলো হলো ওআর ট্যাম্বো ইন্টারন্যাশনাল (জোহানেসবার্গে) কেপটাউন ইন্টারন্যাশনাল (কেপটাউনে) কিং শাকা ইন্টারন্যাশনালের (ডারবান)।

অপরদিকে যোগাযোগমন্ত্রী ফিকিলে মাবাবুলা জানিয়েছেন, দেশের ৩৫টি স্থল সীমানার মধ্যে শুধুমাত্র আফ্রিকা মহাদেশের নির্দিষ্ট কয়টি দেশের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ১৮টি সীমানা খোলা হবে।
 

 
আরও খবর