শাহিনবাগের আন্দোলন নিয়ে যা বলল ভারতের সুপ্রিমকোর্ট
jugantor
শাহিনবাগের আন্দোলন নিয়ে যা বলল ভারতের সুপ্রিমকোর্ট

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৭ অক্টোবর ২০২০, ১৯:১৪:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

শাহিনবাগের আন্দোলন নিয়ে যা বলল ভারতের সুপ্রিমকোর্ট

দীর্ঘদিন ধরে পাবলিক প্লেস আটকে প্রতিবাদ নয়। প্রতিবাদ-বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত স্থানেই তা চালাতে হবে। দিল্লির শাহিনবাগ বিক্ষোভ সম্পর্কিত এক মামলায় বুধবার এ রায় দিলেন ভারতের সুপ্রিমকোর্ট।

আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, রাস্তা আটকে রাখা ব্লকেড সরানোর দায়িত্ব প্রশাসনেরই। তারা তা করছে না বলেই সুপ্রিমকোর্টকে এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে হল। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

বিচারপতি এসকে কৌল, কৃষ্ণ মুরারি, ঋষিকেশ রায়ের বেঞ্চ জানায়, ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য পাবলিক প্লেস দখল করা যাবে না। বিরোধ এবং গণতন্ত্র হাত ধরাধরি করে চলে, কিন্তু প্রতিবাদ নির্ধারিত স্থানেই করতে হবে। প্রতিবাদের জন্য পাবলিক প্লেস দখল মানা যায় না।’

গত ফেব্রুয়ারিতে আইনজীবী অমিত সাহানি শাহিনবাগের রাস্তা অবরোধ তোলার দাবি জানিয়ে পিটিশন দাখিল করেছিলেন। সেই পিটিশনের শুনানিতেই এদিন এ রায় দিলেন সুপ্রিমকোর্ট।

২১ সেপ্টেম্বর মামলার শুনানি ছিল। সেদিন সুপ্রিমকোর্ট জানিয়েছিল, নাগরিকদের প্রতিবাদের অধিকার এবং রাস্তা ব্যবহারের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য থাকা দরকার।

সরকারি আইনজীবী তুষার মেহতা জানিয়েছিলেন, প্রতিবাদ করা নাগরিকদের প্রাথমিক অধিকার। কিন্তু তাতেও যুক্তিগত নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত।

১২ ডিসেম্বর পাস হয় সংশোধিত নাগরিকত্ব বিল। আইনে পরিণত হয় বিলটি। দেশজুড়ে প্রতিবাদ আরও জোরালো হয়। ১৫ ডিসেম্বর দিল্লির শাহিনবাগে শুরু হয় অবস্থান বিক্ষোভ।

সামনের সারিতে ছিলেন নারীরাই। ১০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলে বিক্ষোভ। করোনা বিধির কারণে ২৩ মার্চ সেই অবস্থান তুলে দেয়া হয়।

তার আগে জানুয়ারিতে এই বিক্ষোভস্থল থেকে ৫০ মিটার দূরে এক যুবক শূন্যে গুলি ছোড়ে। প্রতিবাদীদের লক্ষ্য করে পেট্রোলবোমা ছোড়া হয়। তবু থামেনি প্রতিবাদ।

জানুয়ারিতেই প্রতিবাদীদের সঙ্গে কথা বলার জন্য মধ্যস্থতাকারীদের নিয়োগ করেন সুপ্রিমকোর্ট।

শাহিনবাগের আন্দোলন নিয়ে যা বলল ভারতের সুপ্রিমকোর্ট

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৭ অক্টোবর ২০২০, ০৭:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শাহিনবাগের আন্দোলন নিয়ে যা বলল ভারতের সুপ্রিমকোর্ট
ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস

দীর্ঘদিন ধরে পাবলিক প্লেস আটকে প্রতিবাদ নয়। প্রতিবাদ-বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত স্থানেই তা চালাতে হবে। দিল্লির শাহিনবাগ বিক্ষোভ সম্পর্কিত এক মামলায় বুধবার এ রায় দিলেন ভারতের সুপ্রিমকোর্ট।

আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, রাস্তা আটকে রাখা ব্লকেড সরানোর দায়িত্ব প্রশাসনেরই। তারা তা করছে না বলেই সুপ্রিমকোর্টকে এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে হল। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের। 

বিচারপতি এসকে কৌল, কৃষ্ণ মুরারি, ঋষিকেশ রায়ের বেঞ্চ জানায়, ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য পাবলিক প্লেস দখল করা যাবে না। বিরোধ এবং গণতন্ত্র হাত ধরাধরি করে চলে, কিন্তু প্রতিবাদ নির্ধারিত স্থানেই করতে হবে। প্রতিবাদের জন্য পাবলিক প্লেস দখল মানা যায় না।’

গত ফেব্রুয়ারিতে আইনজীবী অমিত সাহানি শাহিনবাগের রাস্তা অবরোধ তোলার দাবি জানিয়ে পিটিশন দাখিল করেছিলেন। সেই পিটিশনের শুনানিতেই এদিন এ রায় দিলেন সুপ্রিমকোর্ট। 

২১ সেপ্টেম্বর মামলার শুনানি ছিল। সেদিন সুপ্রিমকোর্ট জানিয়েছিল, নাগরিকদের প্রতিবাদের অধিকার এবং রাস্তা ব্যবহারের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য থাকা দরকার। 

সরকারি আইনজীবী তুষার মেহতা জানিয়েছিলেন, প্রতিবাদ করা নাগরিকদের প্রাথমিক অধিকার। কিন্তু তাতেও যুক্তিগত নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত।

১২ ডিসেম্বর পাস হয় সংশোধিত নাগরিকত্ব বিল। আইনে পরিণত হয় বিলটি। দেশজুড়ে প্রতিবাদ আরও জোরালো হয়। ১৫ ডিসেম্বর দিল্লির শাহিনবাগে শুরু হয় অবস্থান বিক্ষোভ। 

সামনের সারিতে ছিলেন নারীরাই। ১০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলে বিক্ষোভ। করোনা বিধির কারণে ২৩ মার্চ সেই অবস্থান তুলে দেয়া হয়।

তার আগে জানুয়ারিতে এই বিক্ষোভস্থল থেকে ৫০ মিটার দূরে এক যুবক শূন্যে গুলি ছোড়ে। প্রতিবাদীদের লক্ষ্য করে পেট্রোলবোমা ছোড়া হয়। তবু থামেনি প্রতিবাদ। 

জানুয়ারিতেই প্রতিবাদীদের সঙ্গে কথা বলার জন্য মধ্যস্থতাকারীদের নিয়োগ করেন সুপ্রিমকোর্ট। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল বিতর্ক