শান্তিতে নোবেল পেল বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি
jugantor
শান্তিতে নোবেল পেল বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি

  অনলাইন ডেস্ক  

০৯ অক্টোবর ২০২০, ১৫:০৭:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

এ বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি। শুক্রবার নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি এমন তথ্য দিয়েছে। খবর সিএনএনের  বিস্তারিত আসছে...

ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়ার লড়াইয়ে ভূমিকা রাখায় এ বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)।

শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে নরওয়ের নোবেল কমিটি এমন ঘোষণা দিয়েছে। খবর সিএনএনের

ক্ষুধার বিরুদ্ধে লড়াই চেষ্টা, যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলগুলোতে শান্তি পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে সহায়তা ও যুদ্ধ-সংঘাত কবলিত এলাকায় ক্ষুধাকে যাতে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত না হয়, তা প্রতিরোধে মূল ভূমিকা রাখায় ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত সংস্থাটিকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে।

জাতিসংঘের সহায়তা সংক্রান্ত একটি শাখা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি। এটি ক্ষুধা ও খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংস্থা।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির নিজস্ব তথ্যমতে, সংস্থাটি প্রতি বছর ৭৫টি দেশে ৯ কোটি লোককে খাদ্য সহায়তা দান করে।

রোমভিত্তিক সংস্থাটির সারা বিশ্বে ৮০টিরও বেশি শাখা আছে। এগুলোর মাধ্যমে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এমন সব মানুষকে সাহায্য করে, যারা নিজেদের জন্য এবং পরিবারের জন্য যথেষ্ট পরিমাণ খাবার উৎপাদন কিংবা আহরণ করতে অক্ষম।

সংস্থাটি জাতিসংঘ উন্নয়ন গ্রুপের নির্বাহী কমিটির সদস্য। ডব্লিউএফপিকে চলতি বছরে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন সরকারকে এই বার্তা দেয়া হয়েছে, যাতে আন্তজাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলোর তহবিল কাটছাঁট না করা হয়।

নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির প্রধান বেরিট রেইস-আন্ডারসন বলেন, এবারের এই পুরস্কার ঘোষণা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির তহবিল না কমাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান। লোকজন যাতে খাদ্যাভাবে না থাকেন, তা নিশ্চিত করতে বিশ্বের সব দেশের এক ধরনের বাধ্যবাধকতা আছে।

সাম্প্রতিক কয়েক বছরে সংস্থাটির তহবিল কমে গেছে। বৈশ্বিক সংস্থাগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ তহবিল কমিয়ে দেয়ায় এমনটি ঘটছে।

আন্ডারসন বলেন, অস্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভালো টিকা হচ্ছে খাদ্য। এসময়ে বিশ্বের খাদ্য সরবরাহের ওপর করোনা মহামারীর অভিঘাতের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

বললেন, বিশ্বে ক্ষুধার্তদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ক্ষেত্রে করোনার অবদান রয়েছে। মহামারীর মুখোমুখি হয়েও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি নিজের বিভিন্ন উদ্যোগ আরও জোরালো করতে চমৎকার সক্ষমতা দেখিয়েছে।

শান্তিতে নোবেল পেল বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি

 অনলাইন ডেস্ক 
০৯ অক্টোবর ২০২০, ০৩:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
এ বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি। শুক্রবার নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি এমন তথ্য দিয়েছে। খবর সিএনএনের  বিস্তারিত আসছে...
ছবি: এএফপি

ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়ার লড়াইয়ে ভূমিকা রাখায় এ বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। 

শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে নরওয়ের নোবেল কমিটি এমন ঘোষণা দিয়েছে। খবর সিএনএনের

ক্ষুধার বিরুদ্ধে লড়াই চেষ্টা, যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলগুলোতে শান্তি পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে সহায়তা ও যুদ্ধ-সংঘাত কবলিত এলাকায় ক্ষুধাকে যাতে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত না হয়, তা প্রতিরোধে মূল ভূমিকা রাখায় ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত সংস্থাটিকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে।

জাতিসংঘের সহায়তা সংক্রান্ত একটি শাখা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি। এটি ক্ষুধা ও খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংস্থা।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির নিজস্ব তথ্যমতে, সংস্থাটি প্রতি বছর ৭৫টি দেশে ৯ কোটি লোককে খাদ্য সহায়তা দান করে।

রোমভিত্তিক সংস্থাটির সারা বিশ্বে ৮০টিরও বেশি শাখা আছে। এগুলোর মাধ্যমে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এমন সব মানুষকে সাহায্য করে, যারা নিজেদের জন্য এবং পরিবারের জন্য যথেষ্ট পরিমাণ খাবার উৎপাদন কিংবা আহরণ করতে অক্ষম।

সংস্থাটি জাতিসংঘ উন্নয়ন গ্রুপের নির্বাহী কমিটির সদস্য। ডব্লিউএফপিকে চলতি বছরে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন সরকারকে এই বার্তা দেয়া হয়েছে, যাতে আন্তজাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলোর তহবিল কাটছাঁট না করা হয়।

নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির প্রধান বেরিট রেইস-আন্ডারসন বলেন, এবারের এই পুরস্কার ঘোষণা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির তহবিল না কমাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান। লোকজন যাতে খাদ্যাভাবে না থাকেন, তা নিশ্চিত করতে বিশ্বের সব দেশের এক ধরনের বাধ্যবাধকতা আছে।

সাম্প্রতিক কয়েক বছরে সংস্থাটির তহবিল কমে গেছে। বৈশ্বিক সংস্থাগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ তহবিল কমিয়ে দেয়ায় এমনটি ঘটছে।

আন্ডারসন বলেন, অস্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভালো টিকা হচ্ছে খাদ্য। এসময়ে বিশ্বের খাদ্য সরবরাহের ওপর করোনা মহামারীর অভিঘাতের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

বললেন, বিশ্বে ক্ষুধার্তদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ক্ষেত্রে করোনার অবদান রয়েছে। মহামারীর মুখোমুখি হয়েও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি নিজের বিভিন্ন উদ্যোগ আরও জোরালো করতে চমৎকার সক্ষমতা দেখিয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন