ইরানের বিরুদ্ধে নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, কী বলছেন রুহানি?
jugantor
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, কী বলছেন রুহানি?

  অনলাইন ডেস্ক  

১০ অক্টোবর ২০২০, ০০:৪১:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মার্কিন প্রশাসন। বৃহস্পতিবার ইরানের ব্যাংকগুলোর ওপর এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। শুক্রবার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যমে ইরানি প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, ইরানের ব্যাংকগুলোর ওপর নতুন করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, ওষুধ ও জরুরি খাদ্য আমদানিতে বাধা দেয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে। খবর-ইয়েনি শাফাকের।

বৃহস্পতিবার মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্টিভেন মানুচিন ইরানের বিরুদ্ধে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন। তার দাবি, অবৈধ পন্থায় ইরান যাতে ডলার সংগ্রহ করতে না পারে সেজন্যই এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে। যতক্ষণ পর্যন্ত ইরান পরমাণু কর্মসূচি থেকে সরে না আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত এসব নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি।

প্রচার মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট রুহানিকে উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ওষুধ ও খাদ্য সরবরাহের জন্য তহবিল স্থানান্তরের বাধা দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা সন্ত্রাসবাদী ও অমানবিক।

তেহরানের সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, নতুন করে ইরানের ১৮টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর মার্কিন সরকার ইরান যাতে কোনো ধরনের পণ্যই আমদানি করতে না সে জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ব্যাংকের ওপর আগেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। কিন্তু এবার দ্বিতীয় ধাপের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার মাধ্যমে ইরানের ব্যাংকগুলো ছোট ছোট যেসব সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ভিন্ন পথে জরুরি পণ্য আমদানি করতো সেই পথও তারা আটকে দিলো।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইরানের ১৮টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে আন্তর্জাতিক অর্থ ব্যবস্থার সঙ্গে ইরানের ব্যাংকগুলোর সরাসরি যোগাযোগের সব পথ বন্ধ হয়ে যাবে। এতে ইরানের জনগণ আরও বেশি ভোগান্তির মুখে পড়বে।

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, কী বলছেন রুহানি?

 অনলাইন ডেস্ক 
১০ অক্টোবর ২০২০, ১২:৪১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি
ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। ফাইল ছবি

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মার্কিন প্রশাসন। বৃহস্পতিবার ইরানের ব্যাংকগুলোর ওপর এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। শুক্রবার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যমে ইরানি প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, ইরানের ব্যাংকগুলোর ওপর নতুন করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, ওষুধ ও জরুরি খাদ্য আমদানিতে বাধা দেয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে। খবর-ইয়েনি শাফাকের।  

বৃহস্পতিবার মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্টিভেন মানুচিন ইরানের বিরুদ্ধে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন। তার দাবি, অবৈধ পন্থায় ইরান যাতে ডলার সংগ্রহ করতে না পারে সেজন্যই এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে। যতক্ষণ পর্যন্ত ইরান পরমাণু কর্মসূচি থেকে সরে না আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত এসব নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি। 

প্রচার মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট রুহানিকে উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ওষুধ ও খাদ্য সরবরাহের জন্য তহবিল স্থানান্তরের বাধা দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা সন্ত্রাসবাদী ও অমানবিক। 

তেহরানের সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, নতুন করে ইরানের ১৮টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। 

পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর মার্কিন সরকার ইরান যাতে কোনো ধরনের পণ্যই আমদানি করতে না সে জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ব্যাংকের ওপর আগেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। কিন্তু এবার দ্বিতীয় ধাপের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার মাধ্যমে ইরানের ব্যাংকগুলো ছোট ছোট যেসব সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ভিন্ন পথে জরুরি পণ্য আমদানি করতো সেই পথও তারা আটকে দিলো। 

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইরানের ১৮টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে আন্তর্জাতিক অর্থ ব্যবস্থার সঙ্গে ইরানের ব্যাংকগুলোর সরাসরি যোগাযোগের সব পথ বন্ধ হয়ে যাবে। এতে ইরানের জনগণ আরও বেশি ভোগান্তির মুখে পড়বে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : মার্কিন-ইরান সংকট