রাখাইনে শিশু হত্যায় উদ্বিগ্ন জাতিসংঘ
jugantor
রাখাইনে শিশু হত্যায় উদ্বিগ্ন জাতিসংঘ

  অনলাইন ডেস্ক  

১৬ অক্টোবর ২০২০, ০১:৩৮:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

মিয়ানমারে শিশু হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।

চলতি মাসের শুরুর দিকে উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে দুই শিশু নিহতের ঘটনায় এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো ‘দুঃখ ও শোক’ প্রকাশ করে।

সেইসাথে শিশু নিহতের ঘটনার পূর্ণ, স্বচ্ছ এবং দ্রুত তদন্তের জন্য আহ্বান জানিয়েছে তারা।

জাতিসংঘের সংস্থাগুলো গত বুধবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বুধিডাং জনপদে ৫ অক্টোবর ঘটনাটি ঘটেছে- যেটা ২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে সেনাদের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনের হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত।

শিশুরা প্রায় ১৫ জন স্থানীয় কৃষকের একটি দলের অংশ ছিল, যাদের সবাইকে সামরিক শিবিরের দিকে শত্রুদের সম্ভাব্য আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য তাতমাডা ইউনিটের সামনে হাঁটতে বাধ্য করা হয়েছিল। পথে তাতমাডা ও আরাকান সেনাবাহিনীর মধ্যে লড়াই শুরু হয়, পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের লাশ পাওয়া যায়।

জাতিসংঘের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় আমরা দুঃখিত ও শোকাহত এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। শিশুদের ব্যবহার ও হত্যায় যারাই জড়িত থাকুক না কেন, তাকে জবাবদিহি করতে হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই গুরুতর ঘটনাটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে শিশুরা যখনই কোনো কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনী এবং গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাদের সংগঠনের সময়কাল নির্বিশেষে তাদের হত্যা বা আহত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রাখা হয়।

রাখাইনে শিশু হত্যায় উদ্বিগ্ন জাতিসংঘ

 অনলাইন ডেস্ক 
১৬ অক্টোবর ২০২০, ০১:৩৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মিয়ানমারে শিশু হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।

চলতি মাসের শুরুর দিকে উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে দুই শিশু নিহতের ঘটনায় এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো ‘দুঃখ ও শোক’ প্রকাশ করে।

সেইসাথে শিশু নিহতের ঘটনার পূর্ণ, স্বচ্ছ এবং দ্রুত তদন্তের জন্য আহ্বান জানিয়েছে তারা।

জাতিসংঘের সংস্থাগুলো গত বুধবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বুধিডাং জনপদে ৫ অক্টোবর ঘটনাটি ঘটেছে- যেটা ২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে সেনাদের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনের হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত।

শিশুরা প্রায় ১৫ জন স্থানীয় কৃষকের একটি দলের অংশ ছিল, যাদের সবাইকে সামরিক শিবিরের দিকে শত্রুদের সম্ভাব্য আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য তাতমাডা ইউনিটের সামনে হাঁটতে বাধ্য করা হয়েছিল। পথে তাতমাডা ও আরাকান সেনাবাহিনীর মধ্যে লড়াই শুরু হয়, পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের লাশ পাওয়া যায়।

জাতিসংঘের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় আমরা দুঃখিত ও শোকাহত এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। শিশুদের ব্যবহার ও হত্যায় যারাই জড়িত থাকুক না কেন, তাকে জবাবদিহি করতে হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই গুরুতর ঘটনাটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে শিশুরা যখনই কোনো কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনী এবং গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাদের সংগঠনের সময়কাল নির্বিশেষে তাদের হত্যা বা আহত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রাখা হয়।

 

ঘটনাপ্রবাহ : রোহিঙ্গা বর্বরতা