কারাবাখ যুদ্ধ বন্ধে যৌথ প্রচেষ্টার আহ্বান পুতিন-এরদোগানের
jugantor
কারাবাখ যুদ্ধ বন্ধে যৌথ প্রচেষ্টার আহ্বান পুতিন-এরদোগানের

  অনলাইন ডেস্ক  

১৬ অক্টোবর ২০২০, ১০:৩৬:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

কারাবাখ যুদ্ধ বন্ধে যৌথ প্রচেষ্টার আহ্বান পুতিন-এরদোগানের

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বুধবার আজারবাইজানে বিতর্কিত নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলে চলা প্রচণ্ড যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

ক্রেমলিনের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি এমন খবর দিয়েছে।

এক বিবৃতিতে ক্রেমলিন বলছে, এ দুই নেতা যতদ্রুত সম্ভব রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বন্ধে এবং নাগোরনো-কারাবাখ সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের পদক্ষেপ গ্রহণে জরুরি ভিত্তিতে যৌথ প্রচেষ্টা চালানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

গত মাসের শেষের দিকে এ যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর এই প্রথম তারা এমন আহ্বান জানালেন।

বিতর্কিত অঞ্চল নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মধ্যে নতুন করে ছড়িয়ে পড়া সংঘর্ষে কয়েকশ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে বলে দাবি করা হয়। এদের মধ্যে অনেক বেসামরিক নাগরিকও রয়েছে।

এই সাবেক সোভিয়েত দেশ দুটি কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধে লিপ্ত রয়েছে।

১৯৯০-এর দশকের যুদ্ধের পর কারাবাখ আজারবাইজানের হাতছাড়া হয়ে যায়। ওই যুদ্ধে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ প্রাণ হারান।

কারাবাখ যুদ্ধ বন্ধে যৌথ প্রচেষ্টার আহ্বান পুতিন-এরদোগানের

 অনলাইন ডেস্ক 
১৬ অক্টোবর ২০২০, ১০:৩৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কারাবাখ যুদ্ধ বন্ধে যৌথ প্রচেষ্টার আহ্বান পুতিন-এরদোগানের
ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বুধবার আজারবাইজানে বিতর্কিত নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলে চলা প্রচণ্ড যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

ক্রেমলিনের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি এমন খবর দিয়েছে।

এক বিবৃতিতে ক্রেমলিন বলছে, এ দুই নেতা যতদ্রুত সম্ভব রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বন্ধে এবং নাগোরনো-কারাবাখ সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের পদক্ষেপ গ্রহণে জরুরি ভিত্তিতে যৌথ প্রচেষ্টা চালানোর ওপর গুরুত্ব দেন। 

গত মাসের শেষের দিকে এ যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর এই প্রথম তারা এমন আহ্বান জানালেন।

বিতর্কিত অঞ্চল নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মধ্যে নতুন করে ছড়িয়ে পড়া সংঘর্ষে কয়েকশ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে বলে দাবি করা হয়। এদের মধ্যে অনেক বেসামরিক নাগরিকও রয়েছে।

এই সাবেক সোভিয়েত দেশ দুটি কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধে লিপ্ত রয়েছে। 

১৯৯০-এর দশকের যুদ্ধের পর কারাবাখ আজারবাইজানের হাতছাড়া হয়ে যায়। ওই যুদ্ধে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ প্রাণ হারান।