পরমাণু কেন্দ্রের পানি সাগরে ফেলবে জাপান: প্রতিবেদন
jugantor
পরমাণু কেন্দ্রের পানি সাগরে ফেলবে জাপান: প্রতিবেদন

  অনলাইন ডেস্ক  

১৬ অক্টোবর ২০২০, ১৪:৫৫:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

পরমাণু কেন্দ্রের পানি সাগরে ফেলবে জাপান: প্রতিবেদন

জাপানের ক্ষতিগ্রস্ত পরমাণু কেন্দ্রে ব্যবহৃত ১০ লাখ টনের বেশি পানি সাগরে ফেলে দেয়া হবে। স্থানীয় মাছ শিকারিদের কঠোর বিরোধিতা করা সত্ত্বেও দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্যবহার করা এসব পানি তারা ফেলে দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। খবর এএফপির।

জাপানের জাতীয় দৈনিক নিক্কাই, ইয়োমিউরি এবং অন্য স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ২০২২ সালের একেবারে শুরুর দিকে এসব পানি ফেলে দেয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এতে পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা করছেন দেশটির পরিবেশবাদীরা। তবে এ পানির তেজস্ক্রিয়তা হ্রাসে পরিশোধিত করা হয়েছে।

২০১১ সালে ভয়াবহ সুনামিতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এ পরমাণু কেন্দ্র শীতল করতে ব্যবহৃত পানি কীভাবে অপসারণ করা হবে সে বিষয়ে কয়েক বছরের বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এ বছরের গোড়ার দিকে সরকারি প্যানেল জানায়, পরমাণু কেন্দ্রে ব্যবহৃত এসব পানি সাগরে ফেলা বা বাষ্পীভূত করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে উভয়টি ‘বাস্তবানুগ পদক্ষেপ।’

নিক্কাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মাস পর্যন্ত এ পরমাণু কেন্দ্রে ১২ লাখ ৩০ হাজার টন পানি ব্যবহার করা হয়েছে এবং এসব পানি সেখানে জমা রয়েছে।

এদিকে পরিবেশবাদীরা এমন সিদ্ধান্তের কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং এটি করা হলে ভোক্তারা এ অঞ্চলের সামুদ্রিক খাদ্য ও উৎপাদিত পণ্য পরিহার করবে এমন আশঙ্কায় মাছ শিকারি ও কৃষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

দক্ষিণ কোরিয়াও পরিবেশগত প্রভাবের ব্যাপারে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা ওই অঞ্চল থেকে সামুদ্রিক খাদ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করেছে।

পরমাণু কেন্দ্রের পানি সাগরে ফেলবে জাপান: প্রতিবেদন

 অনলাইন ডেস্ক 
১৬ অক্টোবর ২০২০, ০২:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পরমাণু কেন্দ্রের পানি সাগরে ফেলবে জাপান: প্রতিবেদন
ছবি: সংগৃহীত

জাপানের ক্ষতিগ্রস্ত পরমাণু কেন্দ্রে ব্যবহৃত ১০ লাখ টনের বেশি পানি সাগরে ফেলে দেয়া হবে। স্থানীয় মাছ শিকারিদের কঠোর বিরোধিতা করা সত্ত্বেও দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্যবহার করা এসব পানি তারা ফেলে দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। খবর এএফপির।

জাপানের জাতীয় দৈনিক নিক্কাই, ইয়োমিউরি এবং অন্য স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ২০২২ সালের একেবারে শুরুর দিকে এসব পানি ফেলে দেয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

এতে পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা  করছেন দেশটির পরিবেশবাদীরা। তবে এ পানির তেজস্ক্রিয়তা হ্রাসে পরিশোধিত করা হয়েছে।

২০১১ সালে ভয়াবহ সুনামিতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এ পরমাণু কেন্দ্র শীতল করতে ব্যবহৃত পানি কীভাবে অপসারণ করা হবে সে বিষয়ে কয়েক বছরের বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এ বছরের গোড়ার দিকে সরকারি প্যানেল জানায়, পরমাণু কেন্দ্রে ব্যবহৃত এসব পানি সাগরে ফেলা বা বাষ্পীভূত করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে উভয়টি ‘বাস্তবানুগ পদক্ষেপ।’

নিক্কাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মাস পর্যন্ত এ পরমাণু কেন্দ্রে ১২ লাখ ৩০ হাজার টন পানি ব্যবহার করা হয়েছে এবং এসব পানি সেখানে জমা রয়েছে।

এদিকে পরিবেশবাদীরা এমন সিদ্ধান্তের কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং এটি করা হলে ভোক্তারা এ অঞ্চলের সামুদ্রিক খাদ্য ও উৎপাদিত পণ্য পরিহার করবে এমন আশঙ্কায় মাছ শিকারি ও কৃষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

দক্ষিণ কোরিয়াও পরিবেশগত প্রভাবের ব্যাপারে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা ওই অঞ্চল থেকে সামুদ্রিক খাদ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করেছে।