দখলমুক্ত করে মাদাগিজ শহরের নতুন নাম দিল আজারবাইজান
jugantor
দখলমুক্ত করে মাদাগিজ শহরের নতুন নাম দিল আজারবাইজান

  অনলাইন ডেস্ক  

১৬ অক্টোবর ২০২০, ১৮:৩৪:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

মাদাগিজ

আর্মেনিয়ার হাত থেকে মাদাগিজ এলাকা দখলমুক্ত করে নতুন নাম দিয়েছে আজারবাইজান। বাকুর প্রধানমন্ত্রী আলি আসাদোভ এ সংক্রান্ত একটি আদেশে স্বাক্ষর করেছেন।

শুক্রবার আজেরি সংবাদমাধ্যম আজভিশনে এ খবর জানানো হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শত্রুর হাত থেকে দখল মুক্ত করা ওই এলাকাটির নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত আদেশে স্বাক্ষর করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী। মাদাগিজের নতুন নাম সুগোভুশান গ্রাম। এটি আজারবাইজানের টার্টার জেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর থেকে বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান নতুন করে যুদ্ধে জড়ায়।পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ম্যারথন আলোচনা হয়।

এতে উভয় পক্ষ মানবিক কারণে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এ যুদ্ধবিরতিতে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবন্দিসহ অন্যান্য বন্দি বিনিময় ও মৃতদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে উভয় দেশ সম্মত হয়।

১১ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতির কয়েক মিনিটের মধ্যেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান পরস্পরকে সাময়িক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘেনের জন্য অভিযুক্ত করে।

কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। তবে ওই অঞ্চলটি জাতিগত আর্মেনীয়রা ১৯৯০’র দশক থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে। ওই দশকেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে যুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।

দখলমুক্ত করে মাদাগিজ শহরের নতুন নাম দিল আজারবাইজান

 অনলাইন ডেস্ক 
১৬ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মাদাগিজ
বিরোধীয় কৌশলগত এলাকা। ফাইল ছবি

আর্মেনিয়ার হাত থেকে মাদাগিজ এলাকা দখলমুক্ত করে নতুন নাম দিয়েছে আজারবাইজান।  বাকুর প্রধানমন্ত্রী আলি আসাদোভ এ সংক্রান্ত একটি আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। 

শুক্রবার আজেরি সংবাদমাধ্যম আজভিশনে এ খবর জানানো হয়।  প্রতিবেদন অনুযায়ী, শত্রুর হাত থেকে দখল মুক্ত করা ওই এলাকাটির নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত আদেশে স্বাক্ষর করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী।  মাদাগিজের নতুন নাম সুগোভুশান গ্রাম।  এটি আজারবাইজানের টার্টার জেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। 

২৭ সেপ্টেম্বর থেকে বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান নতুন করে যুদ্ধে জড়ায়।পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ম্যারথন আলোচনা হয়।

এতে উভয় পক্ষ মানবিক কারণে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এ যুদ্ধবিরতিতে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবন্দিসহ অন্যান্য বন্দি বিনিময় ও মৃতদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে উভয় দেশ সম্মত হয়।

১১ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতির কয়েক মিনিটের মধ্যেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান পরস্পরকে সাময়িক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘেনের জন্য অভিযুক্ত করে।

কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। তবে ওই অঞ্চলটি জাতিগত আর্মেনীয়রা ১৯৯০’র দশক থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে। ওই দশকেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে যুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।

 

ঘটনাপ্রবাহ : আর্মেনিয়া-আজারবাইজান সংঘাত