আর্মেনিয়ার হামলার মুখে নীরব থাকবে না তুরস্ক
jugantor
আর্মেনিয়ার হামলার মুখে নীরব থাকবে না তুরস্ক

  অনলাইন ডেস্ক  

১৮ অক্টোবর ২০২০, ১৭:১৩:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

আর্মেনিয়া

আর্মেনিয়ার হামলার মুখে তুরস্ক নীরব থাকবে না বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক টুইটে জানিয়েছে, আজারবাইজানে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর আর্মেনিয়ার হামলার মুখে নীরব থাকবে না তুরস্ক।

গানজায় হামলায় নিহত এক শিশুর ছবি টুইটারে সংযুক্ত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় লিখেছে, আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনীর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ঘুমন্ত এক ছোট শিশু নিহত হয়েছে।

‘আমাদের ভাষা, ধর্ম এবং দেশ ভিন্ন হতে পারে কিন্তু এই ছবি আমাদের হৃদয় পোড়ানোর জন্য যথেষ্ট। ‘

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ১৯৯২ সালের খোজালি এলাকার আরও দুটি নিহত শিশুর ছবি পোস্ট করে মন্তব্য লেখে, সম্ভবত আপনি প্রথমবারের মতো এমন ছবি দেখে থাকতে পারেন, তবে ৩০ বছর ধরে আজারবাইজানিরা এমন ছবি দেখে বসবাস করছে।

আঙ্কার বলছে, ৩০ বছর ধরে আর্মেনিয়া খোজালিতে শিশুদের হত্যা করে আসছে।

‘যদি মানুষরা যারা এসব দৃশ্য দেশে চুপ থাকতে পারে কিন্তু আমরা চুপ থাকবা না।’

২৭ সেপ্টেম্বর থেকে বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান নতুন করে যুদ্ধে জড়ায়। পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ম্যারথন আলোচনা হয়।

এতে উভয় পক্ষ মানবিক কারণে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এ যুদ্ধবিরতিতে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবন্দিসহ অন্যান্য বন্দি বিনিময় ও মৃতদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে উভয় দেশ সম্মত হয়।

১১ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতির কয়েক মিনিটের মধ্যেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান পরস্পরকে সাময়িক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘেনের জন্য অভিযুক্ত করে।

দ্বিতীয়বারের মতো শনিবার রাত থেকে যুদ্ধবিরতির পরপরই গানজাতে আর্মেনিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৩ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে চারজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে। এ ছাড়া হামলায় আহত হয়েছেন ৫০ জন।

কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। তবে ওই অঞ্চলটি জাতিগত আর্মেনীয়রা ১৯৯০’র দশক থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে। ওই দশকেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে যুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।

ইয়েনি শাফাক

আর্মেনিয়ার হামলার মুখে নীরব থাকবে না তুরস্ক

 অনলাইন ডেস্ক 
১৮ অক্টোবর ২০২০, ০৫:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আর্মেনিয়া
ফাইল ছবি

আর্মেনিয়ার হামলার মুখে তুরস্ক নীরব থাকবে না বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক টুইটে জানিয়েছে, আজারবাইজানে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর আর্মেনিয়ার হামলার মুখে নীরব থাকবে না তুরস্ক।  

গানজায় হামলায় নিহত এক শিশুর ছবি টুইটারে সংযুক্ত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় লিখেছে, আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনীর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ঘুমন্ত এক ছোট শিশু নিহত হয়েছে। 

‘আমাদের ভাষা, ধর্ম এবং দেশ ভিন্ন হতে পারে কিন্তু এই ছবি আমাদের হৃদয় পোড়ানোর জন্য যথেষ্ট। ‘ 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ১৯৯২ সালের খোজালি এলাকার আরও দুটি নিহত শিশুর ছবি পোস্ট করে মন্তব্য লেখে, সম্ভবত আপনি প্রথমবারের মতো এমন ছবি দেখে থাকতে পারেন, তবে ৩০ বছর ধরে আজারবাইজানিরা এমন ছবি দেখে বসবাস করছে। 

আঙ্কার বলছে, ৩০ বছর ধরে আর্মেনিয়া খোজালিতে শিশুদের হত্যা করে আসছে।  

‘যদি মানুষরা যারা এসব দৃশ্য দেশে চুপ থাকতে পারে কিন্তু আমরা চুপ থাকবা না।’

২৭ সেপ্টেম্বর থেকে বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান নতুন করে যুদ্ধে জড়ায়। পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ম্যারথন আলোচনা হয়।

এতে উভয় পক্ষ মানবিক কারণে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এ যুদ্ধবিরতিতে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবন্দিসহ অন্যান্য বন্দি বিনিময় ও মৃতদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে উভয় দেশ সম্মত হয়।

১১ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতির কয়েক মিনিটের মধ্যেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান পরস্পরকে সাময়িক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘেনের জন্য অভিযুক্ত করে।

দ্বিতীয়বারের মতো শনিবার রাত থেকে যুদ্ধবিরতির পরপরই গানজাতে আর্মেনিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৩ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন।  এর মধ্যে চারজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে।  এ ছাড়া হামলায় আহত হয়েছেন ৫০ জন। 

কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। তবে ওই অঞ্চলটি জাতিগত আর্মেনীয়রা ১৯৯০’র দশক থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে। ওই দশকেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে যুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।

ইয়েনি শাফাক

 

ঘটনাপ্রবাহ : আর্মেনিয়া-আজারবাইজান সংঘাত