এবার ঐতিহাসিক খুদাফেরিন ব্রিজে পতাকা উড়াল আজারবাইজান
jugantor
এবার ঐতিহাসিক খুদাফেরিন ব্রিজে পতাকা উড়াল আজারবাইজান

  অনলাইন ডেস্ক  

১৮ অক্টোবর ২০২০, ২০:৪৪:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

আজারবাইজান

বিরোধীয় কারাবাখের ঐতিহাসিক খুদাফেরিন ব্রিজ আর্মেনিয়ার হাত থেকে দখলমুক্ত করে পতাকা উড়িয়েছে আজারবাইজান। এ খবর জানিয়েছে আজেরি সংবাদমাধ্যম আজভিশন।

রোববার আজেরি প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এক ঘোষণায় এ কথা জানান। পাশাপাশি তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দখলমুক্ত এলাকাটির একটি ভিডিও শেয়ার করেন।

২৭ সেপ্টেম্বর থেকে বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান নতুন করে যুদ্ধে জড়ায়। পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ম্যারথন আলোচনা হয়।

এতে উভয় পক্ষ মানবিক কারণে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এ যুদ্ধবিরতিতে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবন্দিসহ অন্যান্য বন্দি বিনিময় ও মৃতদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে উভয় দেশ সম্মত হয়।

১১ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতির কয়েক মিনিটের মধ্যেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান পরস্পরকে সাময়িক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘেনের জন্য অভিযুক্ত করে।

দ্বিতীয়বারের মতো শনিবার রাত থেকে যুদ্ধবিরতির পরপরই গানজাতে আর্মেনিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৩ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে চারজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে। এ ছাড়া হামলায় আহত হয়েছেন ৫০ জন।

কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। তবে ওই অঞ্চলটি জাতিগত আর্মেনীয়রা ১৯৯০’র দশক থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে। ওই দশকেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে যুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।

এবার ঐতিহাসিক খুদাফেরিন ব্রিজে পতাকা উড়াল আজারবাইজান

 অনলাইন ডেস্ক 
১৮ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৪৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আজারবাইজান
কারাবাখের খুদাফেরিন ব্রিজ দখলমুক্ত করে আজারবাইজানের সেনাবাহিনী। ছবি: আজভিশন

বিরোধীয় কারাবাখের ঐতিহাসিক খুদাফেরিন ব্রিজ আর্মেনিয়ার হাত থেকে দখলমুক্ত করে পতাকা উড়িয়েছে আজারবাইজান। এ খবর জানিয়েছে আজেরি সংবাদমাধ্যম আজভিশন। 

রোববার আজেরি প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এক ঘোষণায় এ কথা জানান। পাশাপাশি তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দখলমুক্ত এলাকাটির একটি ভিডিও শেয়ার করেন।    

২৭ সেপ্টেম্বর থেকে বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান নতুন করে যুদ্ধে জড়ায়। পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ম্যারথন আলোচনা হয়।

এতে উভয় পক্ষ মানবিক কারণে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এ যুদ্ধবিরতিতে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবন্দিসহ অন্যান্য বন্দি বিনিময় ও মৃতদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে উভয় দেশ সম্মত হয়।

১১ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতির কয়েক মিনিটের মধ্যেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান পরস্পরকে সাময়িক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘেনের জন্য অভিযুক্ত করে।

দ্বিতীয়বারের মতো শনিবার রাত থেকে যুদ্ধবিরতির পরপরই গানজাতে আর্মেনিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৩ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন।  এর মধ্যে চারজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে।  এ ছাড়া হামলায় আহত হয়েছেন ৫০ জন। 

কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। তবে ওই অঞ্চলটি জাতিগত আর্মেনীয়রা ১৯৯০’র দশক থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে। ওই দশকেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে যুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।
 

 

ঘটনাপ্রবাহ : আর্মেনিয়া-আজারবাইজান সংঘাত