আর্মেনিয়া-আজারবাইজানকে জাতিসংঘ প্রধানের বার্তা
jugantor
আর্মেনিয়া-আজারবাইজানকে জাতিসংঘ প্রধানের বার্তা

  অনলাইন ডেস্ক  

১৯ অক্টোবর ২০২০, ১৮:২২:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান

বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে।

এ অঞ্চলে যুদ্ধের ভয়াবহতা বৃদ্ধি পাওয়ায় যুদ্ধবিরতি মানতে দুই দেশকে আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্ত্যেনিও গুতেরেস।

চলমান লড়াইয়ে বেসামরিকদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান গুতেরেস।

শনিবার আজারবাইজানের দ্বিতীয় বৃহত্তম গানজা শহরের আবাসিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শিশুসহ ১৩ জন প্রাণ হারানোর প্রসঙ্গ টেনে গুতেরেস এ নিন্দা জানান।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এসব তথ্য জানিয়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর থেকে বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান নতুন করে যুদ্ধে জড়ায়। পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ম্যারথন আলোচনা হয়।

এতে উভয় পক্ষ মানবিক কারণে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এ যুদ্ধবিরতিতে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবন্দিসহ অন্যান্য বন্দি বিনিময় ও মৃতদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে উভয় দেশ সম্মত হয়।

১১ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতির কয়েক মিনিটের মধ্যেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান পরস্পরকে সাময়িক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘেনের জন্য অভিযুক্ত করে।

দ্বিতীয়বারের মতো শনিবার রাত থেকে যুদ্ধবিরতির পরপরই গানজাতে আর্মেনিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৩ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে চারজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে। এ ছাড়া হামলায় আহত হয়েছেন ৫০ জন।

কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। তবে ওই অঞ্চলটি জাতিগত আর্মেনীয়রা ১৯৯০’র দশক থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে। ওই দশকেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে যুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।

আর্মেনিয়া-আজারবাইজানকে জাতিসংঘ প্রধানের বার্তা

 অনলাইন ডেস্ক 
১৯ অক্টোবর ২০২০, ০৬:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আর্মেনিয়া-আজারবাইজান
ফাইল ছবি

বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে। 

এ অঞ্চলে যুদ্ধের ভয়াবহতা বৃদ্ধি পাওয়ায় যুদ্ধবিরতি মানতে দুই দেশকে আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্ত্যেনিও গুতেরেস। 

চলমান লড়াইয়ে বেসামরিকদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান গুতেরেস। 

শনিবার আজারবাইজানের দ্বিতীয় বৃহত্তম গানজা শহরের আবাসিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শিশুসহ ১৩ জন প্রাণ হারানোর প্রসঙ্গ টেনে গুতেরেস এ নিন্দা জানান। 

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এসব তথ্য জানিয়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর থেকে বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান নতুন করে যুদ্ধে জড়ায়। পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ম্যারথন আলোচনা হয়।

এতে উভয় পক্ষ মানবিক কারণে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এ যুদ্ধবিরতিতে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবন্দিসহ অন্যান্য বন্দি বিনিময় ও মৃতদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে উভয় দেশ সম্মত হয়।

১১ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতির কয়েক মিনিটের মধ্যেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান পরস্পরকে সাময়িক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘেনের জন্য অভিযুক্ত করে।

দ্বিতীয়বারের মতো শনিবার রাত থেকে যুদ্ধবিরতির পরপরই গানজাতে আর্মেনিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৩ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন।  এর মধ্যে চারজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে।  এ ছাড়া হামলায় আহত হয়েছেন ৫০ জন। 

কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। তবে ওই অঞ্চলটি জাতিগত আর্মেনীয়রা ১৯৯০’র দশক থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে। ওই দশকেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে যুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।
 

 

ঘটনাপ্রবাহ : আর্মেনিয়া-আজারবাইজান সংঘাত