নারীর সঙ্গে করমর্দন না করায় মিলল না নাগরিকত্ব
jugantor
নারীর সঙ্গে করমর্দন না করায় মিলল না নাগরিকত্ব

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৯ অক্টোবর ২০২০, ২২:২৮:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

নারীর সঙ্গে করমর্দন না করায় মিলল না নাগরিকত্ব

নারী কর্মকর্তার সঙ্গে করমর্দন না করায় এক মুসলিম চিকিৎসককে নাগরিকত্ব দেয়নি জার্মানি।

ডয়েচে ভেলে জানিয়েছে, লেবাননের ৪০ বছর বয়সী এক মুসলিম চিকিৎসকের সঙ্গে ঘটেছে এ ঘটনা।

এক নির্দেশনায় দেশটির আদালত বলেছেন, ওই চিকিৎসক ধর্মীয় বিধিনিষেধ মেনে নারীদের সঙ্গে হাত মেলাতে অস্বীকৃতি জানান।

বিচারক বলেছেন, হাত মেলানোর একটি অর্থ রয়েছে। এটা কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একে অপরের সঙ্গে হাত মেলানো সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং আইনি জীবনে গভীরভাবে তাৎপর্যপূর্ণ; যা আমাদের একসঙ্গে থাকার পথ তৈরি করে দেয়।

ওই ব্যক্তি জার্মানিতে চিকিৎসাবিদ্যা পড়েছেন এবং একটি ক্লিনিকে কর্মরত আছেন। তবে তার কিছু আচরণের কারণে এখনও নাগরিকত্ব পাননি।

লেবাননের ওই চিকিৎসক শুরুতে দাবি করেন, নিজের স্ত্রীকে কথা দিয়েছেন অন্য কোনো নারীর হাত স্পর্শ করবেন না, তাই নারী কর্মকর্তার সঙ্গে হাত মেলানো তার পক্ষে সম্ভব নয়।

কিন্তু পরে নাগরিকত্বের আবেদন পুনর্বিবেচনার জন্য আপিল করার সময় আদালতে বলেন, আসলে কোনো পুরুষের সঙ্গেও তিনি হাত মেলান না।

কিন্তু আদালত বলেছে, কোনো পুরুষের সঙ্গেও হাত না মেলানোর দাবি আসলে একটা কৌশল।

নারীর সঙ্গে করমর্দন না করায় মিলল না নাগরিকত্ব

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৯ অক্টোবর ২০২০, ১০:২৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নারীর সঙ্গে করমর্দন না করায় মিলল না নাগরিকত্ব
ছবি: ডয়চে ভেলে

নারী কর্মকর্তার সঙ্গে করমর্দন না করায় এক মুসলিম চিকিৎসককে নাগরিকত্ব দেয়নি জার্মানি। 

ডয়েচে ভেলে জানিয়েছে, লেবাননের ৪০ বছর বয়সী এক মুসলিম চিকিৎসকের সঙ্গে ঘটেছে এ ঘটনা। 

এক নির্দেশনায় দেশটির আদালত বলেছেন, ওই চিকিৎসক ধর্মীয় বিধিনিষেধ মেনে নারীদের সঙ্গে হাত মেলাতে অস্বীকৃতি জানান। 

বিচারক বলেছেন, হাত মেলানোর একটি অর্থ রয়েছে। এটা কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একে অপরের সঙ্গে হাত মেলানো সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং আইনি জীবনে গভীরভাবে তাৎপর্যপূর্ণ; যা আমাদের একসঙ্গে থাকার পথ তৈরি করে দেয়। 

ওই ব্যক্তি জার্মানিতে চিকিৎসাবিদ্যা পড়েছেন এবং একটি ক্লিনিকে কর্মরত আছেন। তবে তার কিছু আচরণের কারণে এখনও নাগরিকত্ব পাননি।

লেবাননের ওই চিকিৎসক শুরুতে দাবি করেন, নিজের স্ত্রীকে কথা দিয়েছেন অন্য কোনো নারীর হাত স্পর্শ করবেন না, তাই নারী কর্মকর্তার সঙ্গে হাত মেলানো তার পক্ষে সম্ভব নয়।

কিন্তু পরে নাগরিকত্বের আবেদন পুনর্বিবেচনার জন্য আপিল করার সময় আদালতে বলেন, আসলে কোনো পুরুষের সঙ্গেও তিনি হাত মেলান না। 

কিন্তু আদালত বলেছে, কোনো পুরুষের সঙ্গেও হাত না মেলানোর দাবি আসলে একটা কৌশল।