স্ত্রীসহ করোনায় আক্রান্ত দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী
jugantor
স্ত্রীসহ করোনায় আক্রান্ত দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে  

২০ অক্টোবর ২০২০, ২২:৫৫:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জুয়েলিনী এমকিজে স্ত্রীসহ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। রোববার মন্ত্রী তার ভেরিফাইড ফেসবুকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বর্তমানে মন্ত্রী স্ত্রীসহ নিজ বাড়িতেই দশদিনের কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।

করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর মন্ত্রী নিজ দেশের জনগণের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমি সব দক্ষিণ আফ্রিকান নাগরিকদের জানাতে চাই, আমি এবং আমার স্ত্রী ডা. মে মেখাইজ করোনা আক্রান্ত হয়েছি।

আমি কয়েকদিন থেকে হালকা লক্ষণ অনুভব করছি এবং অস্বাভাবিকভাবে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছি এবং সেই সঙ্গে ক্ষুধা হারাতে শুরু করেছি। একইসঙ্গে আমার স্ত্রীরও হালকা কাশি ও ফ্লুর লক্ষণ অনুভব করেছি। তাই আমরা কোভিড-১৯ পরীক্ষার নমুনা দিয়েছিলাম। পরীক্ষার ফল রোববার আমাদের দুজনেরই পজেটিভ এসেছে।

মন্ত্রী বলেছেন, আমি এখন বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে আছি। আমি এবং আমার স্ত্রী উভয়েই আশাবাদী যে আমরা এই ভাইরাস থেকে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠব।

মন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় এখনও করোনা শেষ হয়ে যায়নি। করোনার দ্বিতীয় দফা শুরু হবে যেকোনো সময়। তাই দক্ষিণ আফ্রিকার সব নাগরিকদের স্বাস্থ্য প্রটোকলগুলি মেনে চলার অনুরোধ করছি। মাস্ক পরা, সেনিটাইজার, সামাজিক দূরত্বসহ সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনা ৭ লাখ ছাড়িয়ে গেলেও সুস্থতার হার ৯০ শতাংশ। এর পেছনে নিরবিচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে যে মানুষটি দিন রাত মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা. জুয়েলিনি এমকিজে।

স্ত্রীসহ করোনায় আক্রান্ত দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে 
২০ অক্টোবর ২০২০, ১০:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জুয়েলিনী এমকিজে স্ত্রীসহ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। রোববার মন্ত্রী তার ভেরিফাইড ফেসবুকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বর্তমানে মন্ত্রী স্ত্রীসহ নিজ বাড়িতেই দশদিনের কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। 

করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর মন্ত্রী নিজ দেশের জনগণের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমি সব দক্ষিণ আফ্রিকান নাগরিকদের জানাতে চাই, আমি এবং আমার স্ত্রী ডা. মে মেখাইজ করোনা আক্রান্ত হয়েছি।

আমি কয়েকদিন থেকে হালকা লক্ষণ অনুভব করছি এবং অস্বাভাবিকভাবে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছি এবং সেই সঙ্গে ক্ষুধা হারাতে শুরু করেছি। একইসঙ্গে আমার স্ত্রীরও হালকা কাশি ও ফ্লুর লক্ষণ অনুভব করেছি। তাই আমরা কোভিড-১৯ পরীক্ষার নমুনা দিয়েছিলাম। পরীক্ষার ফল রোববার আমাদের দুজনেরই পজেটিভ এসেছে।

মন্ত্রী বলেছেন, আমি এখন বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে আছি। আমি এবং আমার স্ত্রী উভয়েই আশাবাদী যে আমরা এই ভাইরাস থেকে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠব।

মন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় এখনও করোনা শেষ হয়ে যায়নি। করোনার দ্বিতীয় দফা শুরু হবে যেকোনো সময়। তাই দক্ষিণ আফ্রিকার সব নাগরিকদের স্বাস্থ্য প্রটোকলগুলি মেনে চলার অনুরোধ করছি। মাস্ক পরা, সেনিটাইজার, সামাজিক দূরত্বসহ সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনা ৭ লাখ ছাড়িয়ে গেলেও সুস্থতার হার ৯০ শতাংশ। এর পেছনে নিরবিচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে যে মানুষটি দিন রাত মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা. জুয়েলিনি এমকিজে।