অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর কী করবে ইরান, জানালেন জারিফ
jugantor
অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর কী করবে ইরান, জানালেন জারিফ

  যুগান্তর ডেস্ক  

২১ অক্টোবর ২০২০, ১৭:১২:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর কী করবে ইরান, জানালেন জারিফ

ইরানের ওপর থেকে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর তারা কোনোভাবেই অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরু করবেন না বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ।

মঙ্গলবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের একটি বৈঠকের দেয়া বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। রাশিয়ার উদ্যোগে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে ইরনা জানিয়েছে।

একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে জারিফ বলেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে এবং ২৯টি ঘাঁটি প্রতিষ্ঠা করেছে যেখানে ৩০০ যুদ্ধবিমান রয়েছে।

প্রায় সব সময় আমাদের পানিসীমার কাছে মার্কিন বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ টহল দেয় এবং বহুসংখ্যক ডেস্ট্রয়ার মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সেনা, স্পেশাল ফোর্স, বিমান ও নৌবাহিনীর জন্য চারটি সেন্ট্রাল কমান্ড হেডকোয়ার্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

জারিফ আরও জানান, ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যত অস্ত্র বিক্রি হয়েছে তার চার ভাগের এক ভাগ কিনেছে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্র হচ্ছে প্রধান বিক্রেতা।

মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে বাইরের কিছু দেশ তাদের সেনা মোতায়েনের সুযোগ নিয়েছে এবং এ অঞ্চলে তারা বিপুল পরিমাণে অস্ত্র বিক্রি করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর কী করবে ইরান, জানালেন জারিফ

 যুগান্তর ডেস্ক 
২১ অক্টোবর ২০২০, ০৫:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর কী করবে ইরান, জানালেন জারিফ
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ওপর থেকে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর তারা কোনোভাবেই অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরু করবেন না বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ।   

মঙ্গলবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের একটি বৈঠকের দেয়া বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।  রাশিয়ার উদ্যোগে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে ইরনা জানিয়েছে।

একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে জারিফ বলেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে এবং ২৯টি ঘাঁটি প্রতিষ্ঠা করেছে যেখানে ৩০০ যুদ্ধবিমান রয়েছে। 

প্রায় সব সময় আমাদের পানিসীমার কাছে মার্কিন বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ টহল দেয় এবং বহুসংখ্যক ডেস্ট্রয়ার মোতায়েন করা হয়েছে।  পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সেনা, স্পেশাল ফোর্স, বিমান ও নৌবাহিনীর জন্য চারটি সেন্ট্রাল কমান্ড হেডকোয়ার্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

জারিফ আরও জানান, ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যত অস্ত্র বিক্রি হয়েছে তার চার ভাগের এক ভাগ কিনেছে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্র হচ্ছে প্রধান বিক্রেতা। 

মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে বাইরের কিছু দেশ তাদের সেনা মোতায়েনের সুযোগ নিয়েছে এবং এ অঞ্চলে তারা বিপুল পরিমাণে অস্ত্র বিক্রি করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।  

 

ঘটনাপ্রবাহ : মার্কিন-ইরান সংকট