মাওলানার নেতৃত্বে পাকিস্তানে আবারও তুঙ্গে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ
jugantor
মাওলানার নেতৃত্বে পাকিস্তানে আবারও তুঙ্গে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ

  অনলাইন ডেস্ক  

২১ অক্টোবর ২০২০, ১৯:০৫:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

মাওলানার নেতৃত্বে পাকিস্তানে আবারও তুঙ্গে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পদত্যাগের দাবিতে পাকিস্তানে আবারও দেশব্যাপী বিক্ষোভ করছেন বিরোধীরা।

এ লক্ষ্যে গত মাসের শেষের দিকে ১১টি প্রধান বিরোধী দল নিয়ে গঠিত পাকিস্তান ডেমোক্র্যাটিক মুভমেন্ট (পিডিএম) নামে একটি জোট গঠন করা হয়।

এ জোটের নেতৃত্বে রয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের (জেইউআই-এফ) প্রধান ও দেশটির বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মাওলানা ফজলুর রহমান।

ইমরান সরকারের বিরুদ্ধে পিডিএমের চলমান আন্দোলনকে পাকিস্তানের সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

বর্তমান ইমরান খানের সরকারকে অবৈধ ও অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়ে দেশে অঘোষিত সামরিক আইন চলছে বলেও জানান পাকিস্তানের প্রভাবশালী এই আলেম রাজনীতিবিদ। খবর ডন অনলাইন উর্দুর।

বুধবার নবাবশাহ এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মাওলানা ফজলুর রহমান বলেন, পিডিএমের প্ল্যাটফর্ম থেকে সব রাজনৈতিক দল যৌথভাবে গুজরানওয়ালায় ইমরান সরকারের বিরুদ্ধে সমাবেশ করছে। করাচিতেও জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে ঐতিহাসিক সমাবেশ হয়েছে। এই বিপুল জনমতকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ সরকারের নেই।

তিনি বলেন, জনগণ বিশ্বাস করে তাদের ভোট চুরি করা হয়েছে, তাদের আমানত ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। এখন জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পিডিএমের নেতৃত্বে দেশে সাংবিধানিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক শাসনের জন্য লড়াই শুরু হয়েছে।

এ আন্দোলনের মাধ্যমে শিগগিরই জনগণের ওপর চেপে বসা অপশাসনের অবসান হবে।

মাওলানা ফজলুর রহমান বলেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য আমরা আমাদের আন্দোলনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য জনগণের সামনে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরছি।

এরপর আমরা কোয়েটায় জনসমাবেশ করব। আশা করছি সেখানেও বিপুল জনসমাগম হবে। তারপর আমরা দেশের অন্যান্য অঞ্চলে যাব।

তিনি বলেন, এটি পাকিস্তান এবং পাকিস্তানের জনগণের বেঁচে থাকার লড়াই, যেখানে সব দল সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে। আমাদের আন্দোলনে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ একাত্মতা পোষণ করছেন।

জেইউআই-এফ প্রধান বলেন, দেশ বাঁচাতে একটি পূর্ণাঙ্গ সংগ্রাম দরকার, যে সংগ্রাম পাকিস্তানি জাতিকে তাদের অধিকার ফিরিয়ে দেবে।

জোটের শরিকদের মধ্যে রয়েছে- পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি), পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (জেইউআই-এফ) এবং আরও বেশ কয়েকটি দল।

এসব সমাবেশে পাকিস্তান মুসলিম লীগ নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের মেয়ে মরিয়ম নওয়াজ, পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারিসহ সব বিরোধী রাজনীতিবিদরা বক্তব্য রাখেন।

গত বছর প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পদত্যাগ এবং পুনরায় নির্বাচন দাবিতে মাওলানা ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তানজুড়ে আজাদি মার্চ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় কয়েক লাখ কর্মী-সমর্থক নিয়ে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে কয়েক দিন অবস্থান করেন তিনি।


ডন অনলাইন উর্দু অবলম্বনে- তোফায়েল গাজালি

মাওলানার নেতৃত্বে পাকিস্তানে আবারও তুঙ্গে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ

 অনলাইন ডেস্ক 
২১ অক্টোবর ২০২০, ০৭:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মাওলানার নেতৃত্বে পাকিস্তানে আবারও তুঙ্গে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পাকিস্তানের ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পদত্যাগের দাবিতে পাকিস্তানে আবারও দেশব্যাপী বিক্ষোভ করছেন বিরোধীরা।

এ লক্ষ্যে গত মাসের শেষের দিকে ১১টি প্রধান বিরোধী দল নিয়ে গঠিত পাকিস্তান ডেমোক্র্যাটিক মুভমেন্ট (পিডিএম) নামে একটি জোট গঠন করা হয়।  

এ জোটের নেতৃত্বে রয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের (জেইউআই-এফ) প্রধান ও দেশটির বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মাওলানা ফজলুর রহমান।

ইমরান সরকারের বিরুদ্ধে পিডিএমের চলমান আন্দোলনকে পাকিস্তানের সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

বর্তমান ইমরান খানের সরকারকে অবৈধ ও অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়ে দেশে অঘোষিত সামরিক আইন চলছে বলেও জানান পাকিস্তানের প্রভাবশালী এই আলেম রাজনীতিবিদ।  খবর ডন অনলাইন উর্দুর।

বুধবার নবাবশাহ এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মাওলানা ফজলুর রহমান বলেন, পিডিএমের প্ল্যাটফর্ম থেকে সব রাজনৈতিক দল যৌথভাবে গুজরানওয়ালায় ইমরান সরকারের বিরুদ্ধে সমাবেশ করছে।  করাচিতেও জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে ঐতিহাসিক সমাবেশ হয়েছে।  এই বিপুল জনমতকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ সরকারের নেই। 

তিনি বলেন, জনগণ বিশ্বাস করে তাদের ভোট চুরি করা হয়েছে, তাদের আমানত ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। এখন জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পিডিএমের নেতৃত্বে দেশে সাংবিধানিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক শাসনের জন্য লড়াই শুরু হয়েছে। 

এ আন্দোলনের মাধ্যমে শিগগিরই জনগণের ওপর চেপে বসা অপশাসনের অবসান হবে।

মাওলানা ফজলুর রহমান বলেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য আমরা আমাদের আন্দোলনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য জনগণের সামনে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরছি।  

এরপর আমরা কোয়েটায় জনসমাবেশ করব। আশা করছি সেখানেও বিপুল জনসমাগম হবে। তারপর আমরা দেশের অন্যান্য অঞ্চলে যাব। 

তিনি বলেন, এটি পাকিস্তান এবং পাকিস্তানের জনগণের বেঁচে থাকার লড়াই, যেখানে সব দল সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে। আমাদের আন্দোলনে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ একাত্মতা পোষণ করছেন।

জেইউআই-এফ প্রধান বলেন, দেশ বাঁচাতে একটি পূর্ণাঙ্গ সংগ্রাম দরকার, যে সংগ্রাম পাকিস্তানি জাতিকে তাদের অধিকার ফিরিয়ে দেবে।

জোটের শরিকদের মধ্যে রয়েছে- পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি), পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (জেইউআই-এফ) এবং আরও বেশ কয়েকটি দল।

এসব সমাবেশে পাকিস্তান মুসলিম লীগ নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের মেয়ে মরিয়ম নওয়াজ, পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারিসহ সব বিরোধী রাজনীতিবিদরা বক্তব্য রাখেন। 

গত বছর প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পদত্যাগ এবং পুনরায় নির্বাচন দাবিতে মাওলানা ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তানজুড়ে আজাদি মার্চ অনুষ্ঠিত হয়। 

এ সময় কয়েক লাখ কর্মী-সমর্থক নিয়ে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে কয়েক দিন অবস্থান করেন তিনি।


ডন অনলাইন উর্দু অবলম্বনে- তোফায়েল গাজালি

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন