তাইওয়ানের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র-আর্টিলারি বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র
jugantor
তাইওয়ানের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র-আর্টিলারি বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র

  অনলাইন ডেস্ক  

২২ অক্টোবর ২০২০, ২১:৩৪:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র

তাইওয়ানের কাছে একশ’ ৮০ কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র বিক্রির অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট। ওয়াশিংটন তাইওয়ানের কাছে তিন ধরনে অস্ত্র বিক্রি করবে। এগুলো হচ্ছে, সেনসরস, ক্ষেপণাস্ত্র ও আর্টিলারি। খবর-আলজাজিরার।

চীন-তাইওয়ান উত্তেজনার মধ্যেই বুধবার এ খবর জানিয়েছে পেন্টাগন।চীন থেকে বিচ্ছিন্ন স্বশাসিত ওই দ্বীপটিকে নিজের বলে দাবি করে আসছে।

বুধবার স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক নোটিশে বলা হয়, লকহিড মার্টিন কর্পের তৈরিহাই-মবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম (হিমারস) নামে একটি ১১ ট্রাকভিত্তিক রকেট লঞ্চার। যার আনুমানিক ব্যয় ৪৩৬ দশমিক ১ মিলিয়ন ডলার।

বোয়িংয়ের তৈরি১৩৫এজিএম-৮৪ এইচ স্ট্যান্ড অফ ল্যান্ড অ্যাটাক মিসাইল এক্সপেন্ডেড রেসপন্স (এসএলএম-ইআর) নামক দূরপাল্লার আকাশ থেকে স্থল ক্ষেপণাস্ত্র। যার আনুমানিক ব্যয় ১ দশমিক ০০৮ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া সেনসরসের জন্য আছে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান। যার আনুমানিক ব্যয় ৩৬৭ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার।

তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা দফতর বলছে, এসব অস্ত্র তাদের যুদ্ধ সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি যুদ্ধ ঠেকানোয় সহায়তা করবে।

গত সপ্তাহে মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও’ব্রায়েন বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন না যে তাইওয়ানে আগ্রাসন চালাতে চীন প্রস্তুত রয়েছে। তারপরও ভবিষ্যতের জন্য দ্বীপটির উচিত প্রতিরক্ষা গড়ে তোলা।

এদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই অস্ত্র চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্কে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। প্রয়োজন মতো এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বেইজিং।

তাইওয়ানের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র-আর্টিলারি বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র

 অনলাইন ডেস্ক 
২২ অক্টোবর ২০২০, ০৯:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র
ফাইল ছবি

তাইওয়ানের কাছে একশ’ ৮০ কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র বিক্রির অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট। ওয়াশিংটন তাইওয়ানের কাছে তিন ধরনে অস্ত্র বিক্রি করবে।  এগুলো হচ্ছে, সেনসরস, ক্ষেপণাস্ত্র ও আর্টিলারি। খবর-আলজাজিরার।

চীন-তাইওয়ান উত্তেজনার মধ্যেই বুধবার এ খবর জানিয়েছে পেন্টাগন।চীন থেকে বিচ্ছিন্ন স্বশাসিত ওই দ্বীপটিকে নিজের বলে দাবি করে আসছে।  

বুধবার স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক নোটিশে বলা হয়, লকহিড মার্টিন কর্পের তৈরি হাই-মবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম (হিমারস) নামে একটি ১১ ট্রাকভিত্তিক রকেট লঞ্চার। যার আনুমানিক ব্যয় ৪৩৬ দশমিক ১ মিলিয়ন ডলার।

বোয়িংয়ের তৈরি ১৩৫এজিএম-৮৪ এইচ স্ট্যান্ড অফ ল্যান্ড অ্যাটাক মিসাইল এক্সপেন্ডেড রেসপন্স (এসএলএম-ইআর) নামক দূরপাল্লার আকাশ থেকে স্থল ক্ষেপণাস্ত্র। যার আনুমানিক ব্যয় ১ দশমিক ০০৮ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া সেনসরসের জন্য আছে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান। যার আনুমানিক ব্যয় ৩৬৭ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার।

তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা দফতর বলছে, এসব অস্ত্র তাদের যুদ্ধ সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি যুদ্ধ ঠেকানোয় সহায়তা করবে।

গত সপ্তাহে মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও’ব্রায়েন বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন না যে তাইওয়ানে আগ্রাসন চালাতে চীন প্রস্তুত রয়েছে। তারপরও ভবিষ্যতের জন্য দ্বীপটির উচিত প্রতিরক্ষা গড়ে তোলা।

এদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই অস্ত্র চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্কে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। প্রয়োজন মতো এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বেইজিং।
 

 

ঘটনাপ্রবাহ : চীন-মার্কিন সম্পর্কের অবনতি