দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশিকে অপহরণ
jugantor
দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশিকে অপহরণ

  শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে  

২২ অক্টোবর ২০২০, ২২:২৭:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি নাগরিক অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। ১৭ অক্টোবর (শনিবার) রাত ১১টায় ৪ জন সশস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক পাকিস্তানি ও নাইজেরিয়ানদের সহযোগিতায় নিজ দোকান থেকে ওই বাংলাদেশিকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।

ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে দেশটির নদার্ন কেপ প্রদেশের ক্যলিফোনির্য়া নামক এলাকায়।

অপহৃত বাংলাদেশি নাগরিকের নাম ফারুক মিয়া। তিনি নরসিংদী জেলার রায়পুর উপজেলার বাঘাইকান্দির হযরত আলীর ছেলে।

অপহরণের দুই দিন পর ফারুক মিয়ার দেশের বাড়িতে ও তার পার্শ্ববর্তী অপর একজন বাংলাদেশি নাগরিকের কাছে দেড় মিলিয়ন রেন্ড মুক্তিপণ দাবি করেছে।

একজন পাকিস্তানি নাগরিক এই মুক্তিপণ দাবি করেছে বলে জানিয়েছেন ফারুকের প্রতিবেশী বাংলাদেশি দোকানদার।

জানা যায়, ফারুক একটি কালার্ড এলাকায় দোকানদারি করতেন এবং রাত ১২টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতেন।

ফারুক স্থানীয় একজন কৃষ্ণাঙ্গ মহিলাকে বিয়ে করেন এবং ওই মহিলা একজন পুলিশ অফিসার। অপহরণের পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও এখনও ফারুকের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এদিকে ফারুকের কৃষ্ণাঙ্গ স্ত্রী বাদী হয়ে স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে মামলা দায়ের করেছেন।

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশিকে অপহরণ

 শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে 
২২ অক্টোবর ২০২০, ১০:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি নাগরিক অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। ১৭ অক্টোবর (শনিবার) রাত ১১টায় ৪ জন সশস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক পাকিস্তানি ও নাইজেরিয়ানদের সহযোগিতায় নিজ দোকান থেকে ওই বাংলাদেশিকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। 

ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে দেশটির নদার্ন কেপ প্রদেশের ক্যলিফোনির্য়া নামক এলাকায়।

অপহৃত বাংলাদেশি নাগরিকের নাম ফারুক মিয়া। তিনি নরসিংদী জেলার রায়পুর উপজেলার বাঘাইকান্দির হযরত আলীর ছেলে।

অপহরণের দুই দিন পর ফারুক মিয়ার দেশের বাড়িতে ও তার পার্শ্ববর্তী অপর একজন বাংলাদেশি নাগরিকের কাছে দেড় মিলিয়ন রেন্ড মুক্তিপণ দাবি করেছে।

একজন পাকিস্তানি নাগরিক এই মুক্তিপণ দাবি করেছে বলে জানিয়েছেন ফারুকের প্রতিবেশী বাংলাদেশি দোকানদার। 

জানা যায়, ফারুক একটি কালার্ড এলাকায় দোকানদারি করতেন এবং রাত ১২টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতেন।

ফারুক স্থানীয় একজন কৃষ্ণাঙ্গ মহিলাকে বিয়ে করেন এবং ওই মহিলা একজন পুলিশ অফিসার। অপহরণের পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও এখনও ফারুকের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এদিকে ফারুকের কৃষ্ণাঙ্গ স্ত্রী বাদী হয়ে স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে মামলা দায়ের করেছেন।