বিচারিক দক্ষতায় ইউরোপে প্রথমসারিতে পর্তুগাল
jugantor
বিচারিক দক্ষতায় ইউরোপে প্রথমসারিতে পর্তুগাল

  ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী, পর্তুগাল থেকে  

২৩ অক্টোবর ২০২০, ২১:৩৪:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের ইউরোপিয়ান কমিশন ফর দ্য এফিশিয়েন্সি অব জাস্টিস (সিইপিইজে) কর্তৃক প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী ইউরোপের ৪৫টি দেশের মূল্যায়নে পর্তুগাল ন্যায়বিচার এবং বিচারিক দক্ষতায় প্রথমসারিতে অবস্থান করছে।

প্রকাশিত রিপোর্টে বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে যে, বিচারিক ব্যবস্থায় বেশিরভাগ দেশে প্রতি এক লাখ জনসংখ্যার মধ্যে ১০ থেকে ২০ জন বিচারক রয়েছেন; এক্ষেত্রে পর্তুগালে প্রতি এক লাখ জনগণের জন্য ১৯ দশমিক ৩ জন বিচারক রয়েছেন।

ইউরোপজুড়ে প্রতি ১ লাখ জনসংখ্যা অনুযায়ী প্রসিকিউটর (কৌঁসুলির) সংখ্যা ২ থেকে ১৫ এর মধ্যে রয়েছে; যেখানে পর্তুগালে প্রসিকিউটরের (কৌঁসুলির) সংখ্যা ১৩ দশমিক ৫ জন।

আইনজীবীদের ক্ষেত্রে এক লাখ জনসংখ্যার মধ্যে গড় আইনজীবীর সংখ্যা ১৬৪ জন, এই সূচকে পর্তুগালে আইনজীবীদের সংখ্যা ৩১৫ জন।
কোর্টের কার্যকারিতার দিক থেকে নতুন মামলা এবং নিষ্পত্তির মামলা দায়েরের সূচকে উক্ত ৪৫টি দেশের দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে গড় সূচক ১০০ দশমিক ৭ শতাংশ হলেও পর্তুগালের অবস্থান ১০৯ দশমিক ২ শতাংশ, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে গড় ১০০ শতাংশ হলেও পর্তুগালের অবস্থান ১০০ দশমিক ৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক মামলার ক্ষেত্রে ৯৯ দশমিক ৭ শতাংশ হলেও পর্তুগালের অবস্থান ১১১ শতাংশ।
পর্তুগাল দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম নিষ্পত্তির দিক থেকে সর্বোচ্চ দক্ষ গ্রুপসমূহের মধ্যে রয়েছে। যেমন দেওয়ানি মামলার কার্যক্রম ২২৯ দিন এবং ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে ২০৪ দিনে কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে; যা ২০১০ সালে বর্তমানের চেয়ে দ্বিগুণ সময়ে সম্পন্ন করা হতো।
দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে গড় কার্যবিবরণী ২০১ দিন। বিচার বিভাগে অনেক বেশি দক্ষ ও সৃষ্টিশীল মহিলা কর্মকর্তা থেকে মহিলা বিচারক যুক্ত হয়েছেন। নতুন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে পর্তুগাল নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ডের চেয়ে বেশি ডিজিটাল ব্যবস্থা ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে।

প্রতিটি দেশের উন্নয়নের জন্য অর্থনীতির যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি আইনের শাসন ও অনেকাংশে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ; কেননা অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে আর্থিক শঙ্কামুক্ত করা গেলেও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করা না গেলে দেশের জনগণের প্রকৃত জীবনমান উন্নত করা যায় না। সঙ্গত কারণেই পর্তুগাল অর্থনৈতিক উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বিচারিক দক্ষতায় ইউরোপে প্রথমসারিতে পর্তুগাল

 ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী, পর্তুগাল থেকে 
২৩ অক্টোবর ২০২০, ০৯:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের ইউরোপিয়ান কমিশন ফর দ্য এফিশিয়েন্সি অব জাস্টিস (সিইপিইজে) কর্তৃক প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী ইউরোপের ৪৫টি দেশের মূল্যায়নে পর্তুগাল ন্যায়বিচার এবং বিচারিক দক্ষতায় প্রথমসারিতে অবস্থান করছে।

প্রকাশিত রিপোর্টে বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে যে, বিচারিক ব্যবস্থায় বেশিরভাগ দেশে প্রতি এক লাখ জনসংখ্যার মধ্যে ১০ থেকে ২০ জন বিচারক রয়েছেন; এক্ষেত্রে পর্তুগালে প্রতি এক লাখ জনগণের জন্য ১৯ দশমিক ৩ জন বিচারক রয়েছেন।

ইউরোপজুড়ে প্রতি ১ লাখ জনসংখ্যা অনুযায়ী প্রসিকিউটর (কৌঁসুলির) সংখ্যা ২ থেকে ১৫ এর মধ্যে রয়েছে; যেখানে পর্তুগালে প্রসিকিউটরের (কৌঁসুলির) সংখ্যা ১৩ দশমিক ৫ জন।

আইনজীবীদের ক্ষেত্রে এক লাখ জনসংখ্যার মধ্যে গড় আইনজীবীর সংখ্যা ১৬৪ জন, এই সূচকে পর্তুগালে আইনজীবীদের সংখ্যা ৩১৫ জন।
কোর্টের কার্যকারিতার দিক থেকে নতুন মামলা এবং নিষ্পত্তির মামলা দায়েরের সূচকে উক্ত ৪৫টি দেশের দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে গড় সূচক ১০০ দশমিক ৭ শতাংশ হলেও পর্তুগালের অবস্থান ১০৯ দশমিক ২ শতাংশ, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে গড় ১০০ শতাংশ হলেও পর্তুগালের অবস্থান ১০০ দশমিক ৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক মামলার ক্ষেত্রে ৯৯ দশমিক ৭ শতাংশ  হলেও পর্তুগালের অবস্থান ১১১ শতাংশ।
পর্তুগাল দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম নিষ্পত্তির দিক থেকে সর্বোচ্চ দক্ষ গ্রুপসমূহের মধ্যে রয়েছে। যেমন দেওয়ানি মামলার কার্যক্রম ২২৯ দিন এবং ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে ২০৪ দিনে কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে; যা ২০১০ সালে বর্তমানের চেয়ে দ্বিগুণ সময়ে সম্পন্ন করা হতো। 
দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে গড় কার্যবিবরণী ২০১ দিন। বিচার বিভাগে অনেক বেশি দক্ষ ও সৃষ্টিশীল মহিলা কর্মকর্তা থেকে মহিলা বিচারক যুক্ত হয়েছেন। নতুন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে পর্তুগাল নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ডের চেয়ে বেশি ডিজিটাল ব্যবস্থা ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে। 

প্রতিটি দেশের উন্নয়নের জন্য অর্থনীতির যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি আইনের শাসন ও অনেকাংশে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ; কেননা অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে আর্থিক শঙ্কামুক্ত করা গেলেও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করা না গেলে দেশের জনগণের প্রকৃত জীবনমান উন্নত করা যায় না। সঙ্গত কারণেই পর্তুগাল অর্থনৈতিক উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।