তুরস্ক থেকে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠাল ফ্রান্স
jugantor
তুরস্ক থেকে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠাল ফ্রান্স

  অনলাইন ডেস্ক  

২৫ অক্টোবর ২০২০, ১১:৪১:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

তুরস্ক থেকে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠাল ফ্রান্স

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের মন্তব্যকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে দেশটিতে নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানোর কথা জানিয়েছে ফ্রান্স।

এর আগে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রনের মানসিক চিকিৎসা দরকার বলে মন্তব্য করেন এরদোগান। ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ান ও এএফপির খবরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, পরামর্শের জন্য আঙ্কারা থেকে ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো হচ্ছে। এরদোগানের মন্তব্যের পর পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে তিনি ম্যাক্রনের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

বেশ কিছু ইস্যুতে এ দুই ন্যাটোমিত্রের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। যার মধ্যে পূর্ব ভূমধ্যসাগরের নৌসীমা, লিবিয়া ও সিরিয়া সংকট রয়েছে।

এ ছাড়া নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যুদ্ধ নিয়েও তাদের সম্পর্কে অবনতি ঘটেছে।

মহানবীকে (সা.) নিয়ে ফরাসি সরকারের বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ডে তুরস্কের ক্ষোভ রয়েছে। এরদোগান বলেন, ভিন্ন বিশ্বাসের কোটি কোটি মানুষের প্রতি এমন আচরণ করা একজন রাষ্ট্রপ্রধানকে নিয়ে কী বলা যেতে পারে– সবার আগে তার মানসিক চিকিৎসা দরকার।

এরদোগানের মন্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ম্যাক্রনের কার্যালয়। বলেছে, প্রেসিডেন্ট এরদোগানের মন্তব্য অগ্রণযোগ্য।

বাড়াবাড়ি ও রূঢ়তা কোনো উপায় হতে পারে না। এরদোগান তার নীতির গতিপথ বদলাবেন বলে আমরা দাবি করছি। কারণ এটি সব দিক থেকেই বিপজ্জনক।

তুরস্ক থেকে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠাল ফ্রান্স

 অনলাইন ডেস্ক 
২৫ অক্টোবর ২০২০, ১১:৪১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
তুরস্ক থেকে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠাল ফ্রান্স
ছবি: গার্ডিয়ান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের মন্তব্যকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে দেশটিতে নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানোর কথা জানিয়েছে ফ্রান্স।

এর আগে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রনের মানসিক চিকিৎসা দরকার বলে মন্তব্য করেন এরদোগান। ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ান ও এএফপির খবরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, পরামর্শের জন্য আঙ্কারা থেকে ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো হচ্ছে। এরদোগানের মন্তব্যের পর পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে তিনি ম্যাক্রনের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

বেশ কিছু ইস্যুতে এ দুই ন্যাটোমিত্রের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। যার মধ্যে পূর্ব ভূমধ্যসাগরের নৌসীমা, লিবিয়া ও সিরিয়া সংকট রয়েছে। 

এ ছাড়া নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যুদ্ধ নিয়েও তাদের সম্পর্কে অবনতি ঘটেছে।

মহানবীকে (সা.) নিয়ে ফরাসি সরকারের বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ডে তুরস্কের ক্ষোভ রয়েছে। এরদোগান বলেন, ভিন্ন বিশ্বাসের কোটি কোটি মানুষের প্রতি এমন আচরণ করা একজন রাষ্ট্রপ্রধানকে নিয়ে কী বলা যেতে পারে– সবার আগে তার মানসিক চিকিৎসা দরকার। 

এরদোগানের মন্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ম্যাক্রনের কার্যালয়। বলেছে, প্রেসিডেন্ট এরদোগানের মন্তব্য অগ্রণযোগ্য। 

বাড়াবাড়ি ও রূঢ়তা কোনো উপায় হতে পারে না। এরদোগান তার নীতির গতিপথ বদলাবেন বলে আমরা দাবি করছি। কারণ এটি সব দিক থেকেই বিপজ্জনক।