আজারবাইজানের ভূমি মুক্ত হলেই আমরা উল্লাস করি: ইরানি জেনারেল
jugantor
আজারবাইজানের ভূমি মুক্ত হলেই আমরা উল্লাস করি: ইরানি জেনারেল

  অনলাইন ডেস্ক  

২৫ অক্টোবর ২০২০, ১৭:৩৬:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ইরানি বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ পাকপোর

আজারবাইজানের অঞ্চলগুলো দখলমুক্ত হলেই আমরা উল্লাস করি বলে মন্তব্য করেছেন ইরানি বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ পাকপোর। তিনি বলেন, আমরা সবসময় চাই দখল থেকে আজারবাইজানের ভূমি মুক্ত হোক। এখন এটি ঘটলে আমরা আনন্দ পাই।

রোববার এ খবর জানিয়েছে আজারবাইজানের সংবাদমাধ্যম আজভিশন।

ইরান সবসময় যে কোনো দখল এবং আগ্রসনের বিরুদ্ধে নিন্দা জানায় বলে তিনি যোগ করেন।

আঞ্চলিক অখণ্ডতা দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করে এ ইরানি কমান্ডার।

২৭ সেপ্টেম্বর থেকে বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান নতুন করে যুদ্ধে জড়ায়।পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ম্যারথন আলোচনা হয়।

১১ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতির কয়েক মিনিটের মধ্যেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান পরস্পরকে সাময়িক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘেনের জন্য অভিযুক্ত করে।

দ্বিতীয়বারের মতো ১৭ অক্টোবর রাত থেকে যুদ্ধবিরতির পরপরই গানজাতে আর্মেনিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৩ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে চারজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে। এ ছাড়া হামলায় আহত হয়েছেন ৫০ জন। এরপরই দুই দেশের মধ্যে তুমুল লড়াই শুরু হয়।

কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। তবে ওই অঞ্চলটি জাতিগত আর্মেনীয়রা ১৯৯০’র দশক থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে।ওই দশকেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে যুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।

আজারবাইজানের ভূমি মুক্ত হলেই আমরা উল্লাস করি: ইরানি জেনারেল

 অনলাইন ডেস্ক 
২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইরানি বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ পাকপোর
ইরানি বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ পাকপোর। ফাইল ছবি

আজারবাইজানের অঞ্চলগুলো দখলমুক্ত হলেই আমরা উল্লাস করি বলে মন্তব্য করেছেন ইরানি বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ পাকপোর। তিনি বলেন, আমরা সবসময় চাই দখল থেকে আজারবাইজানের ভূমি মুক্ত হোক। এখন এটি ঘটলে আমরা আনন্দ পাই।  

রোববার এ খবর জানিয়েছে আজারবাইজানের সংবাদমাধ্যম আজভিশন।

ইরান সবসময় যে কোনো দখল এবং আগ্রসনের বিরুদ্ধে নিন্দা জানায় বলে তিনি যোগ করেন। 

আঞ্চলিক অখণ্ডতা দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করে এ ইরানি কমান্ডার। 

২৭ সেপ্টেম্বর থেকে বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান নতুন করে যুদ্ধে জড়ায়।পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ম্যারথন আলোচনা হয়।

১১ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতির কয়েক মিনিটের মধ্যেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান পরস্পরকে সাময়িক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘেনের জন্য অভিযুক্ত করে।

দ্বিতীয়বারের মতো ১৭ অক্টোবর রাত থেকে যুদ্ধবিরতির পরপরই গানজাতে আর্মেনিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৩ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে চারজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে। এ ছাড়া হামলায় আহত হয়েছেন ৫০ জন। এরপরই দুই দেশের মধ্যে তুমুল লড়াই শুরু হয়। 

কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। তবে ওই অঞ্চলটি জাতিগত আর্মেনীয়রা ১৯৯০’র দশক থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে।ওই দশকেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে যুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।  

 

ঘটনাপ্রবাহ : আর্মেনিয়া-আজারবাইজান সংঘাত