ফরাসি পণ্য বয়কটের ডাক এরদোগানের
jugantor
ফরাসি পণ্য বয়কটের ডাক এরদোগানের

  অনলাইন ডেস্ক  

২৬ অক্টোবর ২০২০, ১৯:৪৪:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

ফরাসি পণ্য বয়কটের ডাক এরদোগানের

ইসলাম ও মুসলিমদের নবী হজরত মুহাম্মদকে (সা.) নিয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে ফরসি পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপএরদোগান।

এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ইসলামবিদ্বেষী মনোভাবের তীব্র সমালোচনা করে সোমবার এরদোগান নাগরিকদের এ আহ্বান জানান। খবর টিআরটি ও ইয়েনি শাফাকের।

ফ্রান্সে তুরস্কের লেবেলযুক্ত পণ্য-সামগ্রী কিনতে নিষেধ করা হয়েছে উল্লেখ করে এরদোগান বলেন, আমি তুরস্কের সব নাগরিককে একই ধরনের আহ্বান জানিয়ে বলছি, কখনই কোনো ফরাসি ব্র্যান্ডকে সহায়তা করবেন না অথবা ফ্রান্সের লেবেলযুক্ত পণ্য সামগ্রী কিনবেন না।

মহানবী মুহাম্মদের (সা.) ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রকাশের প্রতিবাদে কুয়েত, কাতারসহ পুরো মুসলিম বিশ্বেই ফরাসি পণ্য বয়কটের হিড়িক পড়ে গেছে। দোকান থেকে ফরাসি পণ্য সরিয়ে ফেলছে অনেক খ্যাতনামা চেইন শপসহ বহু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

করোনা মহামারীকালে এই বয়কটের সুদূরপ্রসারী প্রভাব আঁচ করতে পেরে আরব দেশগুলোর প্রতি পণ্য বয়কট বন্ধের অনুরোধ জানিয়েছে ফ্রান্স।

রোববার এক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অনুরোধ জানায়।

এতে বলা হয়, মহানবী মুহাম্মদ (সা.)-এর ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রকাশের পর সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশে ফ্রান্সের পণ্য, বিশেষ করে খাদ্যপণ্য বয়কটের ডাক দেয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘বয়কটের এসব আহ্বান ভিত্তিহীন এবং অবিলম্বে এগুলো বন্ধ হওয়া উচিত। সেই সঙ্গে সব ধরনের আক্রমণাত্মক মনোভাব, যা একটি উগ্র সংখ্যালঘু সম্প্রদায় উস্কে দিচ্ছে, সেগুলো বন্ধ করতে হবে।’

সম্প্রতি ফ্রান্সের একটি বিদ্যালয়ে পাঠদানের সময় মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রদর্শন করেন ধর্মবিদ্বেষী এক শিক্ষক। এর জেরে চেচেন বংশোদ্ভূত এক কিশোর তাকে গলা কেটে হত্যা করে।

ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশটিতে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। চালানো হচ্ছে ইসলাম ও মুসলিমবিরোধী প্রচারণা। এতে ভয় ও উদ্বেগের মধ্যে প্রতিটি ক্ষণ কাটাচ্ছে সংখ্যালঘু মুসলিমরা।

এ ঘটনার পর কথিত ‘ইসলামী বিচ্ছিন্নতাবাদের’ বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।
তিনি বলেন, ‘এই বিচ্ছিন্নতাবাদ ফ্রান্সের মুসলমান সম্প্রদায়গুলোতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। ফ্রান্সের সরকারি ভবনে মুহাম্মদকে (সা.) ব্যঙ্গ করে চিত্র প্রদর্শন বন্ধ হবে না।’

এরপর রোববার এক টুইটার বার্তায় বলেন, ‘আমরা কখনোই ইসলামী মৌলবাদীদের কাছে নতি স্বীকার করব না।’

‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’কে সমর্থনের নামে ইসলামবিরোধী ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রদর্শন ও বক্তব্যকে উসকানি দিয়ে বলেন, ‘আমরা বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য গ্রহণ ও যুক্তিযুক্ত মতামতকে প্রতিহত করি না।’

তার এসব মন্তব্যে বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। আরব বিশ্বের দেশগুলোতে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের হিড়িক পড়ে যায়।

ফরাসি পণ্য বয়কটের ডাক এরদোগানের

 অনলাইন ডেস্ক 
২৬ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৪৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ফরাসি পণ্য বয়কটের ডাক এরদোগানের
ছবি: ব্লুমবার্গ

ইসলাম ও মুসলিমদের নবী হজরত মুহাম্মদকে (সা.) নিয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে ফরসি পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। 

এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ইসলামবিদ্বেষী মনোভাবের তীব্র সমালোচনা করে সোমবার এরদোগান নাগরিকদের এ আহ্বান জানান। খবর টিআরটি ও ইয়েনি শাফাকের। 

ফ্রান্সে তুরস্কের লেবেলযুক্ত পণ্য-সামগ্রী কিনতে নিষেধ করা হয়েছে উল্লেখ করে এরদোগান বলেন, আমি তুরস্কের সব নাগরিককে একই ধরনের আহ্বান জানিয়ে বলছি, কখনই কোনো ফরাসি ব্র্যান্ডকে সহায়তা করবেন না অথবা ফ্রান্সের লেবেলযুক্ত পণ্য সামগ্রী কিনবেন না। 

মহানবী মুহাম্মদের (সা.) ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রকাশের প্রতিবাদে কুয়েত, কাতারসহ পুরো মুসলিম বিশ্বেই ফরাসি পণ্য বয়কটের হিড়িক পড়ে গেছে। দোকান থেকে ফরাসি পণ্য সরিয়ে ফেলছে অনেক খ্যাতনামা চেইন শপসহ বহু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। 

করোনা মহামারীকালে এই বয়কটের সুদূরপ্রসারী প্রভাব আঁচ করতে পেরে আরব দেশগুলোর প্রতি পণ্য বয়কট বন্ধের অনুরোধ জানিয়েছে ফ্রান্স। 

রোববার এক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অনুরোধ জানায়। 

এতে বলা হয়, মহানবী মুহাম্মদ (সা.)-এর ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রকাশের পর সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশে ফ্রান্সের পণ্য, বিশেষ করে খাদ্যপণ্য বয়কটের ডাক দেয়া হয়েছে। 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘বয়কটের এসব আহ্বান ভিত্তিহীন এবং অবিলম্বে এগুলো বন্ধ হওয়া উচিত। সেই সঙ্গে সব ধরনের আক্রমণাত্মক মনোভাব, যা একটি উগ্র সংখ্যালঘু সম্প্রদায় উস্কে দিচ্ছে, সেগুলো বন্ধ করতে হবে।’ 

সম্প্রতি ফ্রান্সের একটি বিদ্যালয়ে পাঠদানের সময় মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রদর্শন করেন ধর্মবিদ্বেষী এক শিক্ষক। এর জেরে চেচেন বংশোদ্ভূত এক কিশোর তাকে গলা কেটে হত্যা করে। 

ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশটিতে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। চালানো হচ্ছে ইসলাম ও মুসলিমবিরোধী প্রচারণা। এতে ভয় ও উদ্বেগের মধ্যে প্রতিটি ক্ষণ কাটাচ্ছে সংখ্যালঘু মুসলিমরা। 

এ ঘটনার পর কথিত ‘ইসলামী বিচ্ছিন্নতাবাদের’ বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। 
তিনি বলেন, ‘এই বিচ্ছিন্নতাবাদ ফ্রান্সের মুসলমান সম্প্রদায়গুলোতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। ফ্রান্সের সরকারি ভবনে মুহাম্মদকে (সা.) ব্যঙ্গ করে চিত্র প্রদর্শন বন্ধ হবে না।’ 

এরপর রোববার এক টুইটার বার্তায় বলেন, ‘আমরা কখনোই ইসলামী মৌলবাদীদের কাছে নতি স্বীকার করব না।’ 

‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’কে সমর্থনের নামে ইসলামবিরোধী ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রদর্শন ও বক্তব্যকে উসকানি দিয়ে বলেন, ‘আমরা বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য গ্রহণ ও যুক্তিযুক্ত মতামতকে প্রতিহত করি না।’ 

তার এসব মন্তব্যে বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। আরব বিশ্বের দেশগুলোতে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের হিড়িক পড়ে যায়।