দক্ষিণ আফ্রিকায় ধূমপান ছেড়েছে ১০ লাখ লোক
jugantor
দক্ষিণ আফ্রিকায় ধূমপান ছেড়েছে ১০ লাখ লোক

  শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে  

২৬ অক্টোবর ২০২০, ২২:১২:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনাভাইরাসের লকডাউনের সময় প্রায় ১০ লাখ লোক ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন।
দীর্ঘ ৬ মাস লকডাউনে থাকা দেশটিতে ধূমপান নিষিদ্ধ থাকায় দেশের ১০ লাখ লোক ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন বলে জানিয়েছে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

কেপটাউন ইউনিভার্সিটি ও দক্ষিণ আফ্রিকা মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত একটি গবেষণায় এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুক্রবার গণমাধ্যমের কাছে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি।

দক্ষিণ আফ্রিকা মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ডা. ক্যাথরিন এগবে গণমাধ্যমকে বলেছেন, লকডাউন চলাকালীন সিগারেটসহ তামাকজাত পণ্য বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় এবং সিগারেটের উচ্চমূল্য হওয়ার কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার ১০ লাখ লোক ধূমপান ছেড়ে দিয়েছে।

তিন মাস ধরে পরিচালিত গবেষণাটি মূলত ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সের ১ লাখ ৬০ হাজার লোকের ওপর পরিচালিত হয়। জরিপটির চূড়ান্ত ফলাফলে এ তথ্য উঠে আসে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে- লকডাউনের আগে যেখানে দেশে প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপায়ীর সংখ্যা ছিল ২১ শতাংশ, সেখানে লকডাউন পরবর্তী ধূমপায়ীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ শতাংশ।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি ধূমপায়ীর সংখ্যা কমে আসাটাকে জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো দিক বলে উল্লেখ করেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় ধূমপান ছেড়েছে ১০ লাখ লোক

 শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে 
২৬ অক্টোবর ২০২০, ১০:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনাভাইরাসের লকডাউনের সময় প্রায় ১০ লাখ লোক ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন।
দীর্ঘ ৬ মাস লকডাউনে থাকা দেশটিতে ধূমপান নিষিদ্ধ থাকায় দেশের ১০ লাখ লোক ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন বলে জানিয়েছে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। 

কেপটাউন ইউনিভার্সিটি ও দক্ষিণ আফ্রিকা মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত একটি গবেষণায় এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুক্রবার গণমাধ্যমের কাছে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি। 

দক্ষিণ আফ্রিকা মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ডা. ক্যাথরিন এগবে গণমাধ্যমকে বলেছেন, লকডাউন চলাকালীন সিগারেটসহ তামাকজাত পণ্য বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় এবং সিগারেটের উচ্চমূল্য হওয়ার কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার ১০ লাখ লোক ধূমপান ছেড়ে দিয়েছে।

তিন মাস ধরে পরিচালিত গবেষণাটি মূলত ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সের ১ লাখ ৬০ হাজার লোকের ওপর পরিচালিত হয়। জরিপটির চূড়ান্ত ফলাফলে এ তথ্য উঠে আসে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে- লকডাউনের আগে যেখানে দেশে প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপায়ীর সংখ্যা ছিল ২১ শতাংশ, সেখানে লকডাউন পরবর্তী ধূমপায়ীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ শতাংশ।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি ধূমপায়ীর সংখ্যা কমে আসাটাকে জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো দিক বলে উল্লেখ করেছে।