নামিবিয়ার সমুদ্র উপকূলে ৭ হাজার মৃত সিলমাছ
jugantor
নামিবিয়ার সমুদ্র উপকূলে ৭ হাজার মৃত সিলমাছ

  শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে  

২৬ অক্টোবর ২০২০, ২২:১৯:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

নামিবিয়ার সমুদ্র উপকূলে ৭ হাজার মৃত সিলমাছ উদ্ধার করা হয়েছে। দেশটির সরকারের সমুদ্র গবেষণা ইন্সটিটিউট সিলমাছগুলো উদ্ধার করেছে। আটলান্টিক মহাসাগরের ওয়ালভিস বে ও পেলিকান পয়েন্ট থেকে সিল মাছগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।

নামিবিয়ার সমুদ্র সম্পদ সংরক্ষণ সংস্থা শনিবার আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, গত কয়েক দিন থেকে সমুদ্র উপকূলে অল্প কয়েকটি মৃত সিলমাছ ভেসে আসার খবর পাওয়া গেলেও শুক্রবার রাতে অসংখ্য মৃত সিলমাছ ভেসে আসে; যা গণনা করে ৭ হাজার পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আরও বলছে- প্রথমে সরকার বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও এখন তা অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।
নামিবিয়ান ডলফিন প্রকল্পের পরিচালক এবং স্টেলেনবোশ ইউনিভার্সিটির উদ্ভিদ বিজ্ঞান ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী ডা. টেস গ্রিডলি ইউকে গণমাধ্যমকে বলেছেন, মৃত সিলমাছগুলো মূলত খাদ্যাভাবে মারা গেছে বলে প্রথমিক তদন্তে আমরা নিশ্চিত হয়েছি।

বিস্তারিত কারণ জানার জন্য মৃত সিলমাছের নমুনা দক্ষিণ আফ্রিকার সামুদ্রিক প্রাণী রিসার্চ ইন্সটিটিউটে পাঠানো হবে। ওখান থেকে পরীক্ষার রিপোর্ট পেলেই সিলমাছ মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।
তবে নামিবিয়া সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী নওডা ড্রায়ার সাংবাদিকদের বলেছেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সিল মাছগুলো ডিম ছাড়তে সমুদ্রের তীরে ভিড় জমিয়েছে। এখানে কেউ বিষ প্রয়োগ করে মাছগুলোকে হত্যা করেছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হবে।
সিলমাছের মৃত্যুর কারণ নির্ণয় করতে সরকার সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানীদের নিয়ে ৭ সদস্যের তদন্ত টিম গঠন করেছে।

নামিবিয়ার সমুদ্র উপকূলে ৭ হাজার মৃত সিলমাছ

 শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে 
২৬ অক্টোবর ২০২০, ১০:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নামিবিয়ার সমুদ্র উপকূলে ৭ হাজার মৃত সিলমাছ উদ্ধার করা হয়েছে। দেশটির সরকারের সমুদ্র গবেষণা ইন্সটিটিউট সিলমাছগুলো উদ্ধার করেছে। আটলান্টিক মহাসাগরের ওয়ালভিস বে ও পেলিকান পয়েন্ট থেকে সিল মাছগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।

নামিবিয়ার সমুদ্র সম্পদ সংরক্ষণ সংস্থা শনিবার আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, গত কয়েক দিন থেকে সমুদ্র উপকূলে অল্প কয়েকটি মৃত সিলমাছ ভেসে আসার খবর পাওয়া গেলেও শুক্রবার রাতে অসংখ্য মৃত সিলমাছ ভেসে আসে; যা গণনা করে ৭ হাজার পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আরও বলছে- প্রথমে সরকার বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও এখন তা অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।
নামিবিয়ান ডলফিন প্রকল্পের পরিচালক এবং স্টেলেনবোশ ইউনিভার্সিটির উদ্ভিদ বিজ্ঞান ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী ডা. টেস গ্রিডলি ইউকে গণমাধ্যমকে বলেছেন, মৃত সিলমাছগুলো মূলত খাদ্যাভাবে মারা গেছে বলে প্রথমিক তদন্তে আমরা নিশ্চিত হয়েছি।

বিস্তারিত কারণ জানার জন্য মৃত সিলমাছের নমুনা দক্ষিণ আফ্রিকার সামুদ্রিক প্রাণী রিসার্চ ইন্সটিটিউটে পাঠানো হবে। ওখান থেকে পরীক্ষার রিপোর্ট পেলেই সিলমাছ মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।
তবে নামিবিয়া সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী নওডা ড্রায়ার সাংবাদিকদের বলেছেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সিল মাছগুলো ডিম ছাড়তে সমুদ্রের তীরে ভিড় জমিয়েছে। এখানে কেউ বিষ প্রয়োগ করে মাছগুলোকে হত্যা করেছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হবে।
সিলমাছের মৃত্যুর কারণ নির্ণয় করতে সরকার সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানীদের নিয়ে ৭ সদস্যের তদন্ত টিম গঠন করেছে।