ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে এরদোগানের দ্বন্দ্বে হুমকিতে তুরস্কের অর্থনীতি
jugantor
ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে এরদোগানের দ্বন্দ্বে হুমকিতে তুরস্কের অর্থনীতি

  অনলাইন ডেস্ক  

২৮ অক্টোবর ২০২০, ১৩:৪৩:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাভাইরাস মহামারীর পর ন্যাটো জোটের মিত্রদের সঙ্গে তুরস্কের বিরোধের জের ধরে ডলারের অনুপাতে তুরস্কের মুদ্রা লিরার রেকর্ড পরিমাণ দরপতন হয়েছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান সাম্প্রতিক বক্তব্যে ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রসহ আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে তিক্ত সম্পর্ক তৈরি করেছেন। খবর রয়টার্স ও বিবিসির।

বিশ্লেষকরা তুরস্কের মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি– গত মাসে ১১.৭ শতাংশ এবং সুদের হার বাড়ানোর বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অসম্মতির বিষয়টিকে কারণ মনে করছেন।

সুদের হার বাড়ানো মুদ্রাস্ফীতি কমিয়ে আনতে পারে এবং তুরস্কের মুদ্রা লিরা কিনতে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করতে পারে।

বাজার বিশ্লেষকরা মনে করেন– লিবিয়া, সিরিয়া, সাইপ্রাসের আশপাশে এবং ককেশাস অঞ্চলে তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগানের শক্তি প্রদর্শনের কারণে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা ক্ষুণ্ণ হয়েছেন।

আন্তর্জাতিক ব্যবসা করা এক তুর্কি নাগরিক গণমাধ্যমকে বলেন, তুরস্কের মুদ্রা লিরা দুর্বল হয়ে যাওয়ার পেছনে নতুন কারণ সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তৈরি হওয়া ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা।

তুরস্কের রাবো ব্যাংকের এক বিশ্লেষক পিওতর ম্যাটিস বলেন, তুরস্কের ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেন বিজয়ী হলে 'রাশিয়া থেকে এস-৪০০ (অ্যান্টি এয়ারক্রাফট) মিসাইল সিস্টেম কেনার কারণে বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।' পাশাপাশি 'তুরস্কের সঙ্গে ফ্রান্সের দ্রুত অবনতি হওয়া পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়টিও বাজারে উদ্বেগের কারণ' বলে মন্তব্য করছেন তিনি।

এই বছরে তুরস্কের মুদ্রা লিরা ২৬ শতাংশ মান হারিয়েছে এবং তুরস্কের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, মুদ্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে গত ১৮ মাসে তারা ১০ হাজার কোটি ইউরোর বেশি অর্থ ব্যয় করেছে।

২৩ অক্টোবর প্রেসিডেন্ট এরদোগান নিশ্চিত করেছেন, তুরস্ক বিতর্কিত এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেমের পরীক্ষা চালিয়েছে।

রাশিয়ার সঙ্গে অস্ত্র চুক্তি করার কারণে যুক্তরাষ্ট্র তুরস্কের যে সমালোচনা করেছিল, সেটির জবাবে রোববার প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেন, আপনি জানেন না কার সঙ্গে খেলছেন। আপনার যত নিষেধাজ্ঞা দেয়ার দিতে পারেন।

ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে এরদোগানের দ্বন্দ্বে হুমকিতে তুরস্কের অর্থনীতি

 অনলাইন ডেস্ক 
২৮ অক্টোবর ২০২০, ০১:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাভাইরাস মহামারীর পর ন্যাটো জোটের মিত্রদের সঙ্গে তুরস্কের বিরোধের জের ধরে ডলারের অনুপাতে তুরস্কের মুদ্রা লিরার রেকর্ড পরিমাণ দরপতন হয়েছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান সাম্প্রতিক বক্তব্যে ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রসহ আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে তিক্ত সম্পর্ক তৈরি করেছেন। খবর রয়টার্স ও বিবিসির।

বিশ্লেষকরা তুরস্কের মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি– গত মাসে ১১.৭ শতাংশ এবং সুদের হার বাড়ানোর বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অসম্মতির বিষয়টিকে কারণ মনে করছেন।

সুদের হার বাড়ানো মুদ্রাস্ফীতি কমিয়ে আনতে পারে এবং তুরস্কের মুদ্রা লিরা কিনতে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করতে পারে।

বাজার বিশ্লেষকরা মনে করেন– লিবিয়া, সিরিয়া, সাইপ্রাসের আশপাশে এবং ককেশাস অঞ্চলে তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগানের শক্তি প্রদর্শনের কারণে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা ক্ষুণ্ণ হয়েছেন।

আন্তর্জাতিক ব্যবসা করা এক তুর্কি নাগরিক গণমাধ্যমকে বলেন, তুরস্কের মুদ্রা লিরা দুর্বল হয়ে যাওয়ার পেছনে নতুন কারণ সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তৈরি হওয়া ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা।

তুরস্কের রাবো ব্যাংকের এক বিশ্লেষক পিওতর ম্যাটিস বলেন, তুরস্কের ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেন বিজয়ী হলে 'রাশিয়া থেকে এস-৪০০ (অ্যান্টি এয়ারক্রাফট) মিসাইল সিস্টেম কেনার কারণে বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।' পাশাপাশি 'তুরস্কের সঙ্গে ফ্রান্সের দ্রুত অবনতি হওয়া পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়টিও বাজারে উদ্বেগের কারণ' বলে মন্তব্য করছেন তিনি।

এই বছরে তুরস্কের মুদ্রা লিরা ২৬ শতাংশ মান হারিয়েছে এবং তুরস্কের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, মুদ্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে গত ১৮ মাসে তারা ১০ হাজার কোটি ইউরোর বেশি অর্থ ব্যয় করেছে।

২৩ অক্টোবর প্রেসিডেন্ট এরদোগান নিশ্চিত করেছেন, তুরস্ক বিতর্কিত এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেমের পরীক্ষা চালিয়েছে।

রাশিয়ার সঙ্গে অস্ত্র চুক্তি করার কারণে যুক্তরাষ্ট্র তুরস্কের যে সমালোচনা করেছিল, সেটির জবাবে রোববার প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেন, আপনি জানেন না কার সঙ্গে খেলছেন। আপনার যত নিষেধাজ্ঞা দেয়ার দিতে পারেন।