আফগানিস্তানে ৯ মাসে ৬ হাজার বেসামরিক লোক হতাহত: জাতিসংঘ
jugantor
আফগানিস্তানে ৯ মাসে ৬ হাজার বেসামরিক লোক হতাহত: জাতিসংঘ

  অনলাইন ডেস্ক  

২৮ অক্টোবর ২০২০, ১৩:৪৯:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

জাতিসংঘ জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে আফগানিস্তানে প্রায় ৬ হাজার বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছেন।

তালেবান বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরকারি বাহিনীর তীব্র লড়াইয়ে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিশ্ব সংস্থাটি। খবর রয়টার্সের।

শান্তি প্রচেষ্টার উদ্যোগ সত্ত্বেও এ সময়টিতে বিদ্রোহীদের তৎপরতা বেড়েছে বলে ইউএন অ্যাসিসট্যান্স মিশন ইন আফগানিস্তানের (ইউএনএএমএ) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ওই প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে দেশটিতে ৫ হাজার ৯৩৯ জন হতাহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২ হাজার ১১৭ জন নিহত ও ৩ হাজার ৮২২ জন আহত।

বেসামরিকদের ওপর ধ্বংসাত্মক প্রভাব বিস্তারিত উচ্চমাত্রার সহিংসতা অব্যাহত আছে, আফগানিস্তান এখনও বেসামরিকদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে বলে ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে মিশনটি।

গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার হতাহতের সংখ্যা ৩০ শতাংশ কম হলেও ইউএনএএমএ বলছে, গত মাসে কাতারের রাজধানী দোহায় সরকারি ও তালেবান মধ্যস্থতাকারীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হওয়ার পরও সহিংসতা কমেনি।

বেসামরিক হতাহতের ৪৫ শতাংশ ঘটনার জন্য তালেবান, ২৩ শতাংশের জন্য সরকারি সেনারা এবং ২ শতাংশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বাহিনী দায়ী বলে জানিয়েছেন তারা।

অবশিষ্ট অধিকাংশ হতাহতের ঘটনা দুপক্ষের গোলাগুলির মাঝে পড়ে যাওয়ার কারণে অথবা ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জঙ্গিদের কারণে বা সরকারবিরোধী অথবা সরকারপন্থী বিভিন্ন উপদলের হামলার কারণে ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

জাতিসংঘ মিশন বলেছে, হতাহতের অধিকাংশ ঘটনা ঘটেছে স্থলযুদ্ধে, এর পর আত্মঘাতী ও রাস্তার পাশে পেতে রাখা বোমা হামলায়, তার পর তালেবানের পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডে এবং আফগান বাহিনীর বিমান হামলায়।

সম্প্রতি আফগানিস্তানের বিভিন্ন অংশে লড়াই তীব্র হয়ে উঠেছে যখন দোহায় সরকারি ও তালেবান মধ্যস্থতাকারীরা শান্তি আলোচনায় অগ্রগতি তৈরিতে ব্যর্থ হচ্ছে।

এসব লড়াইয়ে দুপক্ষেই হতাহতের সংখ্যা বেশি হচ্ছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বাহিনী আফগানিস্তানের ক্ষমতা থেকে তালেবানকে উচ্ছেদ করে।

আফগানিস্তানে ৯ মাসে ৬ হাজার বেসামরিক লোক হতাহত: জাতিসংঘ

 অনলাইন ডেস্ক 
২৮ অক্টোবর ২০২০, ০১:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জাতিসংঘ জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে আফগানিস্তানে প্রায় ৬ হাজার বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছেন।

তালেবান বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরকারি বাহিনীর তীব্র লড়াইয়ে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিশ্ব সংস্থাটি। খবর রয়টার্সের।

শান্তি প্রচেষ্টার উদ্যোগ সত্ত্বেও এ সময়টিতে বিদ্রোহীদের তৎপরতা বেড়েছে বলে ইউএন অ্যাসিসট্যান্স মিশন ইন আফগানিস্তানের (ইউএনএএমএ) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ওই প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে দেশটিতে ৫ হাজার ৯৩৯ জন হতাহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২ হাজার ১১৭ জন নিহত ও ৩ হাজার ৮২২ জন আহত।

বেসামরিকদের ওপর ধ্বংসাত্মক প্রভাব বিস্তারিত উচ্চমাত্রার সহিংসতা অব্যাহত আছে, আফগানিস্তান এখনও বেসামরিকদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে বলে ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে মিশনটি।

গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার হতাহতের সংখ্যা ৩০ শতাংশ কম হলেও ইউএনএএমএ বলছে, গত মাসে কাতারের রাজধানী দোহায় সরকারি ও তালেবান মধ্যস্থতাকারীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হওয়ার পরও সহিংসতা কমেনি।  

বেসামরিক হতাহতের ৪৫ শতাংশ ঘটনার জন্য তালেবান, ২৩ শতাংশের জন্য সরকারি সেনারা এবং ২ শতাংশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বাহিনী দায়ী বলে জানিয়েছেন তারা।  

অবশিষ্ট অধিকাংশ হতাহতের ঘটনা দুপক্ষের গোলাগুলির মাঝে পড়ে যাওয়ার কারণে অথবা ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জঙ্গিদের কারণে বা সরকারবিরোধী অথবা সরকারপন্থী বিভিন্ন উপদলের হামলার কারণে ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

জাতিসংঘ মিশন বলেছে, হতাহতের অধিকাংশ ঘটনা ঘটেছে স্থলযুদ্ধে, এর পর আত্মঘাতী ও রাস্তার পাশে পেতে রাখা বোমা হামলায়, তার পর তালেবানের পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডে এবং আফগান বাহিনীর বিমান হামলায়।

সম্প্রতি আফগানিস্তানের বিভিন্ন অংশে লড়াই তীব্র হয়ে উঠেছে যখন দোহায় সরকারি ও তালেবান মধ্যস্থতাকারীরা শান্তি আলোচনায় অগ্রগতি তৈরিতে ব্যর্থ হচ্ছে।

এসব লড়াইয়ে দুপক্ষেই হতাহতের সংখ্যা বেশি হচ্ছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বাহিনী আফগানিস্তানের ক্ষমতা থেকে তালেবানকে উচ্ছেদ করে।