ভারত-মার্কিন প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে কঠোর হুশিয়ারি চীনের
jugantor
ভারত-মার্কিন প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে কঠোর হুশিয়ারি চীনের

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৮ অক্টোবর ২০২০, ১৮:২৩:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ভারত-মার্কিন প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে কঠোর হুশিয়ারি চীনের

মার্কিন প্রতিনিধিদের নয়াদিল্লি সফরের প্রাক্কালেই যুক্তরাষ্ট্রকে কঠিন হুশিয়ারি দিয়েছে চীন। বলেছে, ভারত-চীন সীমান্ত সমস্যায় ‘তৃতীয় পক্ষ’-এর কোনো জায়গা নেই।

‘তৃতীয় পক্ষ’ বলে যুক্তরাষ্ট্রকে উল্লেখ করে বুধবার এক বিবৃতিতে এই মন্তব্য করে নয়াদিল্লিস্থ চীনা দূতাবাস।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভারতীয় উপমহাদেশে আমেরিকা নিজেদের আধিপত্য বাড়াতে চাচ্ছে। সীমান্ত সমস্যা ভারত ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সমস্যা।

প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) থেকে সেনা সরাতে এবং স্থিতাবস্থা ফেরাতে কূটনৈতিক ও সামরিক স্তরে আলোচনা চলছে।

নিজেদের মধ্যে ওই সমস্যা সঠিকভাবে মেটানোর ক্ষমতা রয়েছে নয়াদিল্লি ও বেইজিংয়ের। সেখানে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের কোনও জায়গা নেই।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তোড়জোড়ের মধ্যে সোমবার ভারতে পৌঁছান দুই মার্কিন মন্ত্রী পম্পেও ও এসপার।

মঙ্গলবার সকালে তারা বৈঠক করেন ভারতের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এনএসএ অজিত ডোভালের সঙ্গে। দুপুরে বৈঠক হয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে।

রাজধানী নয়াদিল্লিতে এই ২+২ বৈঠকেই একাধিক সামরিক বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

বৈঠকের বিষয়ে জয়শঙ্কর বলেন, ‘গত দুই দশকে আমাদের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অবিচলভাবে বস্তুগত, বাস্তবসম্মত এবং তাৎপর্যপূর্ণ অবস্থানের দিকে অগ্রসর হয়েছে।’

নতুন চুক্তির ফলে দুই দেশ এখন ‘জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়ে আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারবে’ বলেও জানান জয়শঙ্কর। ওই চুক্তিকে নাম ‘দ্য বেসিক এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড কোঅপারেশন এগ্রিমেন্ট’ (বিইসিএ)।

ভারত-মার্কিন প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে কঠোর হুশিয়ারি চীনের

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৬:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ভারত-মার্কিন প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে কঠোর হুশিয়ারি চীনের
ছবি: সিএনএন

মার্কিন প্রতিনিধিদের নয়াদিল্লি সফরের প্রাক্কালেই যুক্তরাষ্ট্রকে কঠিন হুশিয়ারি দিয়েছে চীন। বলেছে, ভারত-চীন সীমান্ত সমস্যায় ‘তৃতীয় পক্ষ’-এর কোনো জায়গা নেই। 

‘তৃতীয় পক্ষ’ বলে যুক্তরাষ্ট্রকে উল্লেখ করে বুধবার এক বিবৃতিতে এই মন্তব্য করে নয়াদিল্লিস্থ চীনা দূতাবাস। 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভারতীয় উপমহাদেশে আমেরিকা নিজেদের আধিপত্য বাড়াতে চাচ্ছে। সীমান্ত সমস্যা ভারত ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সমস্যা। 

প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) থেকে সেনা সরাতে এবং স্থিতাবস্থা ফেরাতে কূটনৈতিক ও সামরিক স্তরে আলোচনা চলছে। 

নিজেদের মধ্যে ওই সমস্যা সঠিকভাবে মেটানোর ক্ষমতা রয়েছে নয়াদিল্লি ও বেইজিংয়ের। সেখানে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের কোনও জায়গা নেই।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তোড়জোড়ের মধ্যে সোমবার ভারতে পৌঁছান দুই মার্কিন মন্ত্রী পম্পেও ও এসপার। 

মঙ্গলবার সকালে তারা বৈঠক করেন ভারতের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এনএসএ অজিত ডোভালের সঙ্গে। দুপুরে বৈঠক হয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে। 

রাজধানী নয়াদিল্লিতে এই ২+২ বৈঠকেই একাধিক সামরিক বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। 

বৈঠকের বিষয়ে জয়শঙ্কর বলেন, ‘গত দুই দশকে আমাদের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অবিচলভাবে বস্তুগত, বাস্তবসম্মত এবং তাৎপর্যপূর্ণ অবস্থানের দিকে অগ্রসর হয়েছে।’ 

নতুন চুক্তির ফলে দুই দেশ এখন ‘জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়ে আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারবে’ বলেও জানান জয়শঙ্কর। ওই চুক্তিকে নাম ‘দ্য বেসিক এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড কোঅপারেশন এগ্রিমেন্ট’ (বিইসিএ)। 
 

 

ঘটনাপ্রবাহ : চীন-মার্কিন সম্পর্কের অবনতি