পশ্চিমা দেশগুলো পুনরায় ধর্মযুদ্ধ শুরু করতে চায়: এরদোগান
jugantor
পশ্চিমা দেশগুলো পুনরায় ধর্মযুদ্ধ শুরু করতে চায়: এরদোগান

  অনলাইন ডেস্ক  

২৮ অক্টোবর ২০২০, ২০:১১:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান

পশ্চিমা দেশগুলো পুনরায় ধর্মযুদ্ধ শুরু করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান।তিনি বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো ইসলামকে আক্রমণ করে পুনরায় ধর্মযুদ্ধ শুরু করতে চায়। উদাহরণ হিসেবে তিনি বিশ্বনবীর ব্যাঙ্গচিত্র নিয়ে ফ্রান্স ও তুরস্কের কথা তুলে ধরেন।

বুধবার দেশটির পার্লামেন্টে বিশ্বনবীকে অবমাননার ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

এরদোগান বলেন, দুর্ভাগ্যবশত আমরা এমন এক প্রতিকূল সময়ে রয়েছি যখন ইসলাম, মুসলিম এবং বিশ্বনবীকে অবমাননা করা হয়, এটা ক্যানসারের মতো ছড়িয়েছে, বিশেষ করে ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি বিচক্ষণ ইউরোপীনদের আহ্বান করছি, নিজেদের ও তাদের সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য এখনই বিপজ্জনক প্রবণতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে।

এই মাসের শুরুতে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো ফ্রান্সের মুসলিমদের বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং বিশ্বজুড়ে ধর্মীয় সংকটে ইসলামকে দায়ী করেন।

স্যামুয়েল প্যাটি নামে এক শিক্ষক ক্লাসরুমে বিশ্বনবীর ব্যাঙ্গচিত্র প্রদর্শন করেন। এ ঘটনায় ১৬ অক্টোবর আবদুল্লাহ নামে এক তরুণ ওই শিক্ষককে হত্যা করেন। যদিও ওই তরুণ পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এর পর থেকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।

ম্যাক্রো নিহত শিক্ষক প্যাটির স্বরণে অনুষ্ঠানে সম্মান জানাতে গিয়ে বলেন, ফ্রান্স ওই কার্টুন বন্ধ করবে না।

অন্যদিকে, এই অপমানজন কার্টুন ফরাসী সাপ্তাহিক ব্যাঙ্গাত্বক পত্রিকা প্রজেক্টরের মাধ্যমে দেশটির কয়েকটি শহরে দেয়ালে প্রদর্শন করে। এই বছরের শুরুতে ম্যাগাজিনটি পুনবায় বিশ্বনবীর ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ করে।

তুর্কি সংবাদমাধ্যম ইয়েনি শাফাকের খবরে বলা হয়েছে, তারা সর্বপ্রথম ড্যানিশ পত্রিকায় ২০০৬ সালে এটি প্রকাশ করে।

কয়েকটি আরব দেশ ফ্রান্সের এমন কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য দেশগুলো হল- তুরস্ক, ইরান ও পাকিস্তান। এছাড়া তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান ম্যাঁক্রোকে মানসিক রোগী বলে আখ্যায়িত করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাক দেয় বহু আরব দেশ। সেই সময় এরদোগান তুর্কি নাগরিকদের প্রতি ফ্রান্সের পণ্য বয়কট ও ক্রয় না করতে আহ্বান জানান।

পশ্চিমা দেশগুলো পুনরায় ধর্মযুদ্ধ শুরু করতে চায়: এরদোগান

 অনলাইন ডেস্ক 
২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৮:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। ফাইল ছবি

পশ্চিমা দেশগুলো পুনরায় ধর্মযুদ্ধ শুরু করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান।তিনি বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো ইসলামকে আক্রমণ করে পুনরায় ধর্মযুদ্ধ শুরু করতে চায়। উদাহরণ হিসেবে তিনি বিশ্বনবীর ব্যাঙ্গচিত্র নিয়ে ফ্রান্স ও তুরস্কের কথা তুলে ধরেন। 

বুধবার দেশটির পার্লামেন্টে বিশ্বনবীকে অবমাননার ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

এরদোগান বলেন, দুর্ভাগ্যবশত আমরা এমন এক প্রতিকূল সময়ে রয়েছি যখন ইসলাম, মুসলিম এবং বিশ্বনবীকে অবমাননা করা হয়, এটা ক্যানসারের মতো ছড়িয়েছে, বিশেষ করে ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে।  

তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি বিচক্ষণ ইউরোপীনদের আহ্বান করছি, নিজেদের ও তাদের সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য এখনই বিপজ্জনক প্রবণতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে।  

এই মাসের শুরুতে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো ফ্রান্সের মুসলিমদের বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং বিশ্বজুড়ে ধর্মীয় সংকটে ইসলামকে দায়ী করেন।  

স্যামুয়েল প্যাটি নামে এক শিক্ষক ক্লাসরুমে বিশ্বনবীর ব্যাঙ্গচিত্র প্রদর্শন করেন। এ ঘটনায় ১৬ অক্টোবর আবদুল্লাহ নামে এক তরুণ ওই শিক্ষককে হত্যা করেন।  যদিও ওই তরুণ পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এর পর থেকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।  

ম্যাক্রো নিহত শিক্ষক প্যাটির স্বরণে অনুষ্ঠানে সম্মান জানাতে গিয়ে বলেন, ফ্রান্স ওই কার্টুন বন্ধ করবে না। 

অন্যদিকে, এই অপমানজন কার্টুন ফরাসী সাপ্তাহিক ব্যাঙ্গাত্বক পত্রিকা প্রজেক্টরের মাধ্যমে দেশটির কয়েকটি শহরে দেয়ালে প্রদর্শন করে। এই বছরের শুরুতে ম্যাগাজিনটি পুনবায় বিশ্বনবীর ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ করে। 

তুর্কি সংবাদমাধ্যম ইয়েনি শাফাকের খবরে বলা হয়েছে, তারা সর্বপ্রথম ড্যানিশ পত্রিকায় ২০০৬ সালে এটি প্রকাশ করে।  

কয়েকটি আরব দেশ ফ্রান্সের এমন কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করে।  এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য দেশগুলো হল- তুরস্ক, ইরান ও পাকিস্তান। এছাড়া তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান ম্যাঁক্রোকে মানসিক রোগী বলে আখ্যায়িত করেছেন। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাক দেয় বহু আরব দেশ। সেই সময় এরদোগান তুর্কি নাগরিকদের প্রতি ফ্রান্সের পণ্য বয়কট ও ক্রয় না করতে আহ্বান জানান।