ইরানের সেনাবাহিনীতে যুক্ত হলো ৫ শতাধিক ট্যাংকবাহী গাড়ি
jugantor
ইরানের সেনাবাহিনীতে যুক্ত হলো ৫ শতাধিক ট্যাংকবাহী গাড়ি

  অনলাইন ডেস্ক  

২৯ অক্টোবর ২০২০, ১১:০৬:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

ইরানের সেনাবাহিনীতে বুধবার যুক্ত হয়েছে ট্যাংকবাহী পাঁচ শতাধিক সাঁজোয়া যান।

তেহরানে ভারী এসব সাঁজোয়া যান হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল সাইয়্যেদ আবদুর রহিম মুসাভি। খবর ফার্স নিউজের।

তিনি বলেন, ইরানের পদাতিক ইউনিট এখন পুরোপুরি স্বনির্ভর। দেশের বাইরে থেকে কোনো সরঞ্জাম সংগ্রহের কোনো প্রয়োজন নেই। যে কোনো ধরনের অভিযান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তাদের কাছে রয়েছে।

পদাতিক ইউনিটের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কিয়োমার্স হেইদারি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ট্যাংক স্থানান্তর করতে এসব অতিভারী গাড়ি খুবই কার্যকর।

ইরানি বিশেষজ্ঞরা এসব যান তৈরিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ। মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে এই সাফল্য অর্জন করেছেন ইরানি বিশেষজ্ঞরা।

সম্প্রতি ইরানের ওপর থেকে জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলেও দেশটি অস্ত্র আমদানির চেয়ে রফতানির দিকে বেশি মনোযোগ দেবে বলে জানা গেছে।

ইরানের সামরিক কর্মকর্তারা বলেন, তারা কেবল ওই সব দেশের কাছেই অস্ত্র রফতানি করবে, যারা তা আত্মরক্ষার জন্য ব্যবহার করবে।

ইরানের সেনাবাহিনীতে যুক্ত হলো ৫ শতাধিক ট্যাংকবাহী গাড়ি

 অনলাইন ডেস্ক 
২৯ অক্টোবর ২০২০, ১১:০৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইরানের সেনাবাহিনীতে বুধবার যুক্ত হয়েছে ট্যাংকবাহী পাঁচ শতাধিক সাঁজোয়া যান।

তেহরানে ভারী এসব সাঁজোয়া যান হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল সাইয়্যেদ আবদুর রহিম মুসাভি। খবর ফার্স নিউজের।

তিনি বলেন, ইরানের পদাতিক ইউনিট এখন পুরোপুরি স্বনির্ভর। দেশের বাইরে থেকে কোনো সরঞ্জাম সংগ্রহের কোনো প্রয়োজন নেই। যে কোনো ধরনের অভিযান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তাদের কাছে রয়েছে।

পদাতিক ইউনিটের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কিয়োমার্স হেইদারি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ট্যাংক স্থানান্তর করতে এসব অতিভারী গাড়ি খুবই কার্যকর।

ইরানি বিশেষজ্ঞরা এসব যান তৈরিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ। মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে এই সাফল্য অর্জন করেছেন ইরানি বিশেষজ্ঞরা।

সম্প্রতি ইরানের ওপর থেকে জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলেও দেশটি অস্ত্র আমদানির চেয়ে রফতানির দিকে বেশি মনোযোগ দেবে বলে জানা গেছে।

ইরানের সামরিক কর্মকর্তারা বলেন, তারা কেবল ওই সব দেশের কাছেই অস্ত্র রফতানি করবে, যারা তা আত্মরক্ষার জন্য ব্যবহার করবে।