কারাবাখে ১১১৯ আর্মেনীয় যোদ্ধা নিহত
jugantor
কারাবাখে ১১১৯ আর্মেনীয় যোদ্ধা নিহত

  অনলাইন ডেস্ক  

২৯ অক্টোবর ২০২০, ১৭:১৯:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

কারাবাখের যোদ্ধা

বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আজারবাইজানের সঙ্গে আর্মেনিয়ার তৃতীয় বারের মতো যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে তুমুল যুদ্ধ চলছে। এ নিয়ে গত মাস থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলের মোট ১১১৯ যোদ্ধা নিহত হয়েছে। এ খরব জানিয়েছে তুর্কি সংবাদ মাধ্যম ইয়েনি শাফাক।

বৃহস্পতিবার অস্বীকৃত নাগোরনো-কারাবাখের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজেরিদের সঙ্গে সংঘাতে তাদের আরও ৫১ যোদ্ধা নিহত হয়েছে। এ নিয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন করে যুদ্ধে ১১১৯ যোদ্ধা নিহত হয়।

আন্তর্জাতিকভাবে নাগোরনো-কারাবাখ আজারবাইজানি অঞ্চল বলে স্বীকৃত। ৯০ দশকে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দুই দেশের মধ্যে সংঘাতে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।

এক মাসের বেশি সময় ধরে নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে যুদ্ধে জড়িয়েছে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান। প্রথম থেকেই দুই দেশকে শান্তি বৈঠকে বসানোর চেষ্টা করছে রাশিয়া। দুইবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবও হয় রাশিয়ার মধ্যস্থতায়।কিন্তু অভিযোগ, যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা লঙ্ঘন করেছে দুইটি দেশ।

এরই মধ্যে গত সপ্তাহে ফের দুই দেশকে আলোচনার টেবিলে বসায় মস্কো। গত বৃহস্পতিবার মস্কোয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বৈঠক করেন আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। কিন্তু তাতেও সমাধান হয়নি।

এর পর প্রথমে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এবং পরে মার্কিন কূটনীতিবিদদের সঙ্গে বৈঠক করেন আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের প্রতিনিধিরা। দীর্ঘ বৈঠকের পর রোববার সন্ধ্যায় নতুন করে যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত হয়। আমেরিকা, আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে।
সেখানে বলা হয় মানবিক কারণে সোমবার সকাল ৮টা থেকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হচ্ছে।

কিন্তু সোমবার সকাল হতেই আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, আজারি শহর টার্টারে আক্রমণ চালিয়েছে আর্মেনিয়া। সেখানে শেলিং করা হয়েছে। পাল্টা অভিযোগ করে আর্মেনিয়াও। তাদের দাবি, আজারি সেনাবাহিনী প্রথম যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে।

কারাবাখে ১১১৯ আর্মেনীয় যোদ্ধা নিহত

 অনলাইন ডেস্ক 
২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৫:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কারাবাখের যোদ্ধা
ছবি: সংগৃহীত

বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আজারবাইজানের সঙ্গে আর্মেনিয়ার তৃতীয় বারের মতো যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে তুমুল যুদ্ধ চলছে। এ নিয়ে গত মাস থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলের মোট ১১১৯ যোদ্ধা নিহত হয়েছে।  এ খরব জানিয়েছে তুর্কি সংবাদ মাধ্যম ইয়েনি শাফাক।  

বৃহস্পতিবার অস্বীকৃত নাগোরনো-কারাবাখের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজেরিদের সঙ্গে সংঘাতে তাদের আরও ৫১ যোদ্ধা নিহত হয়েছে।  এ নিয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন করে যুদ্ধে ১১১৯ যোদ্ধা নিহত হয়।  

আন্তর্জাতিকভাবে নাগোরনো-কারাবাখ আজারবাইজানি অঞ্চল বলে স্বীকৃত।  ৯০ দশকে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দুই দেশের মধ্যে সংঘাতে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়। 

এক মাসের বেশি সময় ধরে নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে যুদ্ধে জড়িয়েছে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান। প্রথম থেকেই দুই দেশকে শান্তি বৈঠকে বসানোর চেষ্টা করছে রাশিয়া। দুইবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবও হয় রাশিয়ার মধ্যস্থতায়।কিন্তু অভিযোগ, যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা লঙ্ঘন করেছে দুইটি দেশ।  

এরই মধ্যে গত সপ্তাহে ফের দুই দেশকে আলোচনার টেবিলে বসায় মস্কো। গত বৃহস্পতিবার মস্কোয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বৈঠক করেন আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। কিন্তু তাতেও সমাধান হয়নি। 

এর পর প্রথমে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এবং পরে মার্কিন কূটনীতিবিদদের সঙ্গে বৈঠক করেন আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের প্রতিনিধিরা।  দীর্ঘ বৈঠকের পর রোববার সন্ধ্যায় নতুন করে যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত হয়। আমেরিকা, আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে। 
সেখানে বলা হয় মানবিক কারণে সোমবার সকাল ৮টা থেকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হচ্ছে।

কিন্তু সোমবার সকাল হতেই আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, আজারি শহর টার্টারে আক্রমণ চালিয়েছে আর্মেনিয়া। সেখানে শেলিং করা হয়েছে। পাল্টা অভিযোগ করে আর্মেনিয়াও। তাদের দাবি, আজারি সেনাবাহিনী প্রথম যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। 
 

 

ঘটনাপ্রবাহ : আর্মেনিয়া-আজারবাইজান সংঘাত