ফ্রান্সে দুই হামলার পর সৌদিতে ফরাসি কনস্যুলেটে হামলা
jugantor
ফ্রান্সে দুই হামলার পর সৌদিতে ফরাসি কনস্যুলেটে হামলা

  অনলাইন ডেস্ক  

২৯ অক্টোবর ২০২০, ১৯:৫১:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

সৌদি

ফ্রান্সে একই দিনে পৃথক হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন।পাশাপাশি এক হামলাকারী পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার একই দিনে সৌদি আরবের জেদ্দায় ফরাসি কনস্যুলেটে হামলার ঘটনা ঘটেছে।এতে ওই কনস্যুলেটটির নিরাপত্তাকর্মী আহত হয়েছেন। তবে হামলাকারীকে পুলিশ আটক করতে পেরেছেন বলে রিয়াদের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ও ফরাসি দূতাবাস জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে ফ্রান্সের নিস শহরে গির্জায় হামলার তিনজন নিহত হয়েছেন।এরমধ্যে এক নারীর শিরশ্ছেদ করা হয়েছে।এর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই দক্ষিণাঞ্চলীয় আভিনিওঁ শহরের একটি এলাকায় পুলিশের গুলিতে এক বন্দুকধারী নিহত হয়েছে।ওই ব্যক্তি ‘আল্লাহু আকবর’ বলে বন্দুক নিয়ে পথচারী এবং পুলিশের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা চালিয়েছিল।

ফ্রান্সের নিস শহরের মেয়র খ্রিশ্চ এস্থুজি গির্জায় ছুরি হামলার ঘটনাটিকে ‘সন্ত্রাসী’ হামলা বলে বর্ণনা করেছেন।

মেয়র জানান, হামলাকারী ‘আল্লাহু আকবর’ বলে চিৎকার করছিল। তাকে আটক করার পরও সে ‘আল্লাহু আকবর’ বলে চিৎকার করে যাচ্ছিল। গির্জার ভেতরে নিহতদের মধ্যে একজনকে গির্জারটির ওয়ার্ডেন বলে মনে করা হচ্ছে।

সাংবাদিকদের মেয়র এস্থুজি বলেন, আটক করার সময় সন্দেহভাজন ছুরি হামলাকারীকে গুলি করে পুলিশ, সে বেঁচে আছে, তাকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ফরাসি দূতাবাস জানিয়েছে, জেদ্দা কনস্যুলেটে ছুরি হাতে এক প্রহরীকে হামলা করা হয়। ওই প্রহরীকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।

এক বিবৃতিতে দূতাবাস বলেছে, ফরাসি দূতাবাস এই হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে। কোনো কূটনৈতিক স্থাপনায় কোনো ধরনের হামলার ন্যায্যতা নেই।

মহানবী (সা.)-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের জেরে এক মুসলিম তরুণ স্যামুয়েল প্যাতি নামে একজন ইতিহাস শিক্ষককে গলা কেটে হত্যা করে। এর পর থেকেই উত্তপ্ত হতে থাকে ফ্রান্স। এ ঘটনায় মহানবী (সা.)-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তার এ ঘোষণায় আরব বিশ্বে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাক আসে। ইসলামের প্রতি এমন মানসিকতার জন্য ম্যাক্রোঁর মানসিক চিকিৎসা দরকার বলে মন্তব্য করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপতাইয়্যিপ এরদোগান।

তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইরানসহ অন্যান্য মুসলিম দেশের ধারাবাহিকতায় ফ্রান্সের নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মহানবী হযরত মোহাম্মদকে (সা.) নিয়ে আপত্তিজনক ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ কিংবা সন্ত্রাসের সঙ্গে ইসলামকে জড়ানোর যেকোনো উদ্যোগের নিন্দা জানাচ্ছে রিয়াদ।

ফ্রান্সে দুই হামলার পর সৌদিতে ফরাসি কনস্যুলেটে হামলা

 অনলাইন ডেস্ক 
২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সৌদি
ছবি: আলজাজিরা

ফ্রান্সে একই দিনে পৃথক হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন।পাশাপাশি এক হামলাকারী পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার একই দিনে সৌদি আরবের জেদ্দায় ফরাসি কনস্যুলেটে হামলার ঘটনা ঘটেছে।এতে ওই কনস্যুলেটটির নিরাপত্তাকর্মী আহত হয়েছেন। তবে হামলাকারীকে পুলিশ আটক করতে পেরেছেন বলে রিয়াদের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ও ফরাসি দূতাবাস জানিয়েছে। 

বৃহস্পতিবার সকালে ফ্রান্সের নিস শহরে গির্জায় হামলার তিনজন নিহত হয়েছেন।এরমধ্যে এক নারীর শিরশ্ছেদ করা হয়েছে।এর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই দক্ষিণাঞ্চলীয় আভিনিওঁ শহরের একটি এলাকায় পুলিশের গুলিতে এক বন্দুকধারী নিহত হয়েছে।ওই ব্যক্তি ‘আল্লাহু আকবর’ বলে বন্দুক নিয়ে পথচারী এবং পুলিশের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা চালিয়েছিল।

ফ্রান্সের নিস শহরের মেয়র খ্রিশ্চ এস্থুজি গির্জায় ছুরি হামলার ঘটনাটিকে ‘সন্ত্রাসী’ হামলা বলে বর্ণনা করেছেন। 

মেয়র জানান, হামলাকারী ‘আল্লাহু আকবর’ বলে চিৎকার করছিল। তাকে আটক করার পরও সে ‘আল্লাহু আকবর’ বলে চিৎকার করে যাচ্ছিল। গির্জার ভেতরে নিহতদের মধ্যে একজনকে গির্জারটির ওয়ার্ডেন বলে মনে করা হচ্ছে।

সাংবাদিকদের মেয়র এস্থুজি বলেন, আটক করার সময় সন্দেহভাজন ছুরি হামলাকারীকে গুলি করে পুলিশ, সে বেঁচে আছে, তাকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ফরাসি দূতাবাস জানিয়েছে, জেদ্দা কনস্যুলেটে ছুরি হাতে এক প্রহরীকে হামলা করা হয়। ওই প্রহরীকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।

এক বিবৃতিতে দূতাবাস বলেছে, ফরাসি দূতাবাস এই হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে। কোনো কূটনৈতিক স্থাপনায় কোনো ধরনের হামলার ন্যায্যতা নেই।

মহানবী (সা.)-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের জেরে এক মুসলিম তরুণ স্যামুয়েল প্যাতি নামে একজন ইতিহাস শিক্ষককে গলা কেটে হত্যা করে।  এর পর থেকেই উত্তপ্ত হতে থাকে ফ্রান্স। এ ঘটনায় মহানবী (সা.)-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তার এ ঘোষণায় আরব বিশ্বে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাক আসে। ইসলামের প্রতি এমন মানসিকতার জন্য ম্যাক্রোঁর মানসিক চিকিৎসা দরকার বলে মন্তব্য করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। 

তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইরানসহ অন্যান্য মুসলিম দেশের ধারাবাহিকতায় ফ্রান্সের নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মহানবী হযরত মোহাম্মদকে (সা.) নিয়ে আপত্তিজনক ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ কিংবা সন্ত্রাসের সঙ্গে ইসলামকে জড়ানোর যেকোনো উদ্যোগের নিন্দা জানাচ্ছে রিয়াদ।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ফ্রান্সে ইসলাম অবমাননা