বোতসোয়ানায় সাড়ে পাঁচ হাজার মৃত শকুন উদ্ধার
jugantor
বোতসোয়ানায় সাড়ে পাঁচ হাজার মৃত শকুন উদ্ধার

  শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে  

২৯ অক্টোবর ২০২০, ২২:০৩:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ বোতসোয়ানাতে বিলুপ্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার মৃত শকুন উদ্ধার করা হয়েছে। দেশটির উত্তর-পূর্ব মাকগাদিকগাদি জলাভূমি থেকে বিপন্ন প্রজাতির এই মৃত শকুন উদ্ধার করা হয়।

বার্ডলাইফ বতসোয়ানার পরিচালক মোতশেগেরানি কুতসোসিটসে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ২২ অক্টোবর থেকে কয়েকটি মৃত শকুনের সন্ধান পাওয়া গেলেও বুধবার প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার মৃত শকুন উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শকুনগুলোকে বিষ দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে কী ধরনের বিষ দিয়ে কারা এ শকুনগুলো হত্যা করেছে তা নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ। ময়নাতদন্তের জন্য মৃত শকুন দক্ষিণ আফ্রিকার বার্ড ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে।

তবে বোতসোয়ানার বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রের পরিচালক বলেছেন, কৃষিজমিতে ব্যবহৃত বিষ থেকেও শকুনগুলোর মৃত্যু হতে পারে।

বোতসোয়ানাতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রেকর্ড করা সবচেয়ে বড় শকুনের মৃত্যুর মধ্যে একটি ছিল গত বছরের জুনে মাসে। ওই সময় দেশটির উত্তর চোবি গেম রিজার্ভে শিকারিদের দ্বারা নিহত তিনটি হাতির শাবক খেয়ে প্রায় ১০ হাজার শকুনের মৃত্যু হয়েছিল।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, সারা পৃথিবীতে সমালোচিত পাখি শকুন বিলুপ্ত হলেও আফ্রিকা মহাদেশের অসংখ্য দেশে এখনও শকুনকে সংরক্ষণ করা হয় থাকে।

আফ্রিকান ট্রেডিশনাল চিকিৎসায় কবিরাজরা শকুনের মাংস ব্যবহার করে থাকে। শকুনের মাংস থেকে উৎপাদিত হারবাল ওষুধ ক্যান্সার, এইডসসহ নানা জটিল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।

এদিকে আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন) বিপন্ন প্রজাতির শকুনগুলোর মৃত্যুর কারণ জানাতে এবং আগামীতে শকুনগুলোর যথাযথ সংরক্ষণের জন্য বোতসোয়ানা সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

বোতসোয়ানায় সাড়ে পাঁচ হাজার মৃত শকুন উদ্ধার

 শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে 
২৯ অক্টোবর ২০২০, ১০:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ বোতসোয়ানাতে বিলুপ্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার মৃত শকুন উদ্ধার করা হয়েছে। দেশটির উত্তর-পূর্ব মাকগাদিকগাদি জলাভূমি থেকে বিপন্ন প্রজাতির এই মৃত শকুন উদ্ধার করা হয়।

বার্ডলাইফ বতসোয়ানার পরিচালক মোতশেগেরানি কুতসোসিটসে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ২২ অক্টোবর থেকে কয়েকটি মৃত শকুনের সন্ধান পাওয়া গেলেও বুধবার প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার মৃত শকুন উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শকুনগুলোকে বিষ দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে কী ধরনের বিষ দিয়ে কারা এ শকুনগুলো হত্যা করেছে তা নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ। ময়নাতদন্তের জন্য মৃত শকুন দক্ষিণ আফ্রিকার বার্ড ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। 

তবে বোতসোয়ানার বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রের পরিচালক বলেছেন, কৃষিজমিতে ব্যবহৃত বিষ থেকেও শকুনগুলোর মৃত্যু হতে পারে। 

বোতসোয়ানাতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রেকর্ড করা সবচেয়ে বড় শকুনের মৃত্যুর মধ্যে একটি ছিল গত বছরের জুনে মাসে। ওই সময় দেশটির উত্তর চোবি গেম রিজার্ভে শিকারিদের দ্বারা নিহত তিনটি হাতির শাবক  খেয়ে প্রায় ১০ হাজার শকুনের মৃত্যু হয়েছিল।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, সারা পৃথিবীতে সমালোচিত পাখি শকুন বিলুপ্ত হলেও আফ্রিকা মহাদেশের অসংখ্য দেশে এখনও শকুনকে সংরক্ষণ করা হয় থাকে।

আফ্রিকান ট্রেডিশনাল চিকিৎসায় কবিরাজরা শকুনের মাংস ব্যবহার করে থাকে। শকুনের মাংস থেকে উৎপাদিত হারবাল ওষুধ ক্যান্সার, এইডসসহ নানা জটিল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।

এদিকে আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন) বিপন্ন প্রজাতির শকুনগুলোর মৃত্যুর কারণ জানাতে এবং আগামীতে শকুনগুলোর যথাযথ সংরক্ষণের জন্য বোতসোয়ানা সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন।