পরাজয়ের দায় নিলেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী
jugantor
পরাজয়ের দায় নিলেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী

  অনলাইন ডেস্ক  

১৮ নভেম্বর ২০২০, ২২:২২:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

আর্মেনিয়া

বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আজারবাইজানের সঙ্গে পরাজয়ের দায় নিয়েছেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান।তবে ৪৪ দিন চলা সংঘাতে পরাজয়ের পর বিরোধীদের পক্ষ থেকে পদত্যাগের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি।

বুধবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন নিকোল পাশিনিয়ান।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, ১৯৯০ সালের যুদ্ধে এই অঞ্চলটির দখল হারিয়েছিল বাকু। এরপর থেকে প্রায় তিন দশক ধরে আর্মেনীয় জাতিগত গোষ্ঠী এর নিয়ন্ত্রণ নেয়। এরপর তারা ওই অঞ্চলে সরকার গঠন করেছিল। তবে সেই সরকারকে আর্মেনিয়াও স্বীকৃতি দেয়নি। আন্তর্জাতিকভাবে নাগোরনো কারাবাখ আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত।

ছয় সপ্তাহ চলা যুদ্ধে আজারবাইজান কারাবাখে দ্বিতীয় বৃহত্তর শহর শুশা দখল করে। আজারবাইজানের একের পর এক হামলায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে আর্মেনীয় বাহিনী। এরপরই রাশিয়ার হস্তক্ষেপে দুই দেশের মধ্যে শান্তি চুক্তি হয়।এর ফলে যুদ্ধ ছাড়াই কয়েকটি অঞ্চলের দখল আসবে আজারবাইজানের হাতে।

এরপর থেকেই দেশটিতে তোপের মুখে পড়েন প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান।দেশটির প্রেসিডেন্ট আগাম পার্লামেন্ট নির্বাচনের আহ্বান জানিয়েছেন।

পরাজয়ের দায় কাধে নিয়ে ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী।তিনি দাবি করেছেন, দেশকে স্থিতিশীল করা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন তার দায়িত্ব।

তার করণীয় সম্পর্কে ১৫ দফা উদ্যোগের কথা তুলে ধরেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তিনি লেখেন, আমি এখন পুরোপুরি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

আলজাজিরা

পরাজয়ের দায় নিলেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী

 অনলাইন ডেস্ক 
১৮ নভেম্বর ২০২০, ১০:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আর্মেনিয়া
নাগোরনো-কারাবাখে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সংঘাত। ছবি: আলজাজিরা

বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আজারবাইজানের সঙ্গে পরাজয়ের দায় নিয়েছেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান।তবে ৪৪ দিন চলা সংঘাতে পরাজয়ের পর বিরোধীদের পক্ষ থেকে পদত্যাগের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি। 

বুধবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন নিকোল পাশিনিয়ান।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, ১৯৯০ সালের যুদ্ধে এই অঞ্চলটির দখল হারিয়েছিল বাকু। এরপর থেকে প্রায় তিন দশক ধরে আর্মেনীয় জাতিগত গোষ্ঠী এর নিয়ন্ত্রণ নেয়। এরপর তারা ওই অঞ্চলে সরকার গঠন করেছিল। তবে সেই সরকারকে আর্মেনিয়াও স্বীকৃতি দেয়নি। আন্তর্জাতিকভাবে নাগোরনো কারাবাখ আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। 

ছয় সপ্তাহ চলা যুদ্ধে আজারবাইজান কারাবাখে দ্বিতীয় বৃহত্তর শহর শুশা দখল করে। আজারবাইজানের একের পর এক হামলায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে আর্মেনীয় বাহিনী। এরপরই রাশিয়ার হস্তক্ষেপে দুই দেশের মধ্যে শান্তি চুক্তি হয়।এর ফলে যুদ্ধ ছাড়াই কয়েকটি অঞ্চলের দখল আসবে আজারবাইজানের হাতে। 

এরপর থেকেই দেশটিতে তোপের মুখে পড়েন প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান।দেশটির প্রেসিডেন্ট আগাম পার্লামেন্ট নির্বাচনের আহ্বান জানিয়েছেন।

পরাজয়ের দায় কাধে নিয়ে ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী।তিনি দাবি করেছেন, দেশকে স্থিতিশীল করা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন তার দায়িত্ব।

তার করণীয় সম্পর্কে ১৫ দফা উদ্যোগের কথা তুলে ধরেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তিনি লেখেন, আমি এখন পুরোপুরি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

আলজাজিরা

 

ঘটনাপ্রবাহ : আর্মেনিয়া-আজারবাইজান সংঘাত