বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসে বেপজা ও ইউবিএফের চুক্তি
jugantor
বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসে বেপজা ও ইউবিএফের চুক্তি

  হাবিবুল্লাহ আল বাহার, জার্মানি থেকে  

১৯ নভেম্বর ২০২০, ২২:৩৬:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

জার্মানির রাজধানি বার্লিনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে বুধবার একটি জার্মান কোম্পানি এবং বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেপজা) মধ্যে ল্যান্ডলিজ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আদমজী ইপিজেডে গার্মেন্ট কারখানা স্থাপনের জন্য বেপজা জার্মান মালিকানাধীন ইউবিএফ ব্রাইডাল নামে একটি কোম্পানিকে অনুমতি দিয়েছে।
বর্তমানে করোনা মহামারীর কারণে বিনিয়োগকারীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্বাক্ষর করতে বাংলাদেশে ভ্রমণে বিভিন্ন বিধিনিষেধ থাকায় অনলাইনে চুক্তি স্বাক্ষরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছে।

এই প্রথমবারের মতো বার্লিনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস চুক্তি স্বাক্ষর সহজতর করতে যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করে; যাতে বিনিয়োগ প্রকল্পটি কোনো প্রকার বাধা ছাড়াই বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারে।

কোম্পানিটি বাংলাদেশে প্রায় ১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করছে এবং তাদের অন্যতম সফল কারখানা পোল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে স্থানান্তর করবে। এ কোম্পানি বিবাহের পোশাক উৎপাদন করার পাশাপাশি ইউরোপীয় এবং ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য ২৭টি ব্রাইডাল আইটেমও উৎপাদন করবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বার্তোস্ত ভোডস্কি এবং এমডি অ্যাড্রিয়ান গাজাক বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে অনুষ্ঠানটিতে যোগদান করেন মো. মাহমুদুল হোসেন খান (মেম্বার ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন) ও বেপজার জিএম তানভীর হোসেন।

বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. মোশারফ হোসেন এনডিসি এবং দূতাবাসের কর্মকর্তারা। রাষ্ট্রদূত মো. মোশারফ হোসেন এনডিসি বিনিয়োগকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছিলেন। বর্তমানে পোল্যান্ডে প্রতিষ্ঠানটির যে চারটি কারখানা রয়েছে তা পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে স্থানান্তরিত হবে বলে রাষ্ট্রদূত আশাবাদ ব্যক্ত করেন। দূতাবাসের বাণিজ্যিক কাউন্সিলর মো. সাইফুল ইসলাম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এবং বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষরের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।

মো. মাহমুদুল হোসেন খান বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বাংলাদেশ দূতাবাসকে প্রথমবারের মতো ভার্চুয়ালি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আয়োজনে সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসে বেপজা ও ইউবিএফের চুক্তি

 হাবিবুল্লাহ আল বাহার, জার্মানি থেকে 
১৯ নভেম্বর ২০২০, ১০:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জার্মানির রাজধানি বার্লিনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে বুধবার একটি জার্মান কোম্পানি এবং বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেপজা) মধ্যে ল্যান্ডলিজ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আদমজী ইপিজেডে গার্মেন্ট কারখানা স্থাপনের জন্য বেপজা জার্মান মালিকানাধীন ইউবিএফ ব্রাইডাল নামে একটি কোম্পানিকে অনুমতি দিয়েছে। 
বর্তমানে করোনা মহামারীর কারণে বিনিয়োগকারীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্বাক্ষর করতে বাংলাদেশে ভ্রমণে বিভিন্ন বিধিনিষেধ থাকায় অনলাইনে চুক্তি স্বাক্ষরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছে। 

এই প্রথমবারের মতো বার্লিনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস চুক্তি স্বাক্ষর সহজতর করতে যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করে; যাতে বিনিয়োগ প্রকল্পটি কোনো প্রকার বাধা ছাড়াই বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারে।

কোম্পানিটি বাংলাদেশে প্রায় ১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করছে এবং তাদের অন্যতম সফল কারখানা পোল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে স্থানান্তর করবে। এ কোম্পানি বিবাহের পোশাক উৎপাদন করার পাশাপাশি ইউরোপীয় এবং ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য ২৭টি ব্রাইডাল আইটেমও উৎপাদন করবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বার্তোস্ত ভোডস্কি এবং এমডি অ্যাড্রিয়ান গাজাক বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে অনুষ্ঠানটিতে যোগদান করেন মো. মাহমুদুল হোসেন খান (মেম্বার ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন) ও বেপজার জিএম তানভীর হোসেন।

বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. মোশারফ হোসেন এনডিসি এবং দূতাবাসের কর্মকর্তারা। রাষ্ট্রদূত মো. মোশারফ হোসেন এনডিসি বিনিয়োগকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছিলেন। বর্তমানে পোল্যান্ডে প্রতিষ্ঠানটির যে চারটি কারখানা রয়েছে তা পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে স্থানান্তরিত হবে বলে রাষ্ট্রদূত আশাবাদ ব্যক্ত করেন। দূতাবাসের বাণিজ্যিক কাউন্সিলর মো. সাইফুল ইসলাম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এবং বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষরের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।

মো. মাহমুদুল হোসেন খান বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বাংলাদেশ দূতাবাসকে প্রথমবারের মতো ভার্চুয়ালি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আয়োজনে সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।