কাবুলের গ্রিন জোনে ২৩টি রকেট হামলা, নিহত ৮
jugantor
কাবুলের গ্রিন জোনে ২৩টি রকেট হামলা, নিহত ৮

  যুগান্তর ডেস্ক  

২১ নভেম্বর ২০২০, ১৭:৪৫:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

কাবুলের গ্রিন জোনে ২৩টি রকেট হামলা, নিহত ৮

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে আবাসিক এলাকায় অন্তত ২৩টি রকেট হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে আটজনের প্রাণহানির পাশাপাশি আহত হয়েছেন ৩০ জন।

আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হামলার ঘটনা ও হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে হামলার জন্য দায়ী কারা তা এখনও স্পষ্ট নয়।

তালেবান এই হামলার দায়িত্ব অস্বীকার করে জানিয়েছে, জনসমাগমস্থলে হামলা করা তাদের নীতির সঙ্গে যায় না। খবর বিবিসি ও আল জাজিরার।

তীব্র রকেট হামলার ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে কাবুলের কেন্দ্রস্থল ও পূর্বাঞ্চলে। এর পাশেই গ্রিন জোন হিসেবে পরিচিত অভিজাত ও কূটনৈতিক এলাকা অবস্থিত।

শনিবার সকালে চালানো ওই হামলায় অনেক বাড়ি ও গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুটি কার থেকে আবাসিক এলাকা লক্ষ করে হামলা চালানো হয়। এমন একটি সময় বড় ধরনের এই হামলার ঘটনা ঘটলো যখন তালেবান-মার্কিন সরকার আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে।

কাতারের রাজধানী দোহায় তালেবান প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর আলোচনা শুরুর ঠিক আগ মুহুর্তে হামলাটি চালানো হয়। এছাড়া তালেবান, আফগানিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্র- সব পক্ষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্ত এখন।

কয়েক মাস ধরে ত্রিপাক্ষিক শান্তি আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা কমিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছেন।

ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির মাঝমাঝি সময়ের মধ্যে ২ হাজার সেনা কমিয়ে ৩ হাজার মার্কিন সেনা রাখা হবে আফগানিস্তানে। বর্তমানে দেশটিতে সামরিক কৌশলগত ও প্রশিক্ষণ কাজে ৫ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।

তবে মার্কিন সেনা কমিয়ে আনার পর আফগানিস্তানে তালেবান ও অন্যান্য জঙ্গিগোষ্ঠীর হামলার ঘটনা বেড়ে যেতে পারে এবং সেখানকার সরকার ও মার্কিন স্বার্থ ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

হামলা বেড়ে গেলে আফগান সামরিক বাহিনীর সেগুলো এককভাবে মোকাবেলা করার সামর্থ্য নেই বলেও মনে করেন তারা।

কাবুলের গ্রিন জোনে ২৩টি রকেট হামলা, নিহত ৮

 যুগান্তর ডেস্ক 
২১ নভেম্বর ২০২০, ০৫:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কাবুলের গ্রিন জোনে ২৩টি রকেট হামলা, নিহত ৮
ছবি: আলজাজিরা

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে আবাসিক এলাকায় অন্তত ২৩টি রকেট হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে আটজনের প্রাণহানির পাশাপাশি আহত হয়েছেন ৩০ জন। 

আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হামলার ঘটনা ও হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে হামলার জন্য দায়ী কারা তা এখনও স্পষ্ট নয়। 

তালেবান এই হামলার দায়িত্ব অস্বীকার করে জানিয়েছে, জনসমাগমস্থলে হামলা করা তাদের নীতির সঙ্গে যায় না। খবর বিবিসি ও আল জাজিরার। 

তীব্র রকেট হামলার ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে কাবুলের কেন্দ্রস্থল ও পূর্বাঞ্চলে। এর পাশেই গ্রিন জোন হিসেবে পরিচিত অভিজাত ও কূটনৈতিক এলাকা অবস্থিত। 

শনিবার সকালে চালানো ওই হামলায় অনেক বাড়ি ও গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুটি কার থেকে আবাসিক এলাকা লক্ষ করে হামলা চালানো হয়। এমন একটি সময় বড় ধরনের এই হামলার ঘটনা ঘটলো যখন তালেবান-মার্কিন সরকার আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। 

কাতারের রাজধানী দোহায় তালেবান প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর আলোচনা শুরুর ঠিক আগ মুহুর্তে হামলাটি চালানো হয়। এছাড়া তালেবান, আফগানিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্র- সব পক্ষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্ত এখন। 

কয়েক মাস ধরে ত্রিপাক্ষিক শান্তি আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা কমিয়ে আনার  ঘোষণা দিয়েছেন। 

ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির মাঝমাঝি সময়ের মধ্যে ২ হাজার সেনা কমিয়ে ৩ হাজার মার্কিন সেনা রাখা হবে আফগানিস্তানে। বর্তমানে দেশটিতে সামরিক কৌশলগত ও প্রশিক্ষণ কাজে ৫ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।

তবে মার্কিন সেনা কমিয়ে আনার পর আফগানিস্তানে তালেবান ও অন্যান্য জঙ্গিগোষ্ঠীর হামলার ঘটনা বেড়ে যেতে পারে এবং সেখানকার সরকার ও মার্কিন স্বার্থ ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। 

হামলা বেড়ে গেলে আফগান সামরিক বাহিনীর সেগুলো এককভাবে মোকাবেলা করার সামর্থ্য নেই বলেও মনে করেন তারা।   
 

 
আরও খবর