গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য ইইউ এর ১১.৯ মিলিয়ন ইউরোর প্রকল্প
jugantor
গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য ইইউ এর ১১.৯ মিলিয়ন ইউরোর প্রকল্প

  ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী, পর্তুগাল থেকে  

২২ নভেম্বর ২০২০, ০৩:০৭:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

সাংবাদিকতা একটি চ্যালেঞ্জিং পেশা প্রতিনিয়তই বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয় যেমন রাজনৈতিক ,সামাজিক, ধর্মীয় তাছাড়া অর্থনৈতিক বিভিন্ন সমস্যার কারনেও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করা সম্ভব হয় না। তাছাড়া সংবাদকর্মীরা মাঝেমধ্যে দেশ এবং বিদেশের বিভিন্ন আইনি সমস্যার সম্মুখীন হন। এসকল সমস্যা সমাধান কল্পে ২০নভেম্বর/২০২০ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত প্রেস এবং মিডিয়াকর্মীদের জন্য প্রায় ৩.৯ মিলিয়ন ইউরোর গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার একটি প্রকল্প ঘোষণা করেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন কমিশনের ভ্যালু এবং ট্রান্সপারেন্সি ভাইস প্রেসিডেন্ট ভেরা জৌরভ বলেছেন, সাংবাদিকরা অনলাইনে হয়রানি থেকে শুরু করে শারীরিক হামলা, রাজনৈতিক চাপ থেকে শুরু করে চাকরির নিরাপত্তা অভাব পর্যন্ত হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন। সাংবাদিকরা বিপদে পড়লে গণতন্ত্র বিপদে পড়ে যায়। এ কারণেই আমরা এপ্রকল্পগুলোতে তহবিল দিচ্ছি যা আইনী এবং ব্যবহারিক সহায়তার পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত তদন্তমূলক সংবাদ সংগ্রহের জন্য অনুদান সহ-সাংবাদিকদের সরাসরি সহায়তা করবে।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন কমিশনের আন্ত: বাজার সংক্রান্ত কমিশনার থিইরী ব্রেটন বলেছেন, আমি এই প্রকল্পকে স্বাগত জানাই যা সাম্প্রতিক সামাজিক বিষয়ে সাংবাদিকদের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় সহযোগিতা করার পাশাপাশি তাদের দক্ষতা এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞান বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

তাছাড়া ইতিপূর্বে ৭ মিলিয়ন ইউরোর দশটি প্রকল্প চালু রয়েছে দুইটি প্রকল্প ২০১৯ সালে শুরু হয়েছিল এবং বর্তমানে চলমান আছে এবং অবশিষ্ট প্রকল্প গুলো ২০২০ সালে হাতে নেয়া হয়েছে এগুলো হচ্ছে, প্রেস এবং মিডিয়ার স্বাধীনতা লঙ্ঘনের জন্য ইউরোপের একটি ব্যাপক প্রতিক্রিয়া কৌশল, আন্তঃসীমান্ত অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার তহবিল, ভবিষ্যতের অনুসন্ধানী স্টোরি ল্যাব, নির্ভরযোগ্য উৎস গুলি পুরস্কৃত করে গুণগত গণমাধ্যম গড়ে তোলা, ইউরোপীয় চতুর্থ শক্তি তৈরি - অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এবং ফেক নিউজ এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার মাধ্যমে গণতন্ত্র রক্ষা করা, মিডিয়া এবং সোসাইটির ক্ষমতায়নের জন্য শ্রোতা সমর্থিত সহযোগিতা বাড়ানো, অদৃশ্য বস্তু কে প্রকাশ করার জন্য- সাংবাদিক এবং অন্যান্য মিডিয়া কর্মীদের নিরাপদ ক্রস বর্ডার, ক্রস ডিসিপ্লিন একীভূত করন অনলাইন এবং অফলাইন তদন্তে, ডিজিটাল যুগে গনমাধ্যমের বহুতত্ব নজরদারি, গণমাধ্যমের ক্রমবর্দ্ধমান নতুনত্বের গতি বাড়ানো এবং ক্রস বর্ডার পরিধি বাড়ানো।

এছাড়াও আরও চারটি প্রকল্পের প্রস্তাবনা রয়েছে যা আগামী ৩০শে নভেম্বর ২০২০ এবং আগামী ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে আহ্বান করা হবে।

গণমাধ্যমের ভূমিকা খুব ছোট করে বলা অসম্ভব কেননা গণমাধ্যম গণমানুষের সাথে সমাজ ,রাষ্ট্র এবং বিশ্বের সঙ্গেসামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় বলতে গেলে পরিপূর্ণ জীবন যাপনের জন্য এক অপরিহার্য অতি গুরুত্বপূর্ণ মেল বন্ধন তৈরি এবং সমন্বয় সাধন করে। সুতরাং গণমাধ্যমের স্বকীয়তা ,স্বাধীনতা এবং স্বার্থরক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই বরাবরই ইউরোপীয় ইউনিয়ন এদিকে বিশেষ নজর রাখছেন।

গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য ইইউ এর ১১.৯ মিলিয়ন ইউরোর প্রকল্প

 ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী, পর্তুগাল থেকে 
২২ নভেম্বর ২০২০, ০৩:০৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সাংবাদিকতা একটি চ্যালেঞ্জিং পেশা প্রতিনিয়তই বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয় যেমন রাজনৈতিক ,সামাজিক, ধর্মীয় তাছাড়া অর্থনৈতিক বিভিন্ন সমস্যার কারনেও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করা সম্ভব হয় না। তাছাড়া সংবাদকর্মীরা মাঝেমধ্যে দেশ এবং বিদেশের বিভিন্ন আইনি সমস্যার সম্মুখীন হন। এসকল সমস্যা সমাধান কল্পে ২০ নভেম্বর/২০২০ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত প্রেস এবং মিডিয়াকর্মীদের জন্য প্রায় ৩.৯ মিলিয়ন ইউরোর গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার একটি প্রকল্প ঘোষণা করেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন কমিশনের ভ্যালু এবং ট্রান্সপারেন্সি ভাইস প্রেসিডেন্ট ভেরা জৌরভ বলেছেন, সাংবাদিকরা অনলাইনে হয়রানি থেকে শুরু করে শারীরিক হামলা, রাজনৈতিক চাপ থেকে শুরু করে চাকরির নিরাপত্তা অভাব পর্যন্ত হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন। সাংবাদিকরা বিপদে পড়লে গণতন্ত্র বিপদে পড়ে যায়। এ কারণেই আমরা এ প্রকল্পগুলোতে তহবিল দিচ্ছি যা আইনী এবং ব্যবহারিক সহায়তার পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত তদন্তমূলক সংবাদ সংগ্রহের জন্য অনুদান সহ-সাংবাদিকদের সরাসরি সহায়তা করবে।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন কমিশনের আন্ত: বাজার সংক্রান্ত কমিশনার থিইরী ব্রেটন বলেছেন, আমি এই প্রকল্পকে স্বাগত জানাই যা সাম্প্রতিক সামাজিক বিষয়ে সাংবাদিকদের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় সহযোগিতা করার পাশাপাশি তাদের দক্ষতা এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞান বৃদ্ধিতে  সহায়তা করবে। 

তাছাড়া ইতিপূর্বে ৭ মিলিয়ন ইউরোর দশটি প্রকল্প চালু রয়েছে  দুইটি প্রকল্প ২০১৯ সালে শুরু হয়েছিল এবং বর্তমানে চলমান আছে এবং অবশিষ্ট প্রকল্প গুলো ২০২০ সালে হাতে নেয়া হয়েছে এগুলো হচ্ছে, প্রেস এবং মিডিয়ার স্বাধীনতা লঙ্ঘনের জন্য ইউরোপের একটি ব্যাপক প্রতিক্রিয়া কৌশল, আন্তঃসীমান্ত অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার তহবিল, ভবিষ্যতের অনুসন্ধানী স্টোরি ল্যাব, নির্ভরযোগ্য উৎস গুলি পুরস্কৃত করে গুণগত গণমাধ্যম গড়ে তোলা, ইউরোপীয় চতুর্থ শক্তি তৈরি - অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এবং ফেক নিউজ এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার মাধ্যমে গণতন্ত্র রক্ষা করা, মিডিয়া এবং সোসাইটির ক্ষমতায়নের জন্য শ্রোতা সমর্থিত সহযোগিতা বাড়ানো, অদৃশ্য বস্তু কে প্রকাশ করার জন্য- সাংবাদিক এবং অন্যান্য মিডিয়া কর্মীদের নিরাপদ ক্রস বর্ডার, ক্রস ডিসিপ্লিন একীভূত করন অনলাইন এবং অফলাইন তদন্তে, ডিজিটাল যুগে গনমাধ্যমের বহুতত্ব নজরদারি, গণমাধ্যমের ক্রমবর্দ্ধমান নতুনত্বের গতি বাড়ানো এবং ক্রস বর্ডার পরিধি বাড়ানো।

এছাড়াও আরও চারটি প্রকল্পের প্রস্তাবনা রয়েছে যা আগামী ৩০শে নভেম্বর ২০২০ এবং আগামী ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে আহ্বান করা হবে। 

গণমাধ্যমের ভূমিকা খুব ছোট করে বলা অসম্ভব কেননা গণমাধ্যম গণমানুষের সাথে সমাজ ,রাষ্ট্র এবং বিশ্বের সঙ্গে সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় বলতে গেলে পরিপূর্ণ জীবন যাপনের জন্য এক অপরিহার্য অতি গুরুত্বপূর্ণ মেল বন্ধন তৈরি এবং সমন্বয় সাধন করে। সুতরাং গণমাধ্যমের স্বকীয়তা ,স্বাধীনতা এবং স্বার্থরক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই বরাবরই ইউরোপীয় ইউনিয়ন এদিকে বিশেষ নজর রাখছেন।