আর্কটিক সার্কেলের প্রাকৃতিক স্বর্গে প্রথম ক্ষুদে বাংলাদেশি
jugantor
আর্কটিক সার্কেলের প্রাকৃতিক স্বর্গে প্রথম ক্ষুদে বাংলাদেশি

  আবদুল্লাহ ইকবাল, হেলসিংকি থেকে  

২৪ নভেম্বর ২০২০, ২২:০২:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

পৃথিবীর উত্তর মেরু-বলয়ে বাংলাদেশের এক ক্ষুদে পর্যটক পা রেখেছেন। অঞ্চলটিকে আর্কটিক সার্কেল বলে। ফাযায়েল ইকবাল আরাফ রহমান মাত্র সাত মাস বয়সে মা-বাবার সঙ্গে আরর্টিক সার্কেলে পা রাখে।

প্রথম ক্ষুদে বাংলাদেশি হিসেবে আরাফ রহমান গত ২০ নভেম্বরে পরিবারের সঙ্গে পাড়ি জমায় ফিনল্যান্ডের রোভানিয়েমির সাড়ে ৬৬ ডিগ্রি অবস্থানের আর্কটিক সার্কেলে। এ সময় কর্তৃপক্ষ তাকে একটি সার্টিফিকেট প্রদান করে।

ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকি থেকে প্রায় সাড়ে আটশ কিলোমিটার দূরে এটির অবস্থান। সুপার ফাস্ট ট্রেনে যেতে প্রায় আট ঘণ্টা সময় লাগে। এছাড়া আকাশ পথেও যাওয়া যায়।

পৃথিবীকে ঘিরে কল্পিত বৃত্তাকার সাড়ে ৬৬ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশের (সুমেরু বৃত্ত) পর থেকে উত্তর মেরু পর্যন্ত অঞ্চলটিকে বলা হয় আর্কটিক সার্কেল। বছরে স্বল্প সময় সূর্যের আলো পড়া, এক নৈসর্গিক জগত। আর্কটিক সার্কেলের আয়তন প্রায় ২০,০০০,০০০ বর্গ কি.মি. (৭৭,০০,০০০ বর্গমাইল) এবং পৃথিবীর পৃষ্ঠতলের প্রায় ৪%।

আর্কটিক সার্কেলে গ্রীষ্মকালে কিছুদিন সূর্য অস্ত যায় না, যাকে পোলার ডে বলে। আবার শীতকালে কিছুদিন সূর্য উদয় হয় না যাকে পোলার নাইট বলে। সুমেরু বৃত্তের উত্তরের সব স্থানে বছরে অন্তত একটি এমন সময় আসে যখন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সূর্য একবারও অস্ত যায় না। আবার আরেকটা সময় আসে যখন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সূর্য একবারও উদিত হয় না।

আর্কটিক সার্কেল অঞ্চলটি আর্কটিক ওসান, রাশিয়া, নরওয়ে, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, গ্রিনল্যান্ড, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা প্রভৃতি দেশের উত্তরের অংশ নিয়ে গঠিত। এলাকাগুলি বছরের বেশিরভাগ সময়ে বরফাবৃত থাকে। স্থলভাগের বিশাল বিশাল হিমশৈল এবং আর্কটিক ওসান বা উত্তর মহাসাগরে ভাসমান দানবাকৃতি বরফের চাই যেন এই অঞ্চলের প্রধান বাসিন্দা।

আর্কটিক সার্কেলের প্রাকৃতিক স্বর্গে প্রথম ক্ষুদে বাংলাদেশি

 আবদুল্লাহ ইকবাল, হেলসিংকি থেকে 
২৪ নভেম্বর ২০২০, ১০:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পৃথিবীর উত্তর মেরু-বলয়ে বাংলাদেশের এক ক্ষুদে পর্যটক পা রেখেছেন। অঞ্চলটিকে আর্কটিক সার্কেল বলে। ফাযায়েল ইকবাল আরাফ রহমান মাত্র সাত মাস বয়সে মা-বাবার সঙ্গে আরর্টিক সার্কেলে পা রাখে।

প্রথম ক্ষুদে বাংলাদেশি হিসেবে আরাফ রহমান গত ২০ নভেম্বরে পরিবারের সঙ্গে পাড়ি জমায় ফিনল্যান্ডের রোভানিয়েমির সাড়ে ৬৬ ডিগ্রি অবস্থানের আর্কটিক সার্কেলে। এ সময় কর্তৃপক্ষ তাকে একটি সার্টিফিকেট প্রদান করে।

ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকি থেকে প্রায় সাড়ে আটশ কিলোমিটার দূরে এটির অবস্থান। সুপার ফাস্ট ট্রেনে যেতে প্রায় আট ঘণ্টা সময় লাগে। এছাড়া আকাশ পথেও যাওয়া যায়।

পৃথিবীকে ঘিরে কল্পিত বৃত্তাকার সাড়ে ৬৬ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশের (সুমেরু বৃত্ত) পর থেকে উত্তর মেরু পর্যন্ত অঞ্চলটিকে বলা হয় আর্কটিক সার্কেল। বছরে স্বল্প সময় সূর্যের আলো পড়া, এক নৈসর্গিক জগত। আর্কটিক সার্কেলের আয়তন প্রায় ২০,০০০,০০০ বর্গ কি.মি. (৭৭,০০,০০০ বর্গমাইল) এবং পৃথিবীর পৃষ্ঠতলের প্রায় ৪%।

আর্কটিক সার্কেলে গ্রীষ্মকালে কিছুদিন সূর্য অস্ত যায় না, যাকে পোলার ডে বলে। আবার শীতকালে কিছুদিন সূর্য উদয় হয় না যাকে পোলার নাইট বলে। সুমেরু বৃত্তের উত্তরের সব স্থানে বছরে অন্তত একটি এমন সময় আসে যখন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সূর্য একবারও অস্ত যায় না। আবার আরেকটা সময় আসে যখন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সূর্য একবারও উদিত হয় না।

আর্কটিক সার্কেল অঞ্চলটি আর্কটিক ওসান, রাশিয়া, নরওয়ে, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, গ্রিনল্যান্ড, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা প্রভৃতি দেশের উত্তরের অংশ নিয়ে গঠিত। এলাকাগুলি বছরের বেশিরভাগ সময়ে বরফাবৃত থাকে। স্থলভাগের বিশাল বিশাল হিমশৈল এবং আর্কটিক ওসান বা উত্তর মহাসাগরে ভাসমান দানবাকৃতি বরফের চাই যেন এই অঞ্চলের প্রধান বাসিন্দা।