‘কানাডায় আর কোনো বেগমপাড়া হতে দেয়া হবে না’
jugantor
‘কানাডায় আর কোনো বেগমপাড়া হতে দেয়া হবে না’

  রাজীব আহসান, কানাডা থেকে  

২৬ নভেম্বর ২০২০, ২২:১১:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

"রুখো লুটেরা, বাঁচাও স্বদেশ" এই স্লোগান নিয়ে কানাডার ক্যালগেরির প্রবাসী বাঙালিরা বাংলাদেশের দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে এক ভার্চুয়াল আলোচনার আয়োজন করে।

প্রবাস বাংলা ভয়েসের প্রধান সম্পাদক সাংবাদিক আহসান রাজীব বুলবুলের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন- বাংলাদেশ কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সভাপতি মো. রশিদ রিপন, প্রকৌশলী মোহাম্মদ কাদির, প্রকৌশলী আবদুল্লা রফিক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কিরণ বণিক শংকর এবং সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষক মো. মাহমুদ হাসান।

ভার্চুয়াল আলোচনায় বক্তারা বলেন, কানাডাকে বাংলাদেশের লুটেরা ও অর্থপাচারকারীদের অভয়ারণ্য হতে দেয়া হবে না। এ আন্দোলন কোনো প্রতিহিংসা থেকে নয়, ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়- এ আন্দোলন আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে।

কানাডা-বাংলাদেশের বন্ধুত্ব দীর্ঘদিনের। সভ্যরাষ্ট্র হিসেবে কানাডা সরকার ও প্রশাসনকে অভিযুক্ত ব্যাংক ডাকাতদের বিষয়ে খতিয়ে দেখতে হবে, সিদ্ধান্ত নিতে হবে। টরন্টোর মতো কানাডার অন্য কোথাও আর কোনো বেগমপাড়া হতে দেয়া হবে না।

বাংলাদেশ-কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সভাপতি মো. রশিদ রিপন বলেন, প্রিয় মাতৃভূমি থেকে এভাবে অর্থপাচার করে আর কোনো বেগমপাড়ায় বাড়ি করতে দেয়া হবে না। অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার, তাদের দ্রুত শাস্তি দাবি করছি।

প্রকৌশলী মো. কাদির বলেন, বাংলাদেশের মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রকৌশলী আবদুল্লা রফিক বলেন, অর্থপাচারের অভিযোগে অভিযুক্তদের অবৈধ অর্থ জব্দসহ অবিলম্বে নিজ দেশে টাকা ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ ও কানাডা সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

ব্যবসায়ী কিরণ বণিক শংকর বলেন, বাংলাদেশের দুর্নীতিবাজ রাজনৈতিক নেতা, আমলা ও সরকারি কর্মকর্তাদের কালো টাকায় বিনিয়োগের অভয়ারণ্য টরন্টোর বেগমপাড়ার মতো অন্য কোনো শহরে আর কোনো বেগমপাড়ার সৃষ্টি হতে দেব না। ক্যালগেরিতে আমরা সবাই এ ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ এবং যেকোনো মূল্যে তা প্রতিহত করা হবে।

উন্নয়ন গবেষক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষক মো. মাহমুদ হাসান বলেন, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দুর্নীতি আর দুর্বৃত্তায়নের মাধ্যমে অসৎ আমলা, লুটেরা ব্যবসায়ী, আর অতি লোভী রাজনীতিকরা জনগণের অর্থ-সম্পদ লুটপাট করে কানাডা, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছে; অন্যদিকে উন্নয়নের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন দেশের সাধারণ মানুষ। আমরা এ সমস্ত লুটেরা অর্থ পাচারকারীদের শাস্তি দাবি করছি।

উল্লেখ্য, ভার্চুয়াল আলোচনায় বক্তারা খুব শিগগিরই তাদের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান।

‘কানাডায় আর কোনো বেগমপাড়া হতে দেয়া হবে না’

 রাজীব আহসান, কানাডা থেকে 
২৬ নভেম্বর ২০২০, ১০:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

"রুখো লুটেরা, বাঁচাও স্বদেশ" এই স্লোগান নিয়ে কানাডার ক্যালগেরির প্রবাসী বাঙালিরা বাংলাদেশের দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে এক ভার্চুয়াল আলোচনার আয়োজন করে।

প্রবাস বাংলা ভয়েসের প্রধান সম্পাদক সাংবাদিক আহসান রাজীব বুলবুলের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন- বাংলাদেশ কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সভাপতি মো. রশিদ রিপন, প্রকৌশলী মোহাম্মদ কাদির, প্রকৌশলী আবদুল্লা রফিক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কিরণ বণিক শংকর এবং সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষক মো. মাহমুদ হাসান।

ভার্চুয়াল আলোচনায় বক্তারা বলেন, কানাডাকে বাংলাদেশের লুটেরা ও অর্থপাচারকারীদের অভয়ারণ্য হতে দেয়া হবে না। এ আন্দোলন কোনো প্রতিহিংসা থেকে নয়, ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়- এ আন্দোলন আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে। 

কানাডা-বাংলাদেশের বন্ধুত্ব দীর্ঘদিনের। সভ্যরাষ্ট্র হিসেবে কানাডা সরকার ও প্রশাসনকে অভিযুক্ত ব্যাংক ডাকাতদের বিষয়ে খতিয়ে দেখতে হবে, সিদ্ধান্ত নিতে হবে। টরন্টোর মতো কানাডার অন্য কোথাও আর কোনো বেগমপাড়া হতে দেয়া হবে না।

বাংলাদেশ-কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সভাপতি মো. রশিদ রিপন বলেন, প্রিয় মাতৃভূমি থেকে এভাবে অর্থপাচার করে আর কোনো বেগমপাড়ায় বাড়ি করতে দেয়া হবে না। অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার, তাদের দ্রুত শাস্তি দাবি করছি।

প্রকৌশলী মো. কাদির বলেন, বাংলাদেশের মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রকৌশলী আবদুল্লা রফিক বলেন, অর্থপাচারের অভিযোগে অভিযুক্তদের অবৈধ অর্থ জব্দসহ অবিলম্বে নিজ দেশে টাকা ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ ও কানাডা সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

ব্যবসায়ী কিরণ বণিক শংকর বলেন, বাংলাদেশের দুর্নীতিবাজ রাজনৈতিক নেতা, আমলা ও সরকারি কর্মকর্তাদের কালো টাকায় বিনিয়োগের অভয়ারণ্য টরন্টোর বেগমপাড়ার মতো অন্য কোনো শহরে আর কোনো বেগমপাড়ার সৃষ্টি হতে দেব না। ক্যালগেরিতে আমরা সবাই এ ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ এবং যেকোনো মূল্যে তা প্রতিহত করা হবে। 

উন্নয়ন গবেষক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষক মো. মাহমুদ হাসান বলেন, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দুর্নীতি আর দুর্বৃত্তায়নের মাধ্যমে অসৎ আমলা, লুটেরা ব্যবসায়ী, আর অতি লোভী রাজনীতিকরা জনগণের অর্থ-সম্পদ লুটপাট করে কানাডা, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছে; অন্যদিকে উন্নয়নের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন দেশের সাধারণ মানুষ। আমরা এ সমস্ত লুটেরা অর্থ পাচারকারীদের শাস্তি দাবি করছি।

উল্লেখ্য, ভার্চুয়াল আলোচনায় বক্তারা খুব শিগগিরই তাদের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান।