ইসরাইলি সেনাবাহিনীর তৈরি অস্ত্রে হত্যা করা হয় ফাখরিজাদেহকে
jugantor
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর তৈরি অস্ত্রে হত্যা করা হয় ফাখরিজাদেহকে

  অনলাইন ডেস্ক  

৩০ নভেম্বর ২০২০, ১৭:৫৬:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

মোহসেন ফাখরিজাদেহ

ইসরাইলের সেনাবাহিনীর তৈরি করা অস্ত্র দিয়েই হত্যা করা হয়েছে ইরানের বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী মোহসেন ফাখরিজাদেহকে। সোমবার ইরানের প্রেস টিভির উদ্ধৃতি দিয়ে এ কথা জানিয়েছে ইয়েনি শাফাক।

গত সপ্তাহে খ্যাতনামা এ বিজ্ঞানীকে হত্যার বিষয়ে একটি সূত্রের বরাতে প্রেস টিভি বলেছে, যেখানে ফাখরিজাদেহকে সন্ত্রাসী হামলায় হত্যা করা হয়েছে, সেখান থেকে অস্ত্রটি সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে ইসরাইলি মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিজের লোগো ছিল।

এদিন ইসরাইলি গোয়েন্দামন্ত্রী এলি কোহেন রেডিও স্টেশন ১০৩ এফএমকে বলেছেন, তিনি জানেন না এই ঘটনার দায়িত্ব কার।

শুক্রবার পরমাণু বিজ্ঞানী ফাখরিজাদেহকে রাজধানী তেহরানের কাছে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা হত্যা করে। এ পরমাণু বিজ্ঞানিকে হত্যার পরই পাল্টা প্রতিশোধ নেয়ার ঘোষণা দেয় ইরান।

হত্যাকাণ্ডের পর ইরানের সামরিক বাহিনী বলেছে, বজ্রের মতো আঘাত হেনে প্রতিশোধ নেয়া হবে।

প্রতিশোধের দাবিতে তেহরানের রাস্তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা বিক্ষোভও করেছে। একজন বিক্ষোভকারী সেখানে বলেছেন, আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার ক্ষমতার শেষ দুই মাসে একটা 'যুদ্ধের পরিস্থিতি' তৈরি করতে চাইছেন।

প্রতিশোধের বিষয়ে অনেক হিসাব-নিকাশ করে এগুচ্ছেন ইরানি প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেছেন, প্রতিশোধ নেয়া হবে ঠিকই, কিন্তু হয়তো এক্ষুণি তা হবে না।

ইসরাইলকে ইঙ্গিত করে ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরান যথাসময়ে ব্যবস্থা নেবে, ফাঁদে পা দেবে না। তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়, কিন্তু আমরা তাদের হাতে কি তাস আছে তা বুঝে ফেলেছি। তারা সফল হবে না। কারণ ইরান জানে, পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইরানের সঙ্গে সংঘাত নয় বরং সংলাপ চান।

ইসরাইলি সেনাবাহিনীর তৈরি অস্ত্রে হত্যা করা হয় ফাখরিজাদেহকে

 অনলাইন ডেস্ক 
৩০ নভেম্বর ২০২০, ০৫:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মোহসেন ফাখরিজাদেহ
মোহসেন ফাখরিজাদেহ।ফাইল ছবি

ইসরাইলের সেনাবাহিনীর তৈরি করা অস্ত্র দিয়েই হত্যা করা হয়েছে ইরানের বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী মোহসেন ফাখরিজাদেহকে। সোমবার ইরানের প্রেস টিভির উদ্ধৃতি দিয়ে এ কথা জানিয়েছে ইয়েনি শাফাক।  

গত সপ্তাহে খ্যাতনামা এ বিজ্ঞানীকে হত্যার বিষয়ে একটি সূত্রের বরাতে প্রেস টিভি বলেছে, যেখানে ফাখরিজাদেহকে সন্ত্রাসী হামলায় হত্যা করা হয়েছে, সেখান থেকে অস্ত্রটি সংগ্রহ করা হয়েছে।  এতে ইসরাইলি মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিজের লোগো ছিল।

এদিন ইসরাইলি গোয়েন্দামন্ত্রী এলি কোহেন রেডিও স্টেশন ১০৩ এফএমকে বলেছেন, তিনি জানেন না এই ঘটনার দায়িত্ব কার। 

শুক্রবার পরমাণু বিজ্ঞানী ফাখরিজাদেহকে রাজধানী তেহরানের কাছে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা হত্যা করে। এ পরমাণু বিজ্ঞানিকে হত্যার পরই পাল্টা প্রতিশোধ নেয়ার ঘোষণা দেয় ইরান।

হত্যাকাণ্ডের পর ইরানের সামরিক বাহিনী বলেছে, বজ্রের মতো আঘাত হেনে প্রতিশোধ নেয়া হবে।

প্রতিশোধের দাবিতে তেহরানের রাস্তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা বিক্ষোভও করেছে। একজন বিক্ষোভকারী সেখানে বলেছেন, আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার ক্ষমতার শেষ দুই মাসে একটা 'যুদ্ধের পরিস্থিতি' তৈরি করতে চাইছেন।

প্রতিশোধের বিষয়ে অনেক হিসাব-নিকাশ করে এগুচ্ছেন ইরানি প্রেসিডেন্ট।  তিনি বলেছেন, প্রতিশোধ নেয়া হবে ঠিকই, কিন্তু হয়তো এক্ষুণি তা হবে না।

ইসরাইলকে ইঙ্গিত করে ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরান যথাসময়ে ব্যবস্থা নেবে, ফাঁদে পা দেবে না। তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়, কিন্তু আমরা তাদের হাতে কি তাস আছে তা বুঝে ফেলেছি। তারা সফল হবে না। কারণ ইরান জানে, পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইরানের সঙ্গে সংঘাত নয় বরং সংলাপ চান। 

 

ঘটনাপ্রবাহ : ইরানের পরমাণু বিজ্ঞানীকে হত্যা