সরীসৃপ ও ছোট প্রাণীদের পারাপারে ‘ইকো সেতু’
jugantor
সরীসৃপ ও ছোট প্রাণীদের পারাপারে ‘ইকো সেতু’

  যুগান্তর ডেস্ক  

০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৯:১৬:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

সরীসৃপ ও ছোট প্রাণীদের পারাপারে ‘ইকো সেতু’

সরীসৃপ ও ছোট প্রাণীদের পারাপারের জন্য সেতু বানাচ্ছে ভারতের পর্বতময় উত্তরাখণ্ড রাজ্যের বন কর্মকর্তারা। বনের ভিতর দিয়ে যাওয়া ব্যস্ত মহাসড়ক পারাপারে প্রাণীদের জন্য ব্যবহৃত হবে সেতুটি।

বাঁশ, পাট ও ঘাস দিয়ে তৈরি ৯০ ফুট দৈর্ঘ্যের ‘ইকো সেতু’টি বিশ্বে প্রথম সেতু বলে দাবি করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম।

উত্তরাখণ্ডের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র নৈনিতালে যাওয়ার পথে পড়েছে ব্যস্ত মহাসড়কটিতে দ্রুতগামী গাড়ির নিচে চাপা পড়ে বহু প্রাণী মারা যায়। তাদের রক্ষা করতে সেতু নির্মাণ করা হয়েছে।

সেতুটির দিকে প্রাণীদের আকর্ষিত করতে কর্মকর্তারা এখন লতা ও ঘাস লাগাচ্ছেন বলে বিবিসি জানিয়েছে।

প্রাণীদের চলাফেরা নিরীক্ষণ করার জন্য কর্মকর্তারা সেতুটির উভয়পাশে ক্যামেরা বসিয়েছেন বলে জানিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের বন কর্মকর্তা চন্দ্র শেখর জোশি।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে একজন বন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘এটি একটি গভীর বন। হাতি, চিতা বাঘ, হরিণ, বনগরুর মতো প্রাণীও এই এলাকা দিয়ে চলাচল করে। দূর থেকেই চালকরা তাদের দেখতে পায় আর গাড়ির গতি কমাতে বা গাড়ি থামিয়ে দিতে পারে, কিন্তু তারা খুব কমই সাপ, গিরগিটি, গুইসাপ বা কাঠবিড়ালির জন্য এমনটি করে।

সরীসৃপ ও ছোট প্রাণীদের পারাপারে ‘ইকো সেতু’

 যুগান্তর ডেস্ক 
০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সরীসৃপ ও ছোট প্রাণীদের পারাপারে ‘ইকো সেতু’
ছবি: সংগৃহীত

সরীসৃপ ও ছোট প্রাণীদের পারাপারের জন্য সেতু বানাচ্ছে ভারতের পর্বতময় উত্তরাখণ্ড রাজ্যের বন কর্মকর্তারা। বনের ভিতর দিয়ে যাওয়া ব্যস্ত মহাসড়ক পারাপারে প্রাণীদের জন্য ব্যবহৃত হবে সেতুটি। 

বাঁশ, পাট ও ঘাস দিয়ে তৈরি ৯০ ফুট দৈর্ঘ্যের ‘ইকো সেতু’টি বিশ্বে প্রথম সেতু বলে দাবি করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম।

উত্তরাখণ্ডের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র নৈনিতালে যাওয়ার পথে পড়েছে ব্যস্ত মহাসড়কটিতে দ্রুতগামী গাড়ির নিচে চাপা পড়ে বহু প্রাণী মারা যায়। তাদের রক্ষা করতে সেতু নির্মাণ করা হয়েছে।  

সেতুটির দিকে প্রাণীদের আকর্ষিত করতে কর্মকর্তারা এখন লতা ও ঘাস লাগাচ্ছেন বলে বিবিসি জানিয়েছে। 

প্রাণীদের চলাফেরা নিরীক্ষণ করার জন্য কর্মকর্তারা সেতুটির উভয়পাশে ক্যামেরা বসিয়েছেন বলে জানিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের বন কর্মকর্তা চন্দ্র শেখর জোশি। 

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে একজন বন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘এটি একটি গভীর বন। হাতি, চিতা বাঘ, হরিণ, বনগরুর মতো প্রাণীও এই এলাকা দিয়ে চলাচল করে। দূর থেকেই চালকরা তাদের দেখতে পায় আর গাড়ির গতি কমাতে বা গাড়ি থামিয়ে দিতে পারে, কিন্তু তারা খুব কমই সাপ, গিরগিটি, গুইসাপ বা কাঠবিড়ালির জন্য এমনটি করে।