করোনার টিকা বিনামূল্যে পাবেন পর্তুগালের নাগরিকরা
jugantor
করোনার টিকা বিনামূল্যে পাবেন পর্তুগালের নাগরিকরা

  ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী, পর্তুগাল থেকে  

০২ ডিসেম্বর ২০২০, ২০:৪৭:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাভাইরাসের সেকেন্ড ওয়েবে ইউরোপের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। কোনো কোনো দেশে প্রথম সংক্রমণ শুরুর অবস্থার চেয়েও দ্বিতীয় ধাপে পরিস্থিতি সংকটজনক হয়ে পড়েছে। পর্তুগালেও একই অবস্থা বিরাজ করছে; প্রথম ধাপের চেয়ে দ্বিতীয় ধাপের সংক্রমণ ব্যাপক।

তবে ইউরোপ ইতোমধ্যে করোনা ভ্যাকসিনের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে দিয়েছে এবং প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের জন্য জনসংখ্যা অনুযায়ী টিকা বণ্টন চূড়ান্ত করেছে।

সেই অনুযায়ী পর্তুগাল ২ কোটি ২০ লাখ করোনা টিকা পাচ্ছে।

পর্তুগাল যেসব কোম্পানি থেকে করোনার টিকা পাচ্ছে সেগুলো হল- ফাইজার থেকে ৪৫ লাখ ডোজ, অ্যাসট্রা জেনেকা থেকে ৬৯ লাখ ডোজ , জনসন অ্যান্ড জনসন থেকে পাচ্ছে ৪৫ লাখ ডোজ, কিউরভেক থেকে ৪০ লাখ ডোজ এবং মডেরনা থেকে ১৯ লাখ ডোজ।

ইতোমধ্যে তিনটি কোম্পানির ভ্যাকসিন ইউরোপিয়ান মেডিসিন এজেন্সি পর্যবেক্ষণের মাঝে রেখেছে। সেগুলো হচ্ছে- ফাইজার, আ্যসট্রা জেনেকা এবং মডেরনা; তবে এগিয়ে আছে ফাইজার এবং মডেরনা; যা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে অনুমোদন হতে পারে।

করোনার টিকা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হবে; তবে প্রথম ধাপে বয়স্ক, সেবা প্রদানকারী ব্যক্তি, স্বাস্থ্যকর্মী এবং দেশের নিরাপত্তায় নিয়োজিত কর্মীদের প্রদান করা হবে। দেশের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসেবার তত্ত্বাবধানে প্রতিটি অঞ্চলের স্থানীয় সরকারের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র হতে টিকাদান হবে।

২৯ নভেম্বর কাউন্সিল অব স্টেট অব পর্তুগালের মেম্বার লুইস মার্কেস মেন্ডিস বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের শেষদিকে খুবই সামান্য পরিমাণে ভ্যাকসিন পর্তুগালে এলেও অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যার জন্য আমরা জানুয়ারি মাসকে‌ই লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে ধরে নিয়েছি।

পুরো বিশ্বের মতোই পর্তুগালের অর্থনীতি, মানুষের জীবনযাত্রা তথাপি মানসিক অবস্থা খুবই বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে উত্তরণের জন্য পর্তুগাল তথা পুরো বিশ্বের একটি কার্যকর ভ্যাকসিন প্রয়োজন। তবে প্রতিটি দেশই তাদের সাধ্যমতো ভ্যাকসিন সংগ্রহের প্রক্রিয়া বজায় রেখেছে। এমতাবস্থায় লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সমন্বিতভাবে পর্তুগালের ভ্যাকসিন পরিকল্পনাটি এ পর্যন্ত কার্যকর বলে ধরে নেয়া যাচ্ছে। পর্তুগাল জানুয়ারি মাস থেকে কার্যকরভাবে ভ্যাকসিন প্রদান শুরু করতে পারবে।

করোনার টিকা বিনামূল্যে পাবেন পর্তুগালের নাগরিকরা

 ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী, পর্তুগাল থেকে 
০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাভাইরাসের সেকেন্ড ওয়েবে ইউরোপের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। কোনো কোনো দেশে প্রথম সংক্রমণ শুরুর অবস্থার চেয়েও দ্বিতীয় ধাপে পরিস্থিতি সংকটজনক হয়ে পড়েছে। পর্তুগালেও একই অবস্থা বিরাজ করছে; প্রথম ধাপের চেয়ে দ্বিতীয় ধাপের সংক্রমণ ব্যাপক।

তবে ইউরোপ ইতোমধ্যে করোনা ভ্যাকসিনের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে দিয়েছে এবং প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের জন্য জনসংখ্যা অনুযায়ী টিকা বণ্টন চূড়ান্ত করেছে। 

সেই অনুযায়ী পর্তুগাল ২ কোটি ২০ লাখ করোনা টিকা পাচ্ছে।

পর্তুগাল যেসব কোম্পানি থেকে করোনার টিকা পাচ্ছে সেগুলো হল- ফাইজার থেকে ৪৫ লাখ ডোজ, অ্যাসট্রা জেনেকা থেকে ৬৯ লাখ ডোজ , জনসন অ্যান্ড জনসন থেকে পাচ্ছে ৪৫ লাখ ডোজ, কিউরভেক থেকে ৪০ লাখ ডোজ এবং মডেরনা থেকে ১৯ লাখ ডোজ। 

ইতোমধ্যে তিনটি কোম্পানির ভ্যাকসিন ইউরোপিয়ান মেডিসিন এজেন্সি পর্যবেক্ষণের মাঝে রেখেছে। সেগুলো হচ্ছে- ফাইজার, আ্যসট্রা জেনেকা এবং মডেরনা; তবে এগিয়ে আছে ফাইজার এবং মডেরনা; যা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে অনুমোদন হতে পারে। 

করোনার টিকা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হবে; তবে প্রথম ধাপে বয়স্ক, সেবা প্রদানকারী ব্যক্তি, স্বাস্থ্যকর্মী এবং দেশের নিরাপত্তায় নিয়োজিত কর্মীদের প্রদান করা হবে। দেশের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসেবার তত্ত্বাবধানে প্রতিটি অঞ্চলের স্থানীয় সরকারের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র হতে টিকাদান হবে।

২৯ নভেম্বর কাউন্সিল অব স্টেট অব পর্তুগালের মেম্বার লুইস মার্কেস মেন্ডিস বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের শেষদিকে খুবই সামান্য পরিমাণে ভ্যাকসিন পর্তুগালে এলেও অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যার জন্য আমরা জানুয়ারি মাসকে‌ই লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে ধরে নিয়েছি।

পুরো বিশ্বের মতোই পর্তুগালের অর্থনীতি, মানুষের জীবনযাত্রা তথাপি মানসিক অবস্থা খুবই বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে উত্তরণের জন্য পর্তুগাল তথা পুরো বিশ্বের একটি কার্যকর ভ্যাকসিন প্রয়োজন। তবে প্রতিটি দেশই তাদের সাধ্যমতো ভ্যাকসিন সংগ্রহের প্রক্রিয়া বজায় রেখেছে। এমতাবস্থায় লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সমন্বিতভাবে পর্তুগালের ভ্যাকসিন পরিকল্পনাটি এ পর্যন্ত কার্যকর বলে ধরে নেয়া যাচ্ছে। পর্তুগাল জানুয়ারি মাস থেকে কার্যকরভাবে ভ্যাকসিন প্রদান শুরু করতে পারবে।