মালয়েশিয়ায় অভিবাসী কর্মীদের আবাসন ব্যবস্থা হুমকির মুখে
jugantor
মালয়েশিয়ায় অভিবাসী কর্মীদের আবাসন ব্যবস্থা হুমকির মুখে

  আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া থেকে  

০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ২১:০৬:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

মালয়েশিয়ায় অভিবাসী কর্মীদের আবাসন ব্যবস্থা হুমকির মুখে। দেশটিতে বসবাসরত ৯০ শতাংশেরও বেশি অভিবাসী শ্রমিকদের আবাসন ব্যবস্থা চরম সংকট ও হুমকির মুখে। এমনটি বলছে সে দেশের মানবাধিকার সংস্থা।

সংস্থা বলছে, মালয়েশিয়া ভুলে যায় দেশটির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বিদেশি কর্মীরা।
এ পরিস্থিতিতে মানবাধিকার সংস্থার (এনএসআই) পাশাপাশি গভীর উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী এম সারাভানানও।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বারনামা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে কুয়ালালামপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এম সারাভানান সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এ সময় সিনিয়র মন্ত্রী দাতোক সেরি ইসমাইল সাবরি ইয়াকুবও উপস্থিত ছিলেন।

দেশটির এনজিও ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এনএসআইর নির্বাহী পরিচালক অ্যাড্রিয়ান পেরেরা চরম উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করে সংবাদমাধ্যম ফোকাস মালয়েশিয়াকে জানান, মালয়েশিয়ানরা তাদের নিজেদের স্বার্থের কারণে ভুলে গেছে যে, অভিবাসী শ্রমিকরা এ দেশের জিডিপি বা অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা একটা অংশ।

দেশের অর্থনীতি, উন্নয়ন, সংস্কার ও সংস্কৃতি বিদেশিদের অবদান ভুলে গিয়ে আমরা কেবল তাদের অপরাধের সঙ্গে তুলনা করি।

মানবসম্পদ মন্ত্রী এম সারাভানান বলেন, দেশটিতে প্রায় ৯১.১% বা ১.৪ মিলিয়ন অভিবাসী কর্মীদের আবাসন ব্যাবস্থা ন্যূনতম স্ট্যান্ডার্ড বা মানদণ্ড মানা হয়নি, যা খুবই উদ্বেগজনক; যা কিনা ১৯৯০ সালের আবাসন আইনের ৪৪৬ ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

শ্রমিক নিয়োগদাতা আবাসন সরবরাহকারীদের অনুসন্ধানে যে তথ্য পাওয়া গেছে, গত ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত তা হচ্ছে- দেশে মোট প্রায় ১.৬ মিলিয়ন অভিবাসী কর্মীর মধ্যে মাত্র ৮.৮৯% শতাংশ আবাসন ব্যবস্থা সন্তোষজনক। আর বাকি ৯১.১% শতাংশ বা ১.৪ মিলিয়ন আবাসন ব্যবস্থা আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে জানান মানবসম্পদমন্ত্রী এম সারাভানান।

মালয়েশিয়ায় অভিবাসী কর্মীদের আবাসন ব্যবস্থা হুমকির মুখে

 আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া থেকে 
০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মালয়েশিয়ায় অভিবাসী কর্মীদের আবাসন ব্যবস্থা হুমকির মুখে। দেশটিতে বসবাসরত ৯০ শতাংশেরও বেশি অভিবাসী শ্রমিকদের আবাসন ব্যবস্থা চরম সংকট ও হুমকির মুখে। এমনটি বলছে সে দেশের মানবাধিকার সংস্থা। 

সংস্থা বলছে, মালয়েশিয়া ভুলে যায় দেশটির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বিদেশি কর্মীরা। 
এ পরিস্থিতিতে মানবাধিকার সংস্থার (এনএসআই) পাশাপাশি গভীর উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী এম সারাভানানও।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বারনামা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে কুয়ালালামপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এম সারাভানান সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এ সময় সিনিয়র মন্ত্রী দাতোক সেরি ইসমাইল সাবরি ইয়াকুবও উপস্থিত ছিলেন।  

দেশটির এনজিও ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এনএসআইর  নির্বাহী পরিচালক অ্যাড্রিয়ান পেরেরা চরম উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করে সংবাদমাধ্যম ফোকাস মালয়েশিয়াকে জানান, মালয়েশিয়ানরা তাদের নিজেদের স্বার্থের কারণে  ভুলে গেছে যে, অভিবাসী শ্রমিকরা এ দেশের জিডিপি বা অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা একটা অংশ। 

দেশের অর্থনীতি, উন্নয়ন, সংস্কার ও সংস্কৃতি বিদেশিদের অবদান ভুলে গিয়ে আমরা কেবল তাদের অপরাধের সঙ্গে তুলনা করি। 

মানবসম্পদ মন্ত্রী এম সারাভানান বলেন, দেশটিতে প্রায় ৯১.১% বা ১.৪ মিলিয়ন অভিবাসী কর্মীদের আবাসন ব্যাবস্থা ন্যূনতম স্ট্যান্ডার্ড বা মানদণ্ড  মানা হয়নি, যা খুবই উদ্বেগজনক; যা কিনা ১৯৯০ সালের আবাসন আইনের ৪৪৬ ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

শ্রমিক নিয়োগদাতা আবাসন সরবরাহকারীদের  অনুসন্ধানে যে তথ্য পাওয়া গেছে, গত ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত তা হচ্ছে- দেশে মোট প্রায় ১.৬ মিলিয়ন অভিবাসী কর্মীর মধ্যে মাত্র ৮.৮৯% শতাংশ আবাসন ব্যবস্থা সন্তোষজনক। আর বাকি ৯১.১% শতাংশ বা ১.৪ মিলিয়ন আবাসন ব্যবস্থা আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে জানান মানবসম্পদমন্ত্রী এম সারাভানান।