ম্যারাডোনার সম্পত্তি নিয়ে ৬ নারীর সন্তানরা কি বিবাদে জড়াবেন?
jugantor
ম্যারাডোনার সম্পত্তি নিয়ে ৬ নারীর সন্তানরা কি বিবাদে জড়াবেন?

  অনলাইন ডেস্ক  

০৮ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:৩৩:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

দিয়েগো ম্যারাডোনা চোখ-ধাঁধানো ফুটবল খেলে বিপুল অর্থ কামিয়েছিলেন, করেছিলেন বহু বাড়ি। লোভনীয় প্রচারস্বত্ব থেকে শুরু করে বেলারুস থেকে পাওয়া উভচর ট্যাংকের মতো বহু সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।

কিন্তু গত সপ্তাহে ৬০ বছর বয়সে মারা যাওয়ার পর দেখা যাচ্ছে ম্যারাডোনা যে অর্থসম্পদ রেখে গেছেন, তার উত্তরাধিকার নিয়ে এক জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। খবর বিবিসির।

কারণ ম্যারাডোনার ব্যক্তিগত জীবনে ছিল বহু নারীর আসা-যাওয়া। তাদের গর্ভজাত সন্তানদের কারণেই সৃষ্টি হতে পারে এ জটিলতা।

কাজেই তিনি মারা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। তার সম্পদের পরিমাণ কত এবং ঠিক কতজন তার উত্তরাধিকারের দাবিদার হবেন, তা নিয়ে।

ম্যারাডোনার ছিল এক বিশাল পরিবার। ছয় নারীর সঙ্গে কয়েকদশকব্যাপী রোমান্টিক সম্পর্কের সূত্রে তাদের গর্ভে কমপক্ষে আট সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি।

মনে করা হচ্ছে, তার সম্পত্তি এই সন্তানদের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দেয়া হবে।

কিন্তু আর্জেন্টিনার আইন বিশেষজ্ঞ এবং সাংবাদিকরা বলছেন, ম্যারাডোনা কোনো উইল করে গেছেন বলে জানা যায়নি। তাই তার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী ঠিক করাটা কোনো সহজ-সরল ব্যাপার হবে না।

একজন সফল ফুটবলার হিসেবে ম্যারাডোনার জীবন ছিল বর্ণাঢ্য। আর নানা নারীর গর্ভে ম্যারাডোনার সন্তান জন্মের খবর ছিল সেই জীবনের একটা নিয়মিত ঘটনা।

ম্যারাডোনা এক কন্যা একবার ঠাট্টা করে বলেছিলেন, তার পিতার সন্তানের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তাতে পুরো একটা ১১ জনের ফুটবল দল হয়ে যাবে।

ম্যারাডোনা নিজে অনেক দিন ধরেই দাবি করে আসছিলেন, তার প্রথম স্ত্রী ক্লডিয়া ভিলাফানের গর্ভে জন্মানো দুই মেয়ে জিয়ানিনা (বর্তমানে বয়স ৩১) এবং ডালমা (বর্তমান বয়স ৩৩) ছাড়া তার আর কোন সন্তান নেই।

বিশ বছরের বিবাহিত জীবনের পর ২০০৩ সালে ক্লডিয়ার সঙ্গে ম্যারাডোনার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। পরে অবশ্য ম্যারাডোনা স্বীকার করেন যে- তিনি আরও ৬টি সন্তানের পিতা।

বছর পাঁচেক আগে ক্রিস্টিনা সিনাগ্রা এবং ভ্যালেরিয়া সাবালাইন নামে দুই নারীর সঙ্গে আদালতে আইনি লড়া্ইয়ের পর ম্যারাডোনা স্বীকার করেন, যথাক্রমে জুনিয়র(৩৪) এবং জানার(২৪) পিতা তিনিই।

এর আগে ২০১৩ সালে ভেরোনিকা ওইয়েদা নামে এক নারীর গর্ভে তার দ্বিতীয় পুত্র দিয়েগো ফার্নান্দোর জন্ম হয়। তাকে নিয়ে অবশ্য কোন মামলা হয়নি।

এর পর ২০১৯ সালে এক বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে। সবাইকে অবাক করে দিয়ে ম্যারাডোনার আইনজীবী ঘোষণা করেন, বিশ্বকাপজয়ী এই আর্জেন্টাইন ফুটবলার কিউবায় জন্মানো তিনটি শিশুর পিতৃত্ব স্বীকার করতে রাজি হয়েছেন।

কোকেন আসক্তি থেকে সেরে ওঠার চিকিৎসার জন্য ২০০০ সালের পর থেকে বেশ কয়েক বছর ম্যারাডোনা কিউবায় কাটিয়েছিলেন।

ম্যারাডোনার সম্পত্তি নিয়ে ৬ নারীর সন্তানরা কি বিবাদে জড়াবেন?

 অনলাইন ডেস্ক 
০৮ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দিয়েগো ম্যারাডোনা চোখ-ধাঁধানো ফুটবল খেলে বিপুল অর্থ কামিয়েছিলেন, করেছিলেন বহু বাড়ি। লোভনীয় প্রচারস্বত্ব থেকে শুরু করে বেলারুস থেকে পাওয়া উভচর ট্যাংকের মতো বহু সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।

কিন্তু গত সপ্তাহে ৬০ বছর বয়সে মারা যাওয়ার পর দেখা যাচ্ছে ম্যারাডোনা যে অর্থসম্পদ রেখে গেছেন, তার উত্তরাধিকার নিয়ে এক জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।  খবর বিবিসির।

কারণ ম্যারাডোনার ব্যক্তিগত জীবনে ছিল বহু নারীর আসা-যাওয়া। তাদের গর্ভজাত সন্তানদের কারণেই সৃষ্টি হতে পারে এ জটিলতা।

কাজেই তিনি মারা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। তার সম্পদের পরিমাণ কত এবং ঠিক কতজন তার উত্তরাধিকারের দাবিদার হবেন, তা নিয়ে।

ম্যারাডোনার ছিল এক বিশাল পরিবার। ছয় নারীর সঙ্গে কয়েকদশকব্যাপী রোমান্টিক সম্পর্কের সূত্রে তাদের গর্ভে কমপক্ষে আট সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি।

মনে করা হচ্ছে, তার সম্পত্তি এই সন্তানদের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দেয়া হবে।

কিন্তু আর্জেন্টিনার আইন বিশেষজ্ঞ এবং সাংবাদিকরা বলছেন, ম্যারাডোনা কোনো উইল করে গেছেন বলে জানা যায়নি। তাই তার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী ঠিক করাটা কোনো সহজ-সরল ব্যাপার হবে না।

একজন সফল ফুটবলার হিসেবে ম্যারাডোনার জীবন ছিল বর্ণাঢ্য। আর নানা নারীর গর্ভে ম্যারাডোনার সন্তান জন্মের খবর ছিল সেই জীবনের একটা নিয়মিত ঘটনা।

ম্যারাডোনা এক কন্যা একবার ঠাট্টা করে বলেছিলেন, তার পিতার সন্তানের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তাতে পুরো একটা ১১ জনের ফুটবল দল হয়ে যাবে।

ম্যারাডোনা নিজে অনেক দিন ধরেই দাবি করে আসছিলেন, তার প্রথম স্ত্রী ক্লডিয়া ভিলাফানের গর্ভে জন্মানো দুই মেয়ে জিয়ানিনা (বর্তমানে বয়স ৩১) এবং ডালমা (বর্তমান বয়স ৩৩) ছাড়া তার আর কোন সন্তান নেই।

বিশ বছরের বিবাহিত জীবনের পর ২০০৩ সালে ক্লডিয়ার সঙ্গে ম্যারাডোনার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।  পরে অবশ্য ম্যারাডোনা স্বীকার করেন যে- তিনি আরও ৬টি সন্তানের পিতা।

বছর পাঁচেক আগে ক্রিস্টিনা সিনাগ্রা এবং ভ্যালেরিয়া সাবালাইন নামে দুই নারীর সঙ্গে আদালতে আইনি লড়া্ইয়ের পর ম্যারাডোনা স্বীকার করেন, যথাক্রমে জুনিয়র(৩৪) এবং জানার(২৪) পিতা তিনিই।

এর আগে ২০১৩ সালে ভেরোনিকা ওইয়েদা নামে এক নারীর গর্ভে তার দ্বিতীয় পুত্র দিয়েগো ফার্নান্দোর জন্ম হয়। তাকে নিয়ে অবশ্য কোন মামলা হয়নি।

এর পর ২০১৯ সালে এক বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে। সবাইকে অবাক করে দিয়ে ম্যারাডোনার আইনজীবী ঘোষণা করেন, বিশ্বকাপজয়ী এই আর্জেন্টাইন ফুটবলার কিউবায় জন্মানো তিনটি শিশুর পিতৃত্ব স্বীকার করতে রাজি হয়েছেন।

কোকেন আসক্তি থেকে সেরে ওঠার চিকিৎসার জন্য ২০০০ সালের পর থেকে বেশ কয়েক বছর ম্যারাডোনা কিউবায় কাটিয়েছিলেন।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ম্যারাডোনা আর নেই