ফিলিস্তিনিদের অবরুদ্ধ রাখতে ইসরাইলের নতুন পরিকল্পনা
jugantor
ফিলিস্তিনিদের অবরুদ্ধ রাখতে ইসরাইলের নতুন পরিকল্পনা

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৮ ডিসেম্বর ২০২০, ১৮:১০:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

ইসরাইলের

অধিকৃত পশ্চিম তীরে নতুন করে আবারও ইহুদি বসতি স্থাপনের অনুমতি দিয়েছে ইসরাইল। রোববার ইসরাইলি কয়েকটি গণমাধ্যম এ বিষয়ে খবর প্রকাশ করে। খবর এপি ও ডেইলি সাবাহর।

খবরে বলা হয়, পশ্চিম তীরে আরো চারটি অবৈধ ইহুদি বসতি নির্মাণ করা হবে। এছাড়া, আল-কুদস শহরের উত্তরে আরো নয় হাজার ইউনিট বসতি নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে তেল আবিব।

রোববার ইসরাইলের পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেজেভ পশ্চিম তীরে নতুন চারটি বসতি নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদন দেন।

এ পরিকল্পনার আওতায় নতুন নতুন মহাসড়ক, পাতালপথ ও ওভারপাস নির্মাণ করবে ইহুদিবাদী দেশটি।

পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হলে কয়েক বছরের মধ্যে ওই সব বসতির বাসিন্দারা জেরুজালেম ও তেল আবিবে অবাধে যাতায়াত করার সুযোগ পাবেন।

অন্যদিকে নিজেদের শহরগুলোর এক বিরাট অংশে অবরুদ্ধ হয়ে পড়বেন ফিলিস্তিনিরা।

১৯৯৫ সালের ইসরাইল ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) মধ্যে চুক্তির আওতায় পূর্ব জেরুজালেমসহ পশ্চিম তীরকে অঞ্চল এ, বি এবং সিতে বিভক্ত করা হয়েছিল।

পশ্চিম তীরের প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা নিয়ে এরিয়া সি গঠিত । ওই এলাকার নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক ক্ষমতা ইসরাইল নিয়ন্ত্রণ করে।

এরিয়া সি এলাকায় বর্তমানে প্রায় তিন লাখ ফিলিস্তিনি নাগরিক বসবাস করেন। যাদের অধিকাংশ বেদুইন অবস্থায় মূলত তাঁবু, কাফেলা এবং গুহায় বাস করে।

আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেমের উভয় অংশকেই ‌‌‌অধিকৃত অঞ্চল হিসাবে বিবেচনা করা হয় এবং সেখানে ইহুদি বসতি-নির্মাণ কার্যক্রমকে অবৈধ বলে মনে করা হয়।

ফিলিস্তিনিদের অবরুদ্ধ রাখতে ইসরাইলের নতুন পরিকল্পনা

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৮ ডিসেম্বর ২০২০, ০৬:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইসরাইলের
ছবি: ডেইলি সাবাহ

অধিকৃত পশ্চিম তীরে নতুন করে আবারও ইহুদি বসতি স্থাপনের অনুমতি দিয়েছে ইসরাইল। রোববার ইসরাইলি কয়েকটি গণমাধ্যম এ বিষয়ে খবর প্রকাশ করে। খবর এপি ও ডেইলি সাবাহর। 

খবরে বলা হয়, পশ্চিম তীরে আরো চারটি অবৈধ ইহুদি বসতি নির্মাণ করা হবে। এছাড়া, আল-কুদস শহরের উত্তরে আরো নয় হাজার ইউনিট বসতি নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে তেল আবিব।

রোববার ইসরাইলের পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেজেভ পশ্চিম তীরে নতুন চারটি বসতি নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদন দেন।

এ পরিকল্পনার আওতায় নতুন নতুন মহাসড়ক, পাতালপথ ও ওভারপাস নির্মাণ করবে ইহুদিবাদী দেশটি। 

পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হলে কয়েক বছরের মধ্যে ওই সব বসতির বাসিন্দারা জেরুজালেম ও তেল আবিবে অবাধে যাতায়াত করার সুযোগ পাবেন। 

অন্যদিকে নিজেদের শহরগুলোর এক বিরাট অংশে অবরুদ্ধ হয়ে পড়বেন ফিলিস্তিনিরা।

১৯৯৫ সালের ইসরাইল ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) মধ্যে  চুক্তির আওতায় পূর্ব জেরুজালেমসহ পশ্চিম তীরকে অঞ্চল এ, বি এবং সিতে বিভক্ত করা হয়েছিল।

পশ্চিম তীরের প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা নিয়ে এরিয়া সি গঠিত । ওই এলাকার নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক ক্ষমতা ইসরাইল নিয়ন্ত্রণ করে। 

এরিয়া সি এলাকায় বর্তমানে প্রায় তিন লাখ ফিলিস্তিনি নাগরিক বসবাস করেন। যাদের অধিকাংশ বেদুইন অবস্থায় মূলত তাঁবু, কাফেলা এবং গুহায় বাস করে।

আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেমের উভয় অংশকেই ‌‌‌অধিকৃত অঞ্চল হিসাবে বিবেচনা করা হয় এবং সেখানে ইহুদি বসতি-নির্মাণ কার্যক্রমকে অবৈধ বলে মনে করা হয়।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : শতাব্দীর সেরা সমঝোতা