আইএস ক্যাম্প থেকে নারী-শিশুদের ফেরত নিল জার্মানি ও ফিনল্যান্ড
jugantor
আইএস ক্যাম্প থেকে নারী-শিশুদের ফেরত নিল জার্মানি ও ফিনল্যান্ড

  অনলাইন ডেস্ক  

২১ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:১০:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

সিরিয়ার আইএস ক্যাম্প থেকে পাঁচ নারী ও ১৪ শিশুকে ফেরত নিল জার্মানি ও ফিনল্যান্ড। এদের মধ্যে ৩ নারী ও ১২ শিশু গেছে জার্মানিতে।

সিরিয়ায় আইএস জঙ্গিদের পতনের পর দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তাদের স্ত্রী ও সন্তানদের আলাদা ক্যাম্পে আটক করে রাখা হয়েছে।খবর বিবিসি ও আরব নিউজের।

সেখান থেকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। জঙ্গি সম্পৃক্ততার কারণে অনেক দেশই তাদের এসব নাগরিককে ফেরত নিতে চাচ্ছে না।

জার্মানি ও ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছে, মানবিক কারণে এসব নারী ও শিশুদের রোববার দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

জার্মান গণমাধ্যম জানিয়েছে, এদের মধ্যে তিন নারীর বিরুদ্ধে জঙ্গি সম্পৃক্ততার বিষয়টি ব্যাপকভাবে অনুসন্ধান করা হয়।

ইউরোপ থেকে সিরিয়ায় এসে কয়েক হাজার তরুণ-তরুণী আইএসে যোগ দেয়। ইরাক ও সিরিয়ায় ২০১৯ সালে আইএসের পতনের পর সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে কুর্দি অধ্যুষিত এলাকায় বিভিন্ন ক্যাম্পে তাদের পরিবারের সদস্যদের আটক রাখা হয়।


ব্রিটেনের স্কুল থেকে ২০১৫ সালে পালিয়ে সিরিয়ায় এসে আইএসে যোগ দেয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শামীমা বেগমের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিল হওয়ার পর ইউরোপের বিভিন্ন দেশও তাদের এ ধরনের নাগরিকদের নাগরিকত্ব বাতিল করে দেয়।

তবে মানবিক কারণে কয়েকটি দেশ অনেক যাচাই-বাছাই করে নারী ও শিশুদের ফিরিয়ে নিচ্ছে।

আইএস ক্যাম্প থেকে নারী-শিশুদের ফেরত নিল জার্মানি ও ফিনল্যান্ড

 অনলাইন ডেস্ক 
২১ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:১০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিরিয়ার আইএস ক্যাম্প থেকে পাঁচ নারী ও ১৪ শিশুকে ফেরত নিল জার্মানি ও ফিনল্যান্ড। এদের মধ্যে ৩ নারী ও ১২ শিশু গেছে জার্মানিতে।

সিরিয়ায় আইএস জঙ্গিদের পতনের পর দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তাদের স্ত্রী ও সন্তানদের আলাদা ক্যাম্পে আটক করে রাখা হয়েছে।খবর বিবিসি ও আরব নিউজের।

সেখান থেকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। জঙ্গি সম্পৃক্ততার কারণে অনেক দেশই তাদের এসব নাগরিককে ফেরত নিতে চাচ্ছে না।

জার্মানি ও ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছে, মানবিক কারণে এসব নারী ও শিশুদের রোববার দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

জার্মান গণমাধ্যম জানিয়েছে, এদের মধ্যে তিন নারীর বিরুদ্ধে জঙ্গি সম্পৃক্ততার বিষয়টি ব্যাপকভাবে অনুসন্ধান করা হয়।

ইউরোপ থেকে সিরিয়ায় এসে কয়েক হাজার তরুণ-তরুণী আইএসে যোগ দেয়। ইরাক ও সিরিয়ায় ২০১৯ সালে আইএসের পতনের পর সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে কুর্দি অধ্যুষিত এলাকায় বিভিন্ন ক্যাম্পে তাদের পরিবারের সদস্যদের আটক রাখা হয়।


ব্রিটেনের স্কুল থেকে ২০১৫ সালে পালিয়ে সিরিয়ায় এসে আইএসে যোগ দেয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শামীমা বেগমের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিল হওয়ার পর ইউরোপের বিভিন্ন দেশও তাদের এ ধরনের নাগরিকদের নাগরিকত্ব বাতিল করে দেয়।

তবে মানবিক কারণে কয়েকটি দেশ অনেক যাচাই-বাছাই করে নারী ও শিশুদের ফিরিয়ে নিচ্ছে।  

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন