অমিত শাহকে ‘মিথ্যার আবর্জনা’ বলে আক্রমণ মমতার
jugantor
অমিত শাহকে ‘মিথ্যার আবর্জনা’ বলে আক্রমণ মমতার

  অনলাইন ডেস্ক  

২২ ডিসেম্বর ২০২০, ১৩:৫৫:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

পশ্চিমবঙ্গের ‘পিছিয়ে পড়া’ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যে বক্তব্য দিয়েছেন তা পুরোপুরি মিথ্যা বলে দাবি করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।

সোমবার পশ্চিমবঙ্গের সচিবালয় নবান্নে ও পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের বড়দিন উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ দাবি করেন। খবর আনন্দবাজার।

গত শুক্রবার রাত থেকে রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত দুদিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গ আসেন অমিত শাহ। তার সঙ্গে ছিলেন রাজ্য ও কেন্দ্রের নেতারাও।

রোববার অমিত শাহ অভিযোগ করেন, জিডিপি, শিল্পক্ষেত্র, বিদেশি বিনিয়োগ, সড়ক পরিকাঠামো, নগরোন্নয়নসহ সব ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ ক্রমশ পিছিয়ে পড়েছে। এ সময় তিনি ‘পিছিয়ে পড়া’ এ রাজ্যকে পাল্টে ‘সোনার বাংলা’ গড়ার ঘোষণা দেন।

এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে এসে সম্পূর্ণ অসত্য তথ্য পরিবেশন করেছেন অমতি শাহ। পাল্টা তথ্য দিয়ে শাহের প্রতিটি অভিযোগ তিনি খণ্ডন করবেন।

তবে ক্ষমতাসীন বিজেপি-ও পাল্টা জানিয়েছে, বিতর্কে প্রস্তুত তাদের দল।

এদিন নবান্নে মমতা বলেন, অমিত শাহ কিছু কিছু কথা পুরো মিথ্যা বলে গিয়েছেন। গার্বেজ অব লাইজ়। উনি বলেছেন শিল্পে আমরা শূন্য। এমএসএমই-তে আমরা এক নম্বরে। গ্রামীণ রাস্তা তৈরিতেও পয়লা নম্বরে। এটা আমার নয়, কেন্দ্রের তথ্য।

‘আমি অমিত সাহেবকে বলব, আপনি তো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এটা আপনাকে শোভা দেয় না। আপনার দল কোনো খারাপ বা মিথ্যা কথা শিখিয়ে দিচ্ছে, সেটা আপনি যাচাই না-করে বলছেন! বলার আগে কষ্ট করে যাচাই করুন। যে কথাগুলো কাল বলে গিয়েছেন, সব তথ্য আছে আমার কাছে। কাল মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর বলব।’

সন্ধ্যায় নবান্ন থেকে অ্যালেন পার্কে গিয়েও কেন্দ্রের শাসক দলের কড়া সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজ্য অনেক কিছুতেই এক নম্বরে রয়েছে। কেন এত মিথ্যা বলছেন মানুষকে? সত্যি কথা বলুন। কিছু মানুষ হিংসা করে। তারা দেশে একতা রাখতে পারে না। তারা শুধু দেশ-আইন ভাগ করতে জানে।

মমতার এ বক্তব্য শুনে রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, এ সব সরকারি তথ্য। পাল্টা তথ্য দিন। সেগুলো নিয়ে বিতর্ক হবে ভবিষ্যতে। সেটা সুস্থ গণতন্ত্রের লক্ষণ।

মুখ্যমন্ত্রী যে শব্দবন্ধ দিয়ে, যে ভাষায় আক্রমণ করছেন, তা সমাজ তার থেকে আশা করে না বলেও মন্তব্য করেন বিজেপির এ নেতা।

অমিত শাহকে ‘মিথ্যার আবর্জনা’ বলে আক্রমণ মমতার

 অনলাইন ডেস্ক 
২২ ডিসেম্বর ২০২০, ০১:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পশ্চিমবঙ্গের ‘পিছিয়ে পড়া’ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যে বক্তব্য দিয়েছেন তা পুরোপুরি মিথ্যা বলে দাবি করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।   

সোমবার পশ্চিমবঙ্গের সচিবালয় নবান্নে ও পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের বড়দিন উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ দাবি করেন।  খবর আনন্দবাজার। 

গত শুক্রবার রাত থেকে রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত দুদিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গ আসেন অমিত শাহ। তার সঙ্গে ছিলেন রাজ্য ও কেন্দ্রের নেতারাও।

রোববার অমিত শাহ অভিযোগ করেন, জিডিপি, শিল্পক্ষেত্র, বিদেশি বিনিয়োগ, সড়ক পরিকাঠামো, নগরোন্নয়নসহ সব ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ ক্রমশ পিছিয়ে পড়েছে। এ সময় তিনি ‘পিছিয়ে পড়া’ এ রাজ্যকে পাল্টে ‘সোনার বাংলা’ গড়ার ঘোষণা দেন।   

এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে এসে সম্পূর্ণ অসত্য তথ্য পরিবেশন করেছেন অমতি শাহ। পাল্টা তথ্য দিয়ে শাহের প্রতিটি অভিযোগ তিনি খণ্ডন করবেন।

তবে ক্ষমতাসীন বিজেপি-ও পাল্টা জানিয়েছে, বিতর্কে প্রস্তুত তাদের দল।

এদিন নবান্নে মমতা বলেন, অমিত শাহ কিছু কিছু কথা পুরো মিথ্যা বলে গিয়েছেন। গার্বেজ অব লাইজ়। উনি বলেছেন শিল্পে আমরা শূন্য। এমএসএমই-তে আমরা এক নম্বরে। গ্রামীণ রাস্তা তৈরিতেও পয়লা নম্বরে। এটা আমার নয়, কেন্দ্রের তথ্য। 

‘আমি অমিত সাহেবকে বলব, আপনি তো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এটা আপনাকে শোভা দেয় না। আপনার দল কোনো খারাপ বা মিথ্যা কথা শিখিয়ে দিচ্ছে, সেটা আপনি যাচাই না-করে বলছেন! বলার আগে কষ্ট করে যাচাই করুন। যে কথাগুলো কাল বলে গিয়েছেন, সব তথ্য আছে আমার কাছে। কাল মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর বলব।’ 

সন্ধ্যায় নবান্ন থেকে অ্যালেন পার্কে গিয়েও কেন্দ্রের শাসক দলের কড়া সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজ্য অনেক কিছুতেই এক নম্বরে রয়েছে। কেন এত মিথ্যা বলছেন মানুষকে? সত্যি কথা বলুন। কিছু মানুষ হিংসা করে। তারা দেশে একতা রাখতে পারে না। তারা শুধু দেশ-আইন ভাগ করতে জানে।

মমতার এ বক্তব্য শুনে রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, এ সব সরকারি তথ্য। পাল্টা তথ্য দিন। সেগুলো নিয়ে বিতর্ক হবে ভবিষ্যতে। সেটা সুস্থ গণতন্ত্রের লক্ষণ।

মুখ্যমন্ত্রী যে শব্দবন্ধ দিয়ে, যে ভাষায় আক্রমণ করছেন, তা সমাজ তার থেকে আশা করে না বলেও মন্তব্য করেন বিজেপির এ নেতা। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন