মরুর বুকে তুরস্কের উত্থান
jugantor
মরুর বুকে তুরস্কের উত্থান

  সরোয়ার আলম, আঙ্কারা, তুরস্ক থেকে   

৩১ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:৫৭:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

কারাবাখ যুদ্ধে আজারবাইজানকে সর্বশক্তি দিয়ে সমর্থন করে বিজয় এনে দিয়ে বিশ্ব শক্তিকে নিজেদের সক্ষমতার কথা জানান দিয়েছে তুরস্ক। ছবি: আনাদলু এজেন্সি

২০২০ সালটি ছিল তুরস্কের জন্য ঘটনাবহুল একটি বছর। বিশেষ করে পররাষ্ট্রনীতিতে তুরস্ক গত কয়েক দশকের সবচেয়ে সক্রিয় এবং সফল একটি বছর অতিবাহিত করল। লিবিয়া এবং কারাবাখে তুরস্কের সক্রিয় উপস্থিতি বিবেচনা করলে এ বছরটি দখলদারদের বিরুদ্ধে বিজয়ের বছর হিসবে ঘোষণা করা মোটেও অতিরঞ্জিত হবে না।

পররাষ্ট্রনীতিতে তুরস্ক এবছর স্মরণকালের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ দুটি কাজ করেছে। বছরের শুরুতেই (৭ জানুয়ারি) লিবিয়ার সঙ্গে ভূমধ্যসাগরে জলসীমা চুক্তি এবং ২৭ সেপ্টেম্বর কারাবাখ যুদ্ধে আজারবাইজানকে সর্বশক্তি দিয়ে সমর্থনের ঘোষণা।

এই দুটি বিষয় বছর জুড়ে অনেক ঘটনার জন্ম দিয়েছে। যেমন, লিবিয়ার সাথে চুক্তির পর তুরস্ক সামরিক শক্তি দিয়ে লিবিয়ার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে।

দেশটির প্রায় ৮০ ভাগ দখলকারী, এমনকি রাজধানী ত্রিপলির উপকণ্ঠ পর্যন্ত ত্রাস ছড়ানো সন্ত্রাসী খলিফা হাফতারের বাহিনীকে পিছু হটাতে বাধ্য করেছে। মরুর বুকে তুরস্কের সামরিক শক্তির উত্থান দেখেছে বিশ্ব। ত্রিপলি ভিত্তিক বৈধ সরকারকে হাঁফ ছেড়ে বাঁচতে সাহায্য করেছে।

লিবিয়ার সাথে এই চুক্তির বলেই তুরস্ক নৌবাহিনী দাবিয়ে বেড়িয়েছে ভূমধ্য সাগরে। তুরস্ক আরও দৃঢ় ভাবে ভূমধ্য সাগরে নিজের অবস্থানের জানান দিতে পেরেছে। গ্রিস, ইসরাইল, মিশর, সিরিয়া এক হয়ে ভূমধ্য সাগরে তুরস্ককে যে কোণঠাসা করার পরিকল্পনা করছিল তা ধূলিসাৎ করে দিয়েছে।

আর কারাবাখ যুদ্ধে আজারবাইজানের পাশে দাঁড়িয়ে দখলদার আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে সবচেয়ে সফল অভিযান পরিচালনা করছে। সমরে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমানভাবে সোচ্চার ছিল তুরস্ক। একদিকে আবাবিল পাখির ন্যায় তুর্কি ড্রন মুহুর্মুহু আঘাতে দিশেহারা করেছে আর্মেনীয় দখলদার সেনাদের অন্যদিকে আঙ্কারায় রাজ প্রাসাদে বসে এরদগান এবং তার কূটনৈতিক বাহিনী ব্যাস্ত ছিল পশ্চিমাদের আবোল তাবোল বুলি বন্ধ করতে। অবশেষে যুদ্ধের ময়দানে এবং আলোচনার টেবিলে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে তুরস্ক সমর্থিত আজারবাইজান।


আর ঐতিহাসিক আয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তর করে তুরস্ক আন্তর্জাতিক মোড়লদের আরেকবার বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েছে। প্রায় একশ বছর জাদুঘর হিসবে পরে থাকা এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটির পূর্বের অবস্থা অর্থাৎ মসজিদে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি ছিল লক্ষ লক্ষ তুর্কির মনের বাসনা। কিন্তু আন্তর্জাতিক খ্রিস্টান মহলের চাপের কারণে তুরস্ক এ কাজটি করতে সাহস পায়নি। এ বছর সেই মোক্ষম কাজটি করে প্রেসিডেন্ট রেজেপ তায়্যিপ এরদোয়ান শুধু তুর্কিদের আশাই পূর্ণ করেন নি বরং জয় করেছেন সারা বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের মন। ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাক দিয়ে সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন এরদোয়ান। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁর ইসলাম বিরোধী নীতির দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিয়ে আরেকবার মুসলমানদের মন জয় করলেন এই তুর্কি নেতা।

এ ছাড়াও, কৃষ্ণ সাগরে ইতিহাসের সর্বকালের বৃহৎ গ্যাসের মজুত খুঁজে পাওয়া, এযাবৎ কালের সবচেয়ে বড় স্বর্ণের খনির সন্ধান, মানব বিহীন উড়ন্ত গাড়ির সফল পরীক্ষা, নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি লিকুইড ফুয়েলড রকেট ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা, সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তিতে হেলিকপ্টার ইঞ্জিন তৈরি করা ছিল এ বছর তুরস্কের জন্য উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক কিছু ঘটনা। গত কয়েকদিন আগে তুরস্ক-যুক্তরাজ্যের স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিটিও গুরুত্বের দাবিদার। এসবগুলোই এ বছর তুরস্কের জন্য একেকটা মাইল ফলক হয়ে থাকবে।

তুরস্কের সেনাবাহিনী সিরিয়ায় আছে অনেক বছর ধরেই। এ বছরও তুরস্ক সিরিয়াতে স্বল্প সময়ের জন্য নতুন একটি সামরিক অভিযান পরিচালনা করে। তবে এরদোয়ানের দেশ এবছরই প্রথম ইরাকের উত্তরাঞ্চলে পদাতিক সৈন্য বাহিনী পাঠিয়ে পিকেকে সন্ত্রাসী সংগঠনটির বিপক্ষে ইরাকে সরাসরি সামরিক যুদ্ধ শুরু করে।


তবে ২০২০ সালটি তুরস্কের জন্য বেদনার একটা বছর হয়েও থাকবে। এ বছর তুরস্কে তিনটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রায় ১৭০ জন লোক নিহত হয়। তুষার ধসে নিহত হয় প্রায় ৪০ জন লোক। বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মারা জান ৪ জন। সিরিয়ার ইদলিবে রাশিয়ার মদদপুস্ট আসাদ বাহিনীর হামলায় মারা যায় ৩৩ জন তুর্কি সেনা।


আর ভয়ঙ্কর করোনা ভাইরাসের আক্রমণ তো আছেই। করোনার আক্রমণে তুরস্ক অন্য সব ইউরোপীয় দেশের মত শোচনীয় অবস্থায় না গেলেও আজ পর্যন্ত মারা গেছেন প্রায় ২১ হাজার মানুষ। অর্থনৈতিক অবস্থা লেজে-গোবরে। তার উপড়ে আবার মার্কিন মুলুক থেকে দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্পের উপড়ে আসলো নিষেধাজ্ঞা।


সবকিছুর পরেও আশার আলো দেখছে তুরস্ক। করোনার বিরুদ্ধে চীনের টিকা এসে পৌঁছেছে দেশটিতে। জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। উঠে যাবে দেশের মধ্যের চলাচলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা। চালু হবে স্কুল-কলেজ, খুলবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। আবার চাঙ্গা হবে পর্যটন শিল্প। ইউরোপ, আমেরিকা এবং আরব বিশ্বের সাথে আবার নতুন করে সম্পর্ক গড়ে উঠবে। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক এবং সামরিক শক্তিতে বলিয়ান হয়ে আরও বেশি মানব কল্যাণে কাজ করবে তুরস্ক। এই প্রত্যাশামুসলিম বিশ্বের।শুভ নববর্ষ।

মরুর বুকে তুরস্কের উত্থান

 সরোয়ার আলম, আঙ্কারা, তুরস্ক থেকে  
৩১ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কারাবাখ যুদ্ধে আজারবাইজানকে সর্বশক্তি দিয়ে সমর্থন করে বিজয় এনে দিয়ে বিশ্ব শক্তিকে নিজেদের সক্ষমতার কথা জানান দিয়েছে তুরস্ক। ছবি: আনাদলু এজেন্সি
কারাবাখ যুদ্ধে আজারবাইজানকে সর্বশক্তি দিয়ে সমর্থন করে বিজয় এনে দিয়ে বিশ্ব শক্তিকে নিজেদের সক্ষমতার কথা জানান দিয়েছে তুরস্ক। ছবি: আনাদলু এজেন্সি

২০২০ সালটি ছিল তুরস্কের জন্য ঘটনাবহুল একটি বছর। বিশেষ করে পররাষ্ট্রনীতিতে তুরস্ক গত কয়েক দশকের সবচেয়ে সক্রিয় এবং সফল একটি বছর অতিবাহিত করল। লিবিয়া এবং কারাবাখে তুরস্কের সক্রিয় উপস্থিতি বিবেচনা করলে এ বছরটি দখলদারদের বিরুদ্ধে বিজয়ের বছর হিসবে ঘোষণা করা মোটেও অতিরঞ্জিত হবে না। 

পররাষ্ট্রনীতিতে তুরস্ক এবছর স্মরণকালের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ দুটি কাজ করেছে।  বছরের শুরুতেই (৭ জানুয়ারি)  লিবিয়ার সঙ্গে ভূমধ্যসাগরে জলসীমা চুক্তি এবং ২৭ সেপ্টেম্বর কারাবাখ যুদ্ধে আজারবাইজানকে সর্বশক্তি দিয়ে সমর্থনের ঘোষণা। 

এই দুটি বিষয় বছর জুড়ে অনেক ঘটনার জন্ম দিয়েছে। যেমন, লিবিয়ার সাথে চুক্তির পর তুরস্ক সামরিক শক্তি দিয়ে লিবিয়ার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে। 

দেশটির প্রায় ৮০ ভাগ দখলকারী, এমনকি রাজধানী ত্রিপলির উপকণ্ঠ পর্যন্ত ত্রাস ছড়ানো সন্ত্রাসী খলিফা হাফতারের বাহিনীকে পিছু হটাতে বাধ্য করেছে। মরুর বুকে তুরস্কের সামরিক শক্তির উত্থান দেখেছে বিশ্ব। ত্রিপলি ভিত্তিক বৈধ সরকারকে হাঁফ ছেড়ে বাঁচতে সাহায্য করেছে। 

লিবিয়ার সাথে এই চুক্তির বলেই তুরস্ক নৌবাহিনী দাবিয়ে বেড়িয়েছে ভূমধ্য সাগরে। তুরস্ক আরও দৃঢ় ভাবে ভূমধ্য সাগরে নিজের অবস্থানের জানান দিতে পেরেছে। গ্রিস, ইসরাইল, মিশর, সিরিয়া এক হয়ে ভূমধ্য সাগরে তুরস্ককে যে কোণঠাসা করার পরিকল্পনা করছিল তা ধূলিসাৎ করে দিয়েছে। 

আর কারাবাখ যুদ্ধে আজারবাইজানের পাশে দাঁড়িয়ে দখলদার আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে সবচেয়ে সফল অভিযান পরিচালনা করছে। সমরে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমানভাবে সোচ্চার ছিল তুরস্ক। একদিকে আবাবিল পাখির ন্যায় তুর্কি ড্রন মুহুর্মুহু আঘাতে দিশেহারা করেছে আর্মেনীয় দখলদার সেনাদের অন্যদিকে আঙ্কারায় রাজ প্রাসাদে বসে এরদগান এবং তার কূটনৈতিক বাহিনী ব্যাস্ত ছিল পশ্চিমাদের আবোল তাবোল বুলি বন্ধ করতে। অবশেষে যুদ্ধের ময়দানে এবং আলোচনার টেবিলে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে তুরস্ক সমর্থিত আজারবাইজান। 


আর ঐতিহাসিক আয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তর করে তুরস্ক আন্তর্জাতিক মোড়লদের আরেকবার বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েছে। প্রায় একশ বছর জাদুঘর হিসবে পরে থাকা এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটির পূর্বের অবস্থা অর্থাৎ মসজিদে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি ছিল লক্ষ লক্ষ তুর্কির মনের বাসনা। কিন্তু আন্তর্জাতিক খ্রিস্টান মহলের চাপের কারণে তুরস্ক এ কাজটি করতে সাহস পায়নি। এ বছর সেই মোক্ষম কাজটি করে প্রেসিডেন্ট রেজেপ তায়্যিপ এরদোয়ান শুধু তুর্কিদের আশাই পূর্ণ করেন নি বরং জয় করেছেন সারা বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের মন। ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাক দিয়ে সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন এরদোয়ান। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁর  ইসলাম বিরোধী নীতির দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিয়ে আরেকবার মুসলমানদের মন জয় করলেন এই তুর্কি নেতা।  

এ ছাড়াও, কৃষ্ণ সাগরে ইতিহাসের সর্বকালের বৃহৎ গ্যাসের মজুত খুঁজে পাওয়া, এযাবৎ কালের সবচেয়ে বড় স্বর্ণের খনির সন্ধান, মানব বিহীন উড়ন্ত গাড়ির সফল পরীক্ষা, নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি লিকুইড ফুয়েলড রকেট ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা, সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তিতে হেলিকপ্টার ইঞ্জিন তৈরি করা ছিল এ বছর তুরস্কের জন্য উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক কিছু ঘটনা। গত কয়েকদিন আগে তুরস্ক-যুক্তরাজ্যের স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিটিও গুরুত্বের দাবিদার। এসবগুলোই এ বছর তুরস্কের জন্য একেকটা মাইল ফলক হয়ে থাকবে। 

তুরস্কের সেনাবাহিনী সিরিয়ায় আছে অনেক বছর ধরেই। এ বছরও তুরস্ক সিরিয়াতে স্বল্প সময়ের জন্য নতুন একটি সামরিক অভিযান পরিচালনা করে। তবে এরদোয়ানের দেশ এবছরই প্রথম ইরাকের উত্তরাঞ্চলে পদাতিক সৈন্য বাহিনী পাঠিয়ে পিকেকে সন্ত্রাসী সংগঠনটির বিপক্ষে ইরাকে সরাসরি সামরিক যুদ্ধ শুরু করে। 


তবে ২০২০ সালটি তুরস্কের জন্য বেদনার একটা বছর হয়েও থাকবে। এ বছর তুরস্কে তিনটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রায় ১৭০ জন লোক নিহত হয়। তুষার ধসে নিহত হয় প্রায় ৪০ জন লোক। বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মারা জান ৪ জন। সিরিয়ার ইদলিবে রাশিয়ার মদদপুস্ট আসাদ বাহিনীর হামলায় মারা যায় ৩৩ জন তুর্কি সেনা। 


আর ভয়ঙ্কর করোনা ভাইরাসের আক্রমণ তো আছেই। করোনার আক্রমণে তুরস্ক অন্য সব ইউরোপীয় দেশের মত শোচনীয় অবস্থায় না গেলেও আজ পর্যন্ত মারা গেছেন প্রায় ২১ হাজার মানুষ। অর্থনৈতিক অবস্থা লেজে-গোবরে। তার উপড়ে আবার মার্কিন মুলুক থেকে দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্পের উপড়ে আসলো নিষেধাজ্ঞা।  


সবকিছুর পরেও আশার আলো দেখছে তুরস্ক। করোনার বিরুদ্ধে চীনের টিকা এসে পৌঁছেছে দেশটিতে। জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। উঠে যাবে দেশের মধ্যের চলাচলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা।  চালু হবে স্কুল-কলেজ, খুলবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। আবার চাঙ্গা হবে পর্যটন শিল্প। ইউরোপ, আমেরিকা এবং আরব বিশ্বের সাথে আবার নতুন করে সম্পর্ক গড়ে উঠবে। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক এবং সামরিক শক্তিতে বলিয়ান হয়ে আরও বেশি মানব কল্যাণে কাজ করবে তুরস্ক। এই প্রত্যাশা মুসলিম বিশ্বের। শুভ নববর্ষ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : সারওয়ার আলমের লেখা