লকডাউন মানছে না দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণ 
jugantor
লকডাউন মানছে না দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণ 

  শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে  

১১ জানুয়ারি ২০২১, ২১:২৮:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনার দ্বিতীয় সংক্রমণের তাণ্ডব চলছে। করোনা ভ্যারিয়েন্টের থাবায় নাকাল দেশটির ৪টি প্রদেশ। গত তিন দিনে দেশটিতে মারা গেছেন ১৯০০ লোক। আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার লোক।

প্রতিদিন ভয়াবহতা বাড়ছে, সঙ্গে বাড়ছে আতঙ্ক এবং শঙ্কা। দেশটিতে করোনার প্রথম সংক্রমণে গত বছরের মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত শুধুমাত্র বাংলাদেশি মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৪৭ জন। দ্বিতীয় সংক্রমণের শুরুতেই জানুয়ারির প্রথম ৯ দিনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১০ থেকে ১২ জন বাংলাদেশির।
শতাধিক বাংলাদেশি আক্রান্ত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দেশটিতে লকডাউনের লেভেল ৩ চলছে। আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত লকডাউন চলবে। এরপর অবস্থার উন্নতি না হলে লকডাউনের মেয়াদ বাড়াবে এটাই স্বাভাবিক।

জোহানেসবার্গ শহরের স্নল স্ট্রিট থেকে বাংলাদেশিদের ঘনবসতি পূর্ণ এলাকা ফোর্ডসবার্গ পর্যন্ত বাংলাদেশিদেরও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে তেমন একটা দেখা যায়নি।অনেক বাংলাদেশি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে মাস্ক পরিধান ছাড়া সিগারেট টানছে আর মনের সুখে কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনছে। আর কৃষ্ণাঙ্গদের কথাতো বলার প্রয়োজন নেই। এরা এদের মতো চলছে আর করোনা এবং লকডাউনকে থোড়াই কেয়ার করছে না কৃষ্ণাঙ্গরা।

সর্বশেষ ভাষণে প্রেসিডেন্ট বলছিলেন, স্বাস্থ্য বিধিমালা না মানলে জেল-জরিমানা গুনতে হবে। প্রথম দুই-এক দিন মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি দেখা গেলেও লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধিমালা পর্যবেক্ষণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো ধরনের উপস্থিতি এখন আর দেখা যাচ্ছে না। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, আইনের সব মারপ্যাঁচ ভাষণের মধ্যে সীমাবদ্ধ। মাঠ পর্যায়ে আইন প্রয়োগের ছিটেফোঁটা আলামতও নেই।

এক কথায় দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত্যু এবং সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লেও জনগণ লকডাউনের স্বাস্থ্যবিধিমালা মেনে চলছে না।

লকডাউন মানছে না দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণ 

 শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে 
১১ জানুয়ারি ২০২১, ০৯:২৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনার দ্বিতীয় সংক্রমণের তাণ্ডব চলছে। করোনা ভ্যারিয়েন্টের থাবায় নাকাল দেশটির ৪টি প্রদেশ। গত তিন দিনে দেশটিতে মারা গেছেন ১৯০০ লোক। আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার লোক।

প্রতিদিন ভয়াবহতা বাড়ছে, সঙ্গে বাড়ছে আতঙ্ক এবং শঙ্কা। দেশটিতে করোনার প্রথম সংক্রমণে গত বছরের মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত শুধুমাত্র বাংলাদেশি মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৪৭ জন। দ্বিতীয় সংক্রমণের শুরুতেই জানুয়ারির প্রথম ৯ দিনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১০ থেকে ১২ জন বাংলাদেশির। 
শতাধিক বাংলাদেশি আক্রান্ত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দেশটিতে লকডাউনের লেভেল ৩ চলছে। আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত লকডাউন চলবে। এরপর অবস্থার উন্নতি না হলে লকডাউনের মেয়াদ বাড়াবে এটাই স্বাভাবিক। 

জোহানেসবার্গ শহরের স্নল স্ট্রিট থেকে বাংলাদেশিদের ঘনবসতি পূর্ণ এলাকা ফোর্ডসবার্গ পর্যন্ত বাংলাদেশিদেরও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে তেমন একটা দেখা যায়নি।অনেক বাংলাদেশি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে মাস্ক পরিধান ছাড়া সিগারেট টানছে আর মনের সুখে কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনছে। আর কৃষ্ণাঙ্গদের কথাতো বলার প্রয়োজন নেই। এরা এদের মতো চলছে আর করোনা এবং লকডাউনকে থোড়াই কেয়ার করছে না কৃষ্ণাঙ্গরা। 

সর্বশেষ ভাষণে প্রেসিডেন্ট বলছিলেন, স্বাস্থ্য বিধিমালা না মানলে জেল-জরিমানা গুনতে হবে। প্রথম দুই-এক দিন মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি দেখা গেলেও লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধিমালা পর্যবেক্ষণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো ধরনের উপস্থিতি এখন আর দেখা যাচ্ছে না। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, আইনের সব মারপ্যাঁচ ভাষণের মধ্যে সীমাবদ্ধ। মাঠ পর্যায়ে আইন প্রয়োগের ছিটেফোঁটা আলামতও নেই। 

এক কথায় দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত্যু এবং সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লেও জনগণ লকডাউনের স্বাস্থ্যবিধিমালা মেনে চলছে না।