ট্রাম্পের জন্য মেরকেলের চিন্তা!
jugantor
ট্রাম্পের জন্য মেরকেলের চিন্তা!

  অনলাইন ডেস্ক  

১২ জানুয়ারি ২০২১, ১৪:১০:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইটার অ্যাকাউন্ট পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের সম্পর্ক আদৌ মধুর নয়। গত চার বছরে একাধিকবার ট্রাম্প ও মেরকেলের মতবিরোধ সামনে এসেছে।

ক্যাপিটলের ঘটনার পর ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দিয়েছে টুইটার কর্তৃপক্ষ। এর ফলে চিন্তা বেড়েছে জার্মান চ্যান্সেলরের। খবর ডয়েচে ভেলের।

তার মুখপাত্র জানিয়েছেন, চ্যান্সেলর মনে করেন, বিষয়টি নিয়ে সমস্যা আছে। কারণ মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই চ্যান্সেলরের মনে হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া ঠিক হয়নি।

ট্রাম্পের অনেক টুইট ঠিক নয়, এটি মেরকেলও জানেন। তা সত্ত্বেও মতপ্রকাশের অধিকার নিয়ে কোনো বেসরকারি সংস্থা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না, সরকারই আইন মেনে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

ক্যাপিটলের ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যুর পরই টুইটার ও ফেসবুক ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়। তাদের যুক্তি ছিল– ট্রাম্পের টুইটের ফলে আরও সহিংস ঘটনা ঘটতে পারে।

ট্রাম্পের জন্য মেরকেলের চিন্তা!

 অনলাইন ডেস্ক 
১২ জানুয়ারি ২০২১, ০২:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইটার অ্যাকাউন্ট পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের সম্পর্ক আদৌ মধুর নয়। গত চার বছরে একাধিকবার ট্রাম্প ও মেরকেলের মতবিরোধ সামনে এসেছে।

ক্যাপিটলের ঘটনার পর ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দিয়েছে টুইটার কর্তৃপক্ষ। এর ফলে চিন্তা বেড়েছে জার্মান চ্যান্সেলরের। খবর ডয়েচে ভেলের।

তার মুখপাত্র জানিয়েছেন, চ্যান্সেলর মনে করেন, বিষয়টি নিয়ে সমস্যা আছে। কারণ মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই চ্যান্সেলরের মনে হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া ঠিক হয়নি।

ট্রাম্পের অনেক টুইট ঠিক নয়, এটি মেরকেলও জানেন। তা সত্ত্বেও মতপ্রকাশের অধিকার নিয়ে কোনো বেসরকারি সংস্থা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না, সরকারই আইন মেনে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

ক্যাপিটলের ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যুর পরই টুইটার ও ফেসবুক ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়। তাদের যুক্তি ছিল– ট্রাম্পের টুইটের ফলে আরও সহিংস ঘটনা ঘটতে পারে।