করোনা সংক্রমণ বাড়ায় চীনের ৪ শহর লকডাউনে
jugantor
করোনা সংক্রমণ বাড়ায় চীনের ৪ শহর লকডাউনে

  অনলাইন ডেস্ক  

১৩ জানুয়ারি ২০২১, ২১:৫৩:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

চীনে লকডাউন

গত পাঁচ মাসের মধ্যে বুধবার করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় চীনের দুটি প্রদেশের চারটি শহর লকডাউন করা হয়েছে। দেশটিতে করোনার সংক্রমণের নতুন ঢেউ ঠেকাতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শহরগুলো হলো হেবেই প্রদেশের শিজিয়াজহং, শিংতাই ও ল্যাংফাং এবং হেলিওংজিয়াং প্রদেশের সুইহা।

চীনে নতুন করে কোভিডে আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তিদের বেশির ভাগই রাজধানী বেইজিংয়ের কাছাকাছি থাকেন। তবে দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পূর্বের একটি প্রদেশেও করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। তাই ওই প্রদেশের ২ কোটি ৮০ লাখ মানুষকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের (এনএইচসি) প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের মূল ভূখণ্ডে মোট ১১৫ জন নতুন করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এর আগের দিন মঙ্গলবার তা ছিল ৫৫ জন। ৩০ জুলাইয়ের পর থেকে বুধবার এক দিনে করোনা শনাক্তের হার দেশটিতে সর্বোচ্চ। নতুন আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে হেবেই প্রদেশে ৯০ জন এবং হেলিওংজিয়াং প্রদেশে ১৫ জন। হেলিওংজিয়াং প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

২০১৯ সালের শেষ দিকে চীনের উহান শহর থেকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে। পরে তা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে চীন কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সফলতা দেখিয়েছে।

করোনা সংক্রমণ বাড়ায় চীনের ৪ শহর লকডাউনে

 অনলাইন ডেস্ক 
১৩ জানুয়ারি ২০২১, ০৯:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চীনে লকডাউন
ফাইল ছবি

গত পাঁচ মাসের মধ্যে বুধবার করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় চীনের দুটি প্রদেশের চারটি শহর লকডাউন করা হয়েছে।  দেশটিতে করোনার সংক্রমণের নতুন ঢেউ ঠেকাতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শহরগুলো হলো হেবেই প্রদেশের শিজিয়াজহং, শিংতাই ও ল্যাংফাং এবং হেলিওংজিয়াং প্রদেশের সুইহা।

চীনে নতুন করে কোভিডে আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তিদের বেশির ভাগই রাজধানী বেইজিংয়ের কাছাকাছি থাকেন। তবে দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পূর্বের একটি প্রদেশেও করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। তাই ওই প্রদেশের ২ কোটি ৮০ লাখ মানুষকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের (এনএইচসি) প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের মূল ভূখণ্ডে মোট ১১৫ জন নতুন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।  এর আগের দিন মঙ্গলবার তা ছিল ৫৫ জন। ৩০ জুলাইয়ের পর থেকে বুধবার এক দিনে করোনা শনাক্তের হার দেশটিতে সর্বোচ্চ। নতুন আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে হেবেই প্রদেশে ৯০ জন এবং হেলিওংজিয়াং প্রদেশে ১৫ জন। হেলিওংজিয়াং প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

২০১৯ সালের শেষ দিকে চীনের উহান শহর থেকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে। পরে তা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।  রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে চীন কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সফলতা দেখিয়েছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস