উপসাগরীয় দেশগুলোর কূটনীতিতে ইরানকে রাখতে চায় কাতার
jugantor
উপসাগরীয় দেশগুলোর কূটনীতিতে ইরানকে রাখতে চায় কাতার

  অনলাইন ডেস্ক  

১৯ জানুয়ারি ২০২১, ২২:০৫:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

কাতার ও ইরান

উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর কূটনীতিতে ইরানকে রাখতে আহ্বান জানিয়েছে কাতার। আরব প্রতিবেশীদের হাতে তিন বছরেরও বেশি সময় অবরোধ থেকে মুক্ত হওয়া দেশটি মধ্যস্থতারও প্রস্তাব দিয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে কাতার ও ইরানের যৌথ জলসীমায়। কাতারের মধ্যে পড়েছে বড় অংশ। কাতারি অংশে এই গ্যাসক্ষেত্রের নাম ‘নর্থ ডোম’। আর ইরানি অংশে এর নাম ‘সাউথ পার্স’। দুই দেশের জলসীমায় ভাগাভাগি হলেও বিশ্বে এনএনজির চাহিদার অধিকাংশ আসে এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে।

কয়েক বছর ধরে ইরানের সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর আলোচনার আহ্বান জানাচ্ছে। আরব দেশগুলো ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির জন্য দায়ী করে আসছে। তবে তেহরান এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল থানি সোমবার ব্লুমবার্গ টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তার সরকার এটি হওয়ার বিষয়ে খুব আশাবাদী।

তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি এটি হওয়া উচিত। এটি উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের আলোচনা হওয়ার আঙক্ষাকা।

সৌদি আরব এখন পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে আলোচনার ইচ্ছার বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো ইঙ্গিত দেয়নি।
সূত্র: আল জাজিরা

উপসাগরীয় দেশগুলোর কূটনীতিতে ইরানকে রাখতে চায় কাতার

 অনলাইন ডেস্ক 
১৯ জানুয়ারি ২০২১, ১০:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কাতার ও ইরান
ফাইল ছবি

উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর কূটনীতিতে ইরানকে রাখতে আহ্বান জানিয়েছে কাতার। আরব প্রতিবেশীদের হাতে তিন বছরেরও বেশি সময় অবরোধ থেকে মুক্ত হওয়া দেশটি মধ্যস্থতারও প্রস্তাব দিয়েছে। 

বিশ্বের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে কাতার ও ইরানের যৌথ জলসীমায়। কাতারের মধ্যে পড়েছে বড় অংশ। কাতারি অংশে এই গ্যাসক্ষেত্রের নাম ‘নর্থ ডোম’। আর ইরানি অংশে এর নাম ‘সাউথ পার্স’। দুই দেশের জলসীমায় ভাগাভাগি হলেও বিশ্বে এনএনজির চাহিদার অধিকাংশ আসে এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে।

কয়েক বছর ধরে ইরানের সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর আলোচনার আহ্বান জানাচ্ছে। আরব দেশগুলো ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির জন্য দায়ী করে আসছে। তবে তেহরান এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। 

কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল থানি সোমবার ব্লুমবার্গ টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তার সরকার এটি হওয়ার বিষয়ে খুব আশাবাদী।  

তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি এটি হওয়া উচিত। এটি উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের আলোচনা হওয়ার আঙক্ষাকা।

সৌদি আরব এখন পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে আলোচনার ইচ্ছার বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। 
সূত্র: আল জাজিরা